নির্বাচনী প্রচারের শেষ দিনে ঝড় রাজনৈতিক রাজ্যের দলগুলির, অন্য ছবি সাগরদীঘিতে
সাশ্রয় নিউজ ★ কলকাতা : ত্রিস্তর পঞ্চায়েত নির্বাচন ২০২৩-এর নির্বাচনী প্রচারের বৃহস্পতিবার ছিল শেষ দিন। এদিন বাম-কংগ্রেস, বিজেপি, তৃণমূল কংগ্রেস, আমরা বাঙালি প্রভৃতি রাজনৈতিক দলগুলি তাঁদের নির্বাচনী কর্মসূচি শেষ করেন। নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী বিকেল পাঁচটায় শেষ হয় রাজনৈতিক দলগুলির প্রচার।
নন্দীগ্রামে প্রচারের শেষ দিনে ছিলেন বিধানসভার বিরোধী দল নেতা শুভেন্দু অধিকারী, তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ, ও সিপিআই(এম) নেতৃত্ব। শুভেন্দুর গাড়ি কুণালের সভাস্থলের কাছাকাছি জায়গা দিয়ে যাওয়ার সময় শ্লোগান মাইকে তৃণমূল কর্মীরা চোর চোর স্লোগান বলে উল্লেখ। এদিন তাঁদের প্রার্থীদের নিয়ে বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রচার সারেন সিপিআই (এম) কর্মী ও নেতারা।

প্রচারের শেষ দিনে সব জায়গায় যখন এক দলের সঙ্গে আরেক দলের কর্মীদের রেষারেষি, তখন সম্প্রতি সাগরদিঘী বিধানসভা উপ-নির্বাচনে উঠে আসা সাগরদিঘী কেন্দ্রে দেখা যায় ভিন্ন ছবি। ঠাঁ ঠাঁ রোদ্দুরের ভেতর ক্লান্ত দুপুরে আমরা বাঙালি, কংগ্রেস, ও ইনসাফ-এর নেতা কর্মীদের নির্বাচনী দ্বন্দ্ব ভুলে দেখা গেল হাসি ঠাট্টা ও গল্পে মেতে উঠতে। ওই আসন সাগরদীঘির একটি গ্রাম সভার আসন থেকে লড়ছেন কংগ্রেসের শকুন্তলা দাস। সাগরদীঘির পঞ্চায়েত সমিতির একটি আসনে আমরা বাঙালি প্রার্থী ড. ধনঞ্জয় চ্যাটার্জি লড়ছেন ইনসাফ নামে একটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জোট করে। এদিন সাগরদীঘি বাসস্ট্যান্ড, স্টেশন চত্বর, শিব মন্দির চত্বর প্রভৃতি জায়গায় প্রচার করেন আমরা বাঙালির নেতৃত্ব। জেলা সচিব স্বপন কুমার মণ্ডল বলেন, “শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের জন্য আমরা যে যা দলই করি না কেন বন্ধুত্ব বজায় রাখতে হবে। ভোট তো দেবেন মানুষ।” কংগ্রেসের গ্রামসভার প্রার্থী শকুন্তলা দাসের কণ্ঠে শোনা গেল আত্মপ্রত্যয়ের সুর, “মানুষ কংগ্রেসকে জেতাবেন। মানুষের ভোটে নির্বাচনে জিতব।”




