সাশ্রয় নিউজ ডেস্ক ★ আসুনসিওন (নউয়েস্ত্রা সেনিয়র সান্তা মারিয়া দে লা আসুনসিওন) : লাতিন আমেরিকার দেশ প্যারাগুয়েতে একটি বেসরকারি ব্যাঙ্কের পতন ঘিরে তৈরি হয়েছে নজিরবিহীন আর্থিক ও রাজনৈতিক সংকট। একসময় দেশের প্রথম আন্তর্জাতিক মানের ‘ইউনিকর্ন’ সংস্থা গড়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন ৩৬ বছরের তরুণ উদ্যোক্তা মিগুয়েল ভাজকেজ (Miguel Vazquez)। তাঁর প্রতিষ্ঠিত উয়েনো ব্যাঙ্ক (Ueno Bank) দ্রুত জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিল। কিন্তু সেই সাফল্যের গল্পের পরিণতি এখন সম্পূর্ণ বিপরীত। তারল্য সংকটের অভিযোগে ব্যাঙ্কটি বন্ধ করে দিয়েছে প্যারাগুয়ের কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক। প্রতিষ্ঠাতা ভাজকেজ আছেন বিচার-পূর্ব হেফাজতে। অন্যদিকে, ব্যাঙ্কটির সঙ্গে আর্থিক ও ব্যবসায়িক সম্পর্কের অভিযোগে রাজনৈতিক চাপের মুখে শেষ পর্যন্ত পদত্যাগ করতে হয়েছে দেশের প্রেসিডেন্ট সান্তিয়াগো পেনাকে (Santiago Pena)। একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের পতন কীভাবে গোটা দেশের প্রশাসন ও রাজনীতিকে নাড়িয়ে দিতে পারে, প্যারাগুয়ের সাম্প্রতিক ঘটনা তারই উদাহরণ হয়ে উঠেছে।
আরও পড়ুন : Donald Trump JD Vance Iran Conflict Disagreement | ভোটের ধাক্কায় ট্রাম্প-ভান্স দূরত্ব
একসময় প্রায় ৫০০ মিলিয়ন ডলারের মূল্যায়ন পাওয়া উয়েনো ব্যাঙ্ককে ঘিরে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে যথেষ্ট আগ্রহ তৈরি হয়েছিল। চলতি বছরের জুন মাসে হাঙ্গেরির আর্থিক প্রতিষ্ঠান ওটিপি ব্যাঙ্ক (OTP Bank Plc) উয়েনোর হোল্ডিং কোম্পানিতে নিজেদের অংশীদারি বাড়িয়ে ১০ শতাংশ করে। তখন সংস্থাটির আনুমানিক মূল্যায়ন ছিল ৪৭০ মিলিয়ন ডলার। ব্যাঙ্কের প্রতিষ্ঠাতা ভাজকেজের ব্যক্তিগত অংশীদারির মূল্য একসময় প্রায় ৩৭৫ মিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছিল বলে জানা যায়। সেই সাফল্যের কারণে প্যারাগুয়ের অন্যতম ধনী ব্যবসায়ীর তালিকাতেও উঠে এসেছিলেন তিনি। কিন্তু অল্প সময়ের মধ্যে পরিস্থিতি বদলে যায়। কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কের হস্তক্ষেপে উয়েনোর কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর লক্ষ লক্ষ গ্রাহক নিজেদের জমা অর্থ ব্যবহারের সুযোগ হারিয়েছেন। এই আর্থিক বিপর্যয়ের প্রভাব শুধু সাধারণ আমানতকারীদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। সরকারী বিভিন্ন সংস্থার বিপুল পরিমাণ অর্থও জমা ছিল উয়েনোতে। অভিযোগ, প্যারাগুয়ে সরকার ব্যাঙ্কটিতে ৮০০ মিলিয়ন ডলারেরও বেশি সরকারি অর্থ রেখেছিল। কোনও একটি বেসরকারি ব্যাঙ্কে সরকারি আমানতের ক্ষেত্রে এটি ছিল দেশটির ইতিহাসে নজিরবিহীন পরিমাণ। ফলে ব্যাঙ্কটির আর্থিক অবস্থা নিয়ে প্রশ্ন ওঠার পর সরকারের সিদ্ধান্ত এবং প্রেসিডেন্টের ভূমিকা নিয়ে বিতর্ক তীব্র হয়।
উয়েনোর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের অভিযোগে প্রেসিডেন্ট পেনার বিরুদ্ধে অভিশংসনের উদ্যোগ নিয়েছিলেন আইনপ্রণেতাদের একাংশ। অভিযোগ ছিল, ব্যাঙ্কটির সঙ্গে তাঁর আর্থিক যোগাযোগ থাকা সত্ত্বেও প্রশাসনের তরফে সেখানে বিপুল সরকারি অর্থ রাখা হয়েছিল। আইনপ্রণেতাদের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছিল। অভিশংসন প্রক্রিয়ায় চূড়ান্ত ভোটাভুটি হওয়ার আগেই পদত্যাগের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন পেনা। ফলে একটি ব্যাঙ্কের আর্থিক বিপর্যয় শেষ পর্যন্ত দেশের সর্বোচ্চ রাজনৈতিক পদেও বড়সড় পরিবর্তন ডেকে আনল।
পদত্যাগের আগে সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত একটি ভিডিয়োয় পেনা আমানতকারীদের অর্থ ফেরানোর বিষয়টিকে সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানান। তাঁর বক্তব্য ছিল, দেশের আর্থিক ব্যবস্থার উপর ভরসা করে যাঁরা সারা জীবনের সঞ্চয় ব্যাঙ্কে রেখেছেন, তাঁদের স্বার্থ রক্ষা করাই এখন সবচেয়ে জরুরি। তিনি বলেন, ‘প্রতিটি আমানতের পিছনে রয়েছে বহু বছরের পরিশ্রম, ত্যাগ এবং একটি পরিবারের ভবিষ্যতের স্বপ্ন। সেই অর্থ ফিরিয়ে দেওয়াই আমার প্রধান লক্ষ্য।’ তবে বাস্তবে কত দ্রুত গ্রাহকেরা নিজেদের অর্থ ফেরত পাবেন, তা নিয়ে এখনও অনিশ্চয়তা আছে। উল্লেখ যে, প্যারাগুয়ের আমানত বিমা ব্যবস্থায় সর্বোচ্চ ৩৮ হাজার ডলার পর্যন্ত অর্থ সুরক্ষার আওতায়। অর্থাৎ কোনও ব্যাঙ্ক বন্ধ হয়ে গেলে নির্ধারিত সীমা পর্যন্ত আমানতকারীরা বিমার সুবিধা পেতে পারেন। কিন্তু যাঁদের জমা অর্থ এই সীমার অনেক বেশি, তাঁদের বাকি অর্থের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। উয়েনোর বিপুল সংখ্যক গ্রাহকের ক্ষেত্রে এই প্রশ্ন আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে ছোট ব্যবসায়ী, সাধারণ পরিবার ও সরকারী প্রতিষ্ঠানের আর্থিক লেনদেন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা বলে উল্লেখ।
ভাজকেজের উত্থানের ইতিহাসও যথেষ্ট আকর্ষণীয়। তাঁর পরিবারের ব্যবসার শিকড় ছিল সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে যুক্ত। তাঁর মাতামহ মার্সিডিজ বেঞ্জের (Mercedes-Benz) স্থানীয় ডিলারশিপ পরিচালনা করতেন। অন্যদিকে, পিতামহীর ছিল বাজারে একটি ছোট মুদির দোকান। ভাজকেজের বাবা সেই পারিবারিক পরিবেশ থেকেই ক্ষুদ্রঋণের ব্যবসা শুরু করেন। মূল উদ্দেশ্য ছিল, যাঁরা প্রচলিত ব্যাঙ্কিং পরিষেবার বাইরে রয়েছেন, তাঁদের ঋণ পাওয়ার সুযোগ করে দেওয়া। ছোটবেলা থেকেই বাবার ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন মিগুয়েল। কিশোর বয়সে ঋণ দেওয়ার কাজে সাহায্য করতেন তিনি। পরে পারিবারিক সংস্থা ক্রেডিসেন্ত্রো (Credicentro)-এর দায়িত্ব নিয়ে সেটিকে বড় আর্থিক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করার পরিকল্পনা করেন। ২০১৪ সালে পারিবারিক ব্যবসার দায়িত্ব গ্রহণ করেন বলে তাঁর পেশাগত পরিচিতিতে উল্লেখ রয়েছে। ২০২৩ সালে সেই ব্যবসাকে নতুন কাঠামো দিয়ে উয়েনো ব্যাঙ্ক হিসেবে তিনি আত্মপ্রকাশ করান।
নিজের পারিবারিক ব্যবসার উত্তরাধিকার নিয়ে ২০২৪ সালের একটি সাক্ষাৎকারে ভাজকেজ বলেছিলেন, ‘আমি শুধু একজন উদ্যোক্তা নই, তৃতীয় প্রজন্মের প্রতিনিধি। আগের দুই প্রজন্মের তৈরি ভিত্তির উপর দাঁড়িয়েই ব্যবসাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছি।’ তাঁর সেই উদ্যোগ অল্প সময়ের মধ্যে বড় আকার নেয়। প্যারাগুয়ের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ মানুষ কোনও না কোনওভাবে উয়েনোর পরিষেবা ব্যবহার করতেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। উল্লেখ্য যে, ব্যাঙ্কিংয়ের বাইরেও ভাজকেজের ব্যবসায়িক সাম্রাজ্য বিস্তৃত হয়েছিল। তাঁর নিয়ন্ত্রণাধীন গ্রুপো ভাজকেজ (Grupo Vázquez) পশুপালন, ই-কমার্স এবং একাধিক বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে বিনিয়োগ করেছিল। সংস্থার বার্ষিক হিসাব অনুযায়ী, ২০২৫ সালে সেখানে প্রায় ছয় হাজার কর্মী কাজ করতেন। ওই বছরে ব্যবসার আয় ১০০ মিলিয়ন ডলারের বেশি ছিল। ২০২০ সালের তুলনায় গ্রুপটির অধীনস্থ সংস্থার সংখ্যা তিন গুণেরও বেশি বেড়ে ২০২৫ সালের শেষে ২৮-এ পৌঁছেছিল। জাতীয় ফুটবল দলের স্পনসর হওয়ার পর উয়েনোর পরিচিতিও আরও বেড়েছিল।
কিন্তু ব্যাঙ্কের দ্রুত সম্প্রসারণের পাশাপাশি প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। ২০১৯ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে ভাজকেজের একটি সংস্থায় বিনিয়োগ করেছিলেন পেনা। যদিও সরাসরি উয়েনো ব্যাঙ্কে তাঁর বিনিয়োগ ছিল না বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তা সত্ত্বেও প্রেসিডেন্টের প্রশাসন কেন ওই ব্যাঙ্কে এত বিপুল সরকারি অর্থ রেখেছিল, তা নিয়ে বিরোধীদের প্রশ্ন বাড়তে থাকে। পেনার যুক্তি ছিল, উয়েনো তুলনামূলক বেশি সুদ দিচ্ছিল বলেই সেখানে সরকারি আমানত রাখা হয়েছিল। ২০২৪ সালের শেষ দিকে তিনি আমানতকারীদের অর্থ সুরক্ষিত থাকার কথাও বলেছিলেন। ব্যাঙ্কটির লাইসেন্স পাওয়ার সময় নিয়েও বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ২০২৩ সালে পেনা প্রেসিডেন্ট হওয়ার কিছুদিন পর উয়েনো ব্যাঙ্কিং লাইসেন্স পায়। সেই অনুমোদন দিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কের প্রধান কার্লোস কারভালো (Carlos Carvallo)। অতীতে তিনি ভাজকেজের হয়ে কাজ করেছিলেন ও যে প্রতিষ্ঠানটি পরবর্তী সময়ে উয়েনো ব্যাঙ্কে পরিণত হয়, তার নেতৃত্বেও ছিলেন। ব্যাঙ্ক বন্ধের সিদ্ধান্তের পর কারভালোকেও পদ ছাড়তে হয়েছে। ফলে নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদন প্রক্রিয়া এবং সরকারি সিদ্ধান্তের নিরপেক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
সরকারী আমানতের পরিমাণ বৃদ্ধির হিসাবও বিতর্ককে আরও গভীর করেছে। ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে উয়েনোতে সরকারী অর্থের পরিমাণ ছিল ১০০ মিলিয়ন ডলারের কম। কিন্তু গত সেপ্টেম্বরের শেষে প্যারাগুয়ের ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থায় জমা থাকা মোট সরকারি অর্থের প্রায় ২০ শতাংশই ওই ব্যাঙ্কে রাখা হয়েছিল। এর মধ্যে সামাজিক সুরক্ষা সংস্থার কয়েকশো মিলিয়ন ডলারও ছিল। ফলে ব্যাঙ্ক বন্ধ হওয়ার পর সাধারণ আমানতকারীদের পাশাপাশি সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পের অর্থ ব্যবস্থাপনা নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এদিকে, উয়েনোর পতনের অভিঘাত পৌঁছেছে প্যারাগুয়ের জাতীয় ফুটবল দলেও। ব্যাঙ্কটি শুধু দলের স্পনসর ছিল না, খেলোয়াড়দের জন্য পৃথক অ্যাকাউন্টের ব্যবস্থাও করেছিল। ফলে কয়েকজন ফুটবলারও নিজেদের সঞ্চিত অর্থে প্রবেশ করতে পারছেন না। দলের অধিনায়ক গুসতাভো গোমেজ (Gustavo Gómez), যিনি ব্রাজিলের পালমেইরাস (Palmeiras) ক্লাবেরও অধিনায়ক, সামাজিক মাধ্যমে খেলোয়াড়দের অবস্থান তুলে ধরেছেন। তাঁদের বক্তব্য, ‘আমরাও এই পরিস্থিতির শিকার। বহু সাধারণ পরিবারের মতো আমাদের সঞ্চয়ও সেখানে আটকে রয়েছে। সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাওয়া উচিত সেই পরিশ্রমী মানুষদের, যাঁরা জীবনের সমস্ত সঞ্চয় ব্যাঙ্কে রেখেছিলেন।’
এদিকে ভাজকেজের বিরুদ্ধে ঠিক কী অভিযোগ আনা হয়েছে, তা নিয়ে তাঁর আইনজীবী ভিক্টর দান্তে গুলিনো (Víctor Dante Gulino) বিস্তারিত কিছু জানাননি। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে তিনি জানিয়েছেন, তাঁর মক্কেলের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পর্কে তিনি এখনও পর্যাপ্ত তথ্য পাননি। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম এবিসি (ABC) -এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, আপাতত বিচার-পূর্ব হেফাজতেই থাকতে হবে উয়েনোর প্রতিষ্ঠাতাকে।
একসময় আসুনসিওনে উয়েনোর সদর দফতর ছিল আধুনিক কর্পোরেট সংস্কৃতির প্রতীক। কাচের দেওয়াল, কাঠের সাজসজ্জা, ঝুলন্ত গাছ, স্থানীয় শিল্পকর্ম এবং বৈঠকের ঘরে দাবার বোর্ড—সব মিলিয়ে অফিসটির নাম দেওয়া হয়েছিল ‘দ্য ম্যাট্রিক্স’। বিলাসবহুল জীবনযাপন, স্পোর্টস কার সংগ্রহ এবং আয়রনম্যান প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের জন্যও পরিচিত ছিলেন ভাজকেজ। ব্যবসার গতির সঙ্গে গাড়ি রেসিংয়ের তুলনা করে একসময় তিনি বলেছিলেন, ‘আমি গতি ভালোবাসি, রেসিং ভালবাসি।’ কিন্তু দ্রুত উত্থানের সেই ব্যবসায়িক সাম্রাজ্য এখন গভীর সংকটে। একদিকে প্রতিষ্ঠাতা জেলবন্দি, অন্যদিকে ব্যাঙ্কের দরজা বন্ধ, লক্ষ লক্ষ গ্রাহকের অর্থ আটকে ও প্রেসিডেন্টের পদত্যাগে রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এখন প্যারাগুয়ের কাছে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ আমানতকারীদের অর্থ ফেরানো, আর্থিক ব্যবস্থার উপর মানুষের আস্থা পুনরুদ্ধার এবং এই বিপর্যয়ের পিছনে থাকা দায় ও সিদ্ধান্তগুলির যথাযথ তদন্ত নিশ্চিত করা।
ছবি: সংগৃহীত
আরও পড়ুন : Bankura Kalisen Station News | ১৫ বছরেও বাড়েনি ট্রেনের স্টপেজ! বাঁকুড়ার কালিসেন স্টেশন ঘিরে ক্ষোভ, আন্দোলনের ডাক ৪০ গ্রামের মানুষের



