শুভেন্দুর সঙ্গে এক মিছিলে কৌস্তুভ, জল্পনা রাজ্য রাজনীতিতে
সাশ্রয় নিউক ★ কলকাতা : গ্রুপ ডি চাকরিপ্রার্থীদের সঙ্গে মিছিলে হাঁটলেন কংগ্রেস নেতা কৌস্তুভ বাগচী। এদিন মিছিলে ছিলেন পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বিরোধী দল নেতা শুভেন্দু অধিকারীও। দুই ভিন্ন দলের নেতাকে একই সঙ্গে মিছিলে দেখে রাজ্য রাজনীতির জল্পনার পারদ আরও বৃদ্ধি পেল বলেই রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মত।
ইন্ডিয়া জোট নিয়ে কৌস্তভ বাগচী নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে ছলেন। তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে জোট সঙ্গে হতে নারাজ কংগ্রেসের আইনজীবী নেতা। কংগ্রেস মুখপাত্রের তালিকা থেকে বাদ পড়া নিয়েও রাজনৈতিক দলগুলির অন্দরে কানাঘুষো শুরু হয়।
আজ ক্যামাক স্ট্রিট থেকে গ্রুপ ডি চাকরিপ্রার্থীরা মিছিল করেন হাজরা পর্যন্ত। মিছিলে শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে দেখা যায় কৌস্তুভকেই। এবার কী তাহলে দল বদল করবেন কৌস্তুভ? যোগ দেবেন বিজেপিতে। ক’য়েক দিন আগেই তাঁর কণ্ঠে শোনা যায়, বিরোধী নেতা হিসেবে শুভেন্দুর প্রশংসা। সেই সঙ্গে বিগত দিনে কংগ্রেসের বিধানসভার বিরোধী দল নেতার সমালোচনা করতেও ছাড়েননি কংগ্রেসের আইনজীবী নেতা। তখনই তাঁর সম্পর্কে দল বদলের জল্পনা শুরু হয় রাজ্য রাজনীতিতে।
শুভেন্দু অধিকারীর মুখেও শোনা যায় কৌস্তভের প্রশংসা। শুভেন্দুর কথায়, “এই আন্দোলন অরাজনৈতিক আন্দোলন। আমি বিরোধী দলনেতা হিসাবে এসেছি। আন্দোলনকারীরা কাকে রাখবেন সেটা তাঁদের ব্যাপার।” এরপরই কার্যত কৌস্তভের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়ে তিনি বলেন, “আমার রাজৈনিক মতাদর্শের বাইরে যে কয়েকটা লোক এই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজত্বের বিরুদ্ধে লড়াই করছেন তার মধ্যে কৌস্তভ অন্যতম। এরা হাইকোর্টে যে লড়াই করে অনুমতি এনেছেন তাতে হাইকোর্টের একজন সফল আইনজীবী হিসাবে কৌস্তভেরও অবদান আছে। স্বাভাবিকভাবে যার আন্দোলনের দাবির প্রতি মমত্ববোধ থাকবে সেই এই মিছিলে আসতে পারে।” কৌস্তুভ বাগচী এবিষয়ে কী বলেন। তাঁর কথায়, “এটা কোনও রাজনৈতিক দলের মিছিল নয়। বিজেপির মিছিল নয়। বিজেপির মিছিল হলে আমিও হাঁটতাম না, আর কংগ্রেসের মিছিল হলে শুভেন্দু অধিকারীও হাঁটতেন না। এখানে আমি আমার রাজনৈতিক সত্তার বাইরে আইনজীবী হিসাবে এসেছি। তাই বলছি অহেতুক জল্পনা করার কোনও মানে হয় না।”




