Justice Abhijit Gangopadhyay : “আমাদের ভগবান অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়” : চাকরিপ্রার্থীরা
সাশ্রয় নিউজ ★ কলকাতা : নিয়োগ দুর্নীতি মামলা জাস্টিস অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়-এর এজলাস থেকে সরিয়ে দেওয়ার যে খবর চাওড় হয়েছে, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে বিশেষ প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়।

সূত্রের খবর, আজ সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় নির্দেশ দেন নিয়োগ সংক্রান্ত সমস্ত মামলা জাস্টিস অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়-এর এজলাস থেকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য। এর পরিপ্রেক্ষিতে রাজ্যের রাজনৈতিক, শিক্ষিত, চাকরি প্রার্থীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। যদিও আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য-এর বক্তব্য, যে প্রসেডিংটা সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিল, সেই প্রসেডিংটাকেই রিঅ্যাসাইন করা হয়েছে। আমি যতটা বুঝেছি তাতে সব মামলা সরিয়ে দেওয়া হয়েছে তা নয়।” কংগ্রেস সাংসদ তথা প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী-এর এ বিষয়ে বক্তব্য, সুপ্রিম কোর্ট কোথাও বলেনি, যে নিয়োগ দুর্নীতির যে তদন্ত চলছে, সেটা ভুল। কতগুলো পদ্ধতিগত প্রশ্নে সুপ্রিম কোর্টের মনে হয়েছে, হাইকোর্টের বিচারপতির এহেন মন্তব্য করা উচিত হয়নি। সেটা প্রসেডিওরের প্রশ্ন। অন্য ব্যাপার। কেউ অস্বীকার করতে পারব না, বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ই প্রমাণ করে দিয়েছেন, বিচারপতিদের কলমের শক্তি কতটা।” তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, সুপ্রিম কোর্টের রায়কে স্বাগত জানিয়ে বলেন, ‘আমি এই রায়কে স্বাগত জানাচ্ছি। তবে যেহেতু এটা বিচারাধীন বিষয়, তাই নিয়ে কোনও মন্তব্য করব না।’ অন্যদিকে ইতিমধ্যে ধর্মতলা চত্বরে চাকরি প্রার্থীরা শীর্ষ আদালত এই নির্দেশ দেওয়ার পরে আন্দোলন আরও জোরদার করেন। শ্লোগান দেন। এই দিনটিকে তাঁরা কালো দিন হিসেবে আখ্যায়িত করেন। তাঁদের কথায়, “আমরা যুব সমাজ অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের পাশে আছে। কাল থেকে আমরা রাস্তায় নামব। আমাদের ভগবান অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। তাঁকে ফিরিয়ে আনতেই হবে। আমরা কোনও কথা শুনব না। রাঘব বোয়ালের পেটে লাথি পড়েছে বলে ওনাকে ষড়যন্ত্র করে সরানো হচ্ছে। এটা কালো দিন।”
-ফাইল চিত্র




