West Bengal Assembly Election 2026 | ২০২৬ পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন – ভোট পর্ব ৬

SHARE:

২০২৬ পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন 

স্থানীয় সূত্র মারফত জানা যায়, মৃত তামান্নার পরিবার বামপন্থী সমর্থক ছিলেন। শুধুমাত্র এই পরিবারের উপর নয় আশেপাশের অনেক পরিবারেরই বামপন্থী সমর্থক হবার জন্য শাসক তৃণমূল কংগ্রেসের দুষ্কৃতীরা বিজয় উল্লাসের নামে ব্যাপক বোমাবাজি করে আর তাতেই ছিন্নভিন্ন হয়ে যায় এই ছোট্ট শিশুটির দেহ। এইভাবে একটি নিষ্পাপ শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যুকে কেন্দ্র করে নেমে আসে শোকের ছায়া আর যা রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র আলোড়ন সৃষ্টি করে। লিখেছেন : অগ্নি প্রতাপ 

৬.

এপ্রিল ২০২৫ সালে ওয়াকফ সংশোধনী আইন যা পশ্চিমবঙ্গে মুর্শিদাবাদে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বিক্ষোভ প্রদর্শনকে কেন্দ্র করে উত্তাল পরিস্থিতি সৃষ্টি করে। উক্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করে মুর্শিদাবাদ জেলায় সুতি, সামশেরগঞ্জ ও ধুলিয়ান মূলত তিন জায়গায় ভয়ানক উত্তাল পরিস্থিতিতে বহু মানুষ আহত হয়েছেন, নিহত ৩ জন বলে সূত্রের খবর। বহু সাধারণ হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ ভয়ে আতঙ্কে তাদের ভিটে মাটি ছেড়ে প্রাণ বাঁচাতে সমস্ত কিছু ফেলে রেখে পার্শ্ববর্তী জেলা মালদা সহ বিভিন্ন জায়গায় আশ্রয় নেয় বলে উল্লেখ। কার্যত  যারা থেকে যান আতঙ্কে দিন কাটাতে থাকেন। ভাঙচুর থেকে অগ্নি সংযোগের জেরে এতটাই অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে পুলিশ বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষের জেরে ইন্টারনেট পরিষেবা পর্যন্ত বন্ধ রাখতে হয়। জ্বালিয়ে দেওয়া হয় পুলিশ ভ্যান। পুলিশকে লক্ষ্য করে চলতে থাকে ইট, পাথর। বিক্ষোভ চলাকালীন পুলিশের গুলিতে একজনের মৃত্যু হয় বলে উল্লেখ। বহু ওয়াকফ সম্পত্তি মুর্শিদাবাদ জেলায় দখল হয়ে রয়েছে যা এই ওয়াকফ সংশোধনী আইনের ফলে সম্পত্তি উদ্ধার করার আতঙ্ক থেকে এই বিক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে বলে আন্দোলনকারীদের দাবী। ধুলিয়ান জাফরাবাদের উন্মত্ত বিক্ষোভের মুখে নৃশংস খুন হতে হয় দাস পরিবারের বাবা ও ছেলেকে। হরগোবিন্দ দাস ও ছেলে চন্দন দাস। ১২ এপ্রিল ২০২৫ হঠাৎ আচমকাই সকালবেলায় এই দাস পরিবারের সকলের উপস্থিতিতে দুষ্কৃতীরা চড়াও হয়। পরিবারে মহিলা থেকে শিশুরাও আতঙ্কে আর্তনাদ করতে থাকে। ততক্ষণে দুষ্কৃতীরা অস্ত্রের আঘাতে দরজা ভেঙে ভিতরে ঢুকে সমস্ত কিছু লুটপাট করে হরগোবিন্দ দাস এবং ছেলে চন্দন দাসকে টানতে টানতে নিয়ে যায় রাস্তায়,আর সেখানে প্রথমে ধারাল অস্ত্রের দিয়ে কোপানো হয় এবং মৃত্যু নিশ্চিত করতে থান ইট দিয়ে থেঁতলে মারা হয় বলে উল্লেখ। এই ঘটনায় জাতীয় মানবাধিকার কমিশন সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে মুর্শিদাবাদ পৌঁছয়। এবং একটি বিশেষ টিম বানিয়ে পুলিশের তদন্ত রিপোর্ট জাতীয় মানবাধিকার কমিশনে পেশ করতে বলা হয়। এই হত্যাকাণ্ড ঘটার তিনদিন পর দু’জন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

আরও পড়ুন : West Bengal Assembly Election 2026 | ২০২৬ পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন – ভোট পর্ব ৪

ওই ঘটনায় রাজ্য বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ও সুকান্ত মজুমদার মুখ্যমন্ত্রী এবং পুলিশ মন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় -এর পদত্যাগ দাবী করেন। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী সরাসরি শাসক তৃণমূল কংগ্রেসের নেতৃত্বের উপস্থিতিতে এবং উস্কানিতে এই তান্ডবলীলা চালানো হয় বলে অভিযোগ করেন। পরবর্তীকালে বিভিন্ন মিডিয়াতে এবং সিসিটিভি ফুটেজে বেশ কিছু ফুটেজ ধরা পড়ে। যা মুখ্যমন্ত্রী মমতা ববন্দ্যোপাধ্যায় -এর তোষণ রাজনীতির ফল বলে উল্লেখ। রাজ্য পুলিশ পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে, এই অভিযোগে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী উচ্চ আদালতে শরণাপন্ন হন এবং উচ্চ আদালতের নির্দেশে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ দেওয়া হয়। সাথে সাথে উচ্চ আদালত রাজ্যের অন্য কোথাও যদি কোনও অশান্তি হয় সেখানেও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা আর কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সম্পূর্ণভাবে রাজ্যকে সহযোগিতা করার আদেশ জারি করেন। পরবর্তী ধাপে ব্যাপক হিংসা, অগ্নি সংযোগ, ভাঙচুর, লুটপাট থেকে শুরু করে হত্যাকাণ্ড তদন্ত ভার জাতীয় তদন্ত সংস্থা (NIA) গ্রহণ করে।

এই অশান্তির পিছনে নিছক কোনও আতঙ্ক থেকে বিক্ষোভ নাকি একটি সুনির্দিষ্ট এবং সুপরিকল্পিত কোন ষড়যন্ত্র? জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা দ্রুততার সাথে তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যেতে থাকে। বারংবার এই মুর্শিদাবাদ জেলা উত্তাল হয়ে উঠছে কখনও সিএএ বিরোধী আন্দোলন ট্রেনে, বাসে ভাঙচুর থেকে পাথর বৃষ্টি, সঙ্গে অগ্নি সংযোগ, জাতীয় সড়ক বন্ধ করে অরাজকতা সৃষ্টি! ২০২৪ লোকসভা ভোটের সময় হিন্দু সম্প্রদায় মানুষকে কেটে ভাগীরথীতে ভাসিয়ে দেওয়া উক্তি যেখানে সরাসরি শাসকের যোগ ও উস্কানি নিয়ে বিরোধী দলের তীব্র প্রতিবাদ। যা নিয়ে সাধারণ মানুষ পর্যন্ত আতঙ্কিত হন।

নবাবের জেলা মুর্শিদাবাদ রেস কাটিয়ে ওঠার আগেই ভীষণ মর্মান্তিক এবং প্রাণঘাতী ঘটনা ঘটে নবাবের পাশের জেলা অর্থাৎ নদীয়া জেলা কালিগঞ্জ উপনির্বাচনের ফল প্রকাশের দিন। অর্থাৎ ২৩ জুন ২০২৫ শাসক তৃণমূল কংগ্রেসের বিজয় উল্লাস থেকে আসা বোমার আঘাতে মাত্র ৯ বছরের বাচ্চা মেয়ে তামান্না খাতুনের মৃত্যু হয়। মৃত তামান্না খাতুনের মা সাবিনা ইয়াসমিন অভিযোগ করেন যে, ২৪ জনের বিরুদ্ধে এফ আই আর করার পর পুলিশ প্রশাসন মাত্র ১০ জনার বিরুদ্ধে কোর্টে চার্জশিট জমা করেছেন। পুলিশ প্রশাসনের তরফ থেকে জানানো হয় বাকি ১৪ জনার বিরুদ্ধে তথ্য প্রমাণ সংগ্রহ করার কাজ চলছে বাকিদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অভিযুক্তদের বাড়ি থেকে সকেট বোমা এবং বোমা তৈরি সরঞ্জাম উদ্ধার হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। মৃত্যুর ৮৩ দিনের মাথায় আনোয়ার শেখ ও গয়াল শেখ সমেত ১০ জনের বিরুদ্ধে ৩৪০ পাতার চার্জ শিট পেশ করে পরবর্তীকালে সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট পেশ করা হবে বলে পুলিশ প্রশাসনের তরফ থেকে কোর্টকে জানানো হয়।

দিনের পর দিন দুষ্কৃতীদের দ্বারা হুমকির পর হুমকি আসার ফলে সাবিনা বিবি মানসিক চাপ সহ্য করতে না পেরে আত্মঘাতী হবার চেষ্টা করেন। প্রথমে স্থানীয় স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হলে স্বাস্থ্য অবনতি হবার ফলে শক্তিনগর হসপিটালে ভর্তি করা হয় এবং চিকিৎসায় সাড়া দিয়ে শারীরিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল হয়। পরিবারের তরফ থেকে অভিযোগ করা হয়, বাকিরা ধরা না পড়ায় তাদের ওপর এই নির্মম মানসিক অত্যাচার চালাচ্ছে। স্থানীয় সূত্র মারফত জানা যায়, মৃত তামান্নার পরিবার বামপন্থী সমর্থক ছিলেন। শুধুমাত্র এই পরিবারের উপর নয় আশেপাশের অনেক পরিবারেরই বামপন্থী সমর্থক হবার জন্য শাসক তৃণমূল কংগ্রেসের দুষ্কৃতীরা বিজয় উল্লাসের নামে ব্যাপক বোমাবাজি করে আর তাতেই ছিন্নভিন্ন হয়ে যায় এই ছোট্ট শিশুটির দেহ। এইভাবে একটি নিষ্পাপ শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যুকে কেন্দ্র করে নেমে আসে শোকের ছায়া আর যা রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র আলোড়ন সৃষ্টি করে।

২৫ জুন ২০২৫ শাসক তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষে আবার একটা অভিশপ্ত তারিখ। দক্ষিণ কলকাতা ল কলেজে আবার শাসক তৃণমূল কংগ্রেসের টি এম সি পি প্রভাবশালী নেতা মনোজিৎ মিশ্র প্রাক্তন ছাত্র এবং বর্তমান চুক্তিভিত্তিক কর্মী প্রধান অভিযুক্ত সহ ৪ জনকে এক ২৪ বছর বয়সী ল কলেজের ছাত্রীকে গণধর্ষণের মামলায় পুলিশ গ্রেপ্তার করেন। অভিযোগ মনোজিৎ মিশ্র সহ চারজন গণধর্ষণ করে ভিডিও রেকর্ড, হকি স্টিক দিয়ে মাথায় আঘাত, মুখ খুললে প্রেমিককে হত্যা, মা-বাবাকে গ্রেপ্তারের হুমকি। পুলিশ সূত্রে আরও খবর, পাঁচটি মামলা নথিভুক্ত রয়েছে, যথাক্রমে যৌন নিপীড়ন, শীলতাহানি, হত্যার চেষ্টা, ভাঙচুর হুমকি, জোরপূর্বক চাঁদা আদায়! ২০১৩ সালে এক মহিলাকে ছুরিকাঘাতে মারার মধ্য দিয়ে প্রথম অপরাধ জগতে পা রাখা এবং সেখান থেকে এফ আই আর হবার ফলে তিন বছর তিনি নিখোঁজ থেকে ২০১৭ সালে কলেজ ক্যাম্পাসে ফিরে ব্যাপক ভাংচুরের ঘটনায় অভিযুক্ত হন। পুনরায় ২০২২ সালে প্রথম বর্ষের এক ছাত্রী স্থানীয় থানায় যৌন হেনস্তা, হুমকি অভিযোগ করেও কোনও ফল পাওয়া যায়নি। শাসক তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক অশোক দেব -এর সুপারিশে অস্থায়ী কর্মী হিসেবে কলেজে যোগ দেন। পাশাপাশি ছাত্র ইউনিয়নের মাথা হিসেবে চালিয়ে যেতে থাকেন। এত কিছু হবার পরও পুলিশ কোনওদিন শাসক তৃণমূল কংগ্রেস আশ্রিত মনোজিৎ মিশ্রের বিরুদ্ধে আইনি কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারেনি যা নিয়ে ছাত্রছাত্রী থেকে অভিভাবক সর্বদা আতঙ্কে থাকতেন। আসলে মনোজিৎ মিশ্র এবং তার সঙ্গী-সাথীদের মূলত কাজই ছিল মেয়েদের ভিডিও রেকর্ড থেকে শুরু করে ছবি বিকৃত করে ছড়িয়ে দিয়ে ব্ল্যাকমেলিং করে যৌন নিপীড়ন এবং জোরপূর্বক মোটা অংকের চাঁদা বা অর্থ সংগ্রহ। কোনও কারণবশত রাজি না হলে সরাসরি হুমকি দিয়ে সেই সব বিকৃত ছবি ছড়িয়ে দেওয়া হবে বলে হুমকিও দিত বলে উল্লেখ। সাধারণ মানুষ জানতে চায়, কীভাবে এতগুলো অপরাধ সংগঠিত করার পরও তার বিরুদ্ধে কোনও পুলিশ প্রশাসন কেন এতদিনে কোনও ব্যবস্থা নিতে পারল না? শুধুমাত্র শাসক আশ্রিত হওয়ার দরুন এত ফৌজদারি মামলা থাকা সত্ত্বেও কলেজে অস্থায়ী কর্মী কীভাবে? এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভারতীয় জনতা পার্টি শাসক তৃণমূল কংগ্রেস ও পুলিশ প্রশাসনের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলেন এত রেকর্ড থাকা সত্ত্বেও কখনও শাস্তি দেওয়া হয়নি কেন? কেন কী উদ্দেশ্য একটি দানবকে লালন পালন করা? ভারতীয় জনতা পার্টি সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করে, “একজন ধর্ষক একজন হিংস্র অপরাধী। একজন রাজনৈতিক ঘুঁটি মনোজিৎ মিশ্র এমন কেউই নন।”

৩ এপ্রিল ২০২৫ শীর্ষ আদালত ২০১৪ সালের টেট পরীক্ষা ২০১৬ সালের নিয়োগের পুরো প্যানেল বাতিলের নির্দেশ দিয়ে আগের রায়কেই বহাল রাখে। শীর্ষ আদালতের প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খান্না এবং বিচারপতি সঞ্জয় কুমারের বেঞ্চ ২০১৬ সালের নিয়োগ প্রক্রিয়া পুরো প্যানেল বাতিল করেন। সঠিক তথ্য না থাকার ফলে যোগ্য এবং অযোগ্যদের পৃথকীকরণ করা কোনওমতেই সম্ভবপর হয়নি বলে উল্লেখ। তার সঙ্গে দাগি বা চিহ্নিত অযোগ্যদের সুদ সমেত বেতন ফেরৎ এবং নতুন করে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করার জন্য এসএসসিকে নির্দেশ দেন। এই রায়ের একমাস পর রাজ্য সরকার এবং এসএসসি ও চাকরিহারা একটা অংশ শীর্ষ আদালতে রিভিউ পিটিশন দাখিল করেন। শীর্ষ আদালতের পর্যবেক্ষণ, নিয়োগের প্রকৃত ওএমআর শিট মিলছে না। দুর্নীতি যে হয়েছে তা বাগ কমিটি ও সিবিআই তদন্তে স্পষ্ট উল্লেখ রয়েছে। ৫ আগস্ট শীর্ষ আদালতে বিচারপতি সঞ্জয় কুমার এবং বিচারপতি সতীশ চন্দ্র শর্মার বেঞ্চ পুনঃ বিবেচনার আরজি খারিজ করে দেন। এর সঙ্গে সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী দেওয়া প্ল্যান এ.বি.সি. কার্যত বিফল হয়ে যায়। এই ২৬ হাজার চাকরি বাতিল হওয়ায় সারা রাজ্যে কার্যত পরিস্থিতি থমথমে হয়ে যায়। একদিকে চাকরি প্রার্থীরা রাস্তায় বসে, এমত অবস্থায় ২৬ হাজার চাকরি বাতিল যা নিয়ে সারা রাজ্যে সাধারণ মানুষ থেকে বিরোধীদল কটাক্ষ এবং এত বড় একটা দুর্নীতি যা শীর্ষ আদালত অবশেষে সীলমোহর দেওয়ায় শাসক তৃণমূল কংগ্রেসের ওপর স্নায়ুর চাপ বাড়াতে থাকে। অবশেষে ৪ নভেম্বর ২০২৫ বহু টানা বিতর্কের মধ্যে ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে শুরু হয় বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR)। 🍁 (চলবে)

ছবি: প্রতীকী 

আরও পড়ুন : West Bengal Assembly Election 2026 | পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচন – ভোট পর্ব ১

Sasraya News
Author: Sasraya News

আরো পড়ুন