সাশ্রয় নিউজ ডেস্ক ★ নতুন দিল্লি : রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই চড়ছে সংসদের অন্দরে। কংগ্রেসের একটি সাম্প্রতিক সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে (Narendra Modi) লক্ষ্য করে ওঠা স্লোগান ঘিরে সোমবার রাজ্যসভায় সরব হলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জে পি নাড্ডা (JP Nadda)। কংগ্রেসের মানসিকতা ও রাজনৈতিক সংস্কৃতি নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি সোনিয়া গান্ধী -এর (Sonia Gandhi) প্রকাশ্য ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানান। সংসদের উচ্চ কক্ষে দাঁড়িয়ে নাড্ডার এই মন্তব্যে নতুন করে তীব্র রাজনৈতিক বিতর্কের সূত্রপাত হয়েছে।
আরও পড়ুন : PM Narendra Modi and PM Benjamin Netanyahu discuss strategic partnership | ভারত-ইসরায়েল কূটনীতিতে নতুন গতি: নরেন্দ্র মোদী–নেতানিয়াহুর আলোচনায় জোর সন্ত্রাসবিরোধী সহযোগিতা ও শান্তিপ্রক্রিয়ায় সমর্থন
রাজ্যসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে জে পি নাড্ডা বলেন, কংগ্রেসের সমাবেশে প্রধানমন্ত্রীকে লক্ষ্য করে যে ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে, তা অত্যন্ত নিন্দনীয়। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, ‘গতকাল কংগ্রেসের এক সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বিরুদ্ধে স্লোগান তোলা হয়েছে। এতে কংগ্রেস দলের চিন্তাধারা ও মানসিকতা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে। দেশের নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী সম্পর্কে এই ধরনের মন্তব্য বা স্লোগান কোনও ভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।’ নাড্ডা আরও বলেন, এই ঘটনা শুধু একটি রাজনৈতিক বিরোধ নয়, বরং সাংবিধানিক পদে থাকা একজন ব্যক্তির মর্যাদাকে আঘাত করার শামিল।কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর দাবি, গণতন্ত্রে সমালোচনার অধিকার থাকলেও, সেই সমালোচনার একটি সীমা থাকা প্রয়োজন। তাঁর কথায়, ‘প্রধানমন্ত্রী কোনও ব্যক্তিগত পদ নয়, তিনি দেশের জনগণের প্রতিনিধি। তাঁর বিরুদ্ধে এই ধরনের স্লোগান গোটা দেশের অপমান।’ এই মন্তব্যের মধ্য দিয়ে কংগ্রেসকে নিশানা করে বিজেপি যে আক্রমণাত্মক কৌশল নিয়েছে, তা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। জে পি নাড্ডা এখানেই থেমে থাকেননি। কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্বের দিকেও আঙুল তোলেন তিনি। তাঁর মতে, এই ঘটনার দায় এড়িয়ে যেতে পারেন না কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধী। রাজ্যসভায় দাঁড়িয়ে নাড্ডা বলেন, ‘এই ঘটনার জন্য সোনিয়া গান্ধীর উচিত দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চাওয়া। কারণ, কংগ্রেসের প্রতিটি কর্মকাণ্ডে তাঁর সম্মতি ও নেতৃত্বের ছাপ থাকে।’ এই বক্তব্য ঘিরেই সংসদের অন্দরে শোরগোল শুরু হয়।
বিরোধী শিবিরের একাংশ নাড্ডার মন্তব্যের প্রতিবাদ জানালেও, বিজেপি সাংসদরা তাঁর বক্তব্যকে সমর্থন করেন। বিজেপির মতে, কংগ্রেস দীর্ঘদিন ধরেই রাজনৈতিক শালীনতার সীমা লঙ্ঘন করে চলেছে। দলটির অভিযোগ, ক্ষমতায় না থাকলে কংগ্রেস বারবার এমন ভাষা ও আচরণে অভ্যস্ত হয়ে পড়ছে, যা গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের পরিপন্থী।কংগ্রেসের ওই সমাবেশে ঠিক কী ধরনের স্লোগান উঠেছিল, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে। বিজেপির পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে, প্রধানমন্ত্রীকে ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করতেই ওই স্লোগান তোলা হয়। যদিও কংগ্রেসের তরফে এখনও পর্যন্ত এই বিষয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক ক্ষমা প্রার্থনা করা হয়নি। দলের একাংশের বক্তব্য, বিজেপি বিষয়টিকে রাজনৈতিক ফায়দা তুলতেই অতিরঞ্জিত করছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, লোকসভা নির্বাচনের আগে এই ধরনের ইস্যু আরও ঘন ঘন সামনে আসবে। বিজেপি নেতৃত্ব চাইছে, প্রধানমন্ত্রীকে কেন্দ্র করে সহানুভূতির আবহ তৈরি করতে। অন্যদিকে, কংগ্রেসও সরকারবিরোধী আন্দোলন জোরদার করতে চাইছে। এই দুই মেরুর সংঘাতে সংসদের অন্দরে উত্তেজনা বৃদ্ধি পাওয়া স্বাভাবিক বলেই মনে করছেন তাঁরা।উল্লেখযোগ্যভাবে, সংসদের ভিতরে রাজনৈতিক শালীনতা ও ভাষার মান নিয়ে আগেও একাধিকবার বিতর্ক হয়েছে। কখনও ব্যক্তিগত মন্তব্য, কখনও স্লোগান, এসব নিয়েই প্রশ্ন উঠেছে রাজনৈতিক সংস্কৃতি নিয়ে। জে পি নাড্ডার বক্তব্য সেই পুরনো বিতর্ককেই নতুন করে উসকে দিল।
রাজ্যসভায় এই বক্তব্যের পর কংগ্রেস সাংসদদের একাংশ ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তাঁদের দাবি, সরকারের ব্যর্থতা থেকে নজর ঘোরাতেই এই ধরনের ইস্যু তুলে ধরা হচ্ছে। তবে বিজেপি স্পষ্ট করেছে, তারা কোনওভাবেই প্রধানমন্ত্রী বা সাংবিধানিক পদে থাকা ব্যক্তিদের অবমাননা মেনে নেবে না। এই পরিস্থিতিতে সোনিয়া গান্ধী আদৌ কোনও প্রতিক্রিয়া জানান কি না, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহলের। ক্ষমা প্রার্থনার দাবি মেনে নেওয়া হবে, নাকি কংগ্রেস পাল্টা আক্রমণের পথে হাঁটবে, তা সময়ই বলবে। তবে এটুকু নিশ্চিত, জে পি নাড্ডার বক্তব্যের পর সংসদের রাজনীতি আরও উত্তপ্ত হতে চলেছে। উল্লেখ্য, কংগ্রেসের সমাবেশে ওঠা স্লোগানকে কেন্দ্র করে রাজ্যসভায় যে রাজনৈতিক ঝড় উঠেছে, তা আগামী দিনে আরও বড় আকার নিতে পারে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ঘিরে এই বিতর্ক শুধু সংসদের চার দেওয়ালের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, তা ছড়িয়ে পড়বে জাতীয় রাজনীতির বিস্তীর্ণ ময়দানে, এমনটাই মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।
ছবি : সংগৃহীত
আরও পড়ুন : Samik Bhattacharya | মন্দারমণির অবৈধ রিসোর্ট থেকে রাজবংশী-কামতাপুরি ভাষা স্বীকৃতি : রাজ্যসভায় দ্বিমুখী ইস্যুতে সরব শমীক ভট্টাচার্য
JP Nadda Congress Rally Comment | রাজ্যসভায় তীব্র আক্রমণ জে পি নাড্ডার, কংগ্রেসের স্লোগান নিয়ে মোদীকে অবমাননার অভিযোগ, সোনিয়া গান্ধীর ক্ষমা দাবি
Sasraya News
FOLLOW US:
SHARE:
সাশ্রয় নিউজ ডেস্ক ★ নতুন দিল্লি : রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই চড়ছে সংসদের অন্দরে। কংগ্রেসের একটি সাম্প্রতিক সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে (Narendra Modi) লক্ষ্য করে ওঠা স্লোগান ঘিরে সোমবার রাজ্যসভায় সরব হলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জে পি নাড্ডা (JP Nadda)। কংগ্রেসের মানসিকতা ও রাজনৈতিক সংস্কৃতি নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি সোনিয়া গান্ধী -এর (Sonia Gandhi) প্রকাশ্য ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানান। সংসদের উচ্চ কক্ষে দাঁড়িয়ে নাড্ডার এই মন্তব্যে নতুন করে তীব্র রাজনৈতিক বিতর্কের সূত্রপাত হয়েছে।
আরও পড়ুন : PM Narendra Modi and PM Benjamin Netanyahu discuss strategic partnership | ভারত-ইসরায়েল কূটনীতিতে নতুন গতি: নরেন্দ্র মোদী–নেতানিয়াহুর আলোচনায় জোর সন্ত্রাসবিরোধী সহযোগিতা ও শান্তিপ্রক্রিয়ায় সমর্থন
রাজ্যসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে জে পি নাড্ডা বলেন, কংগ্রেসের সমাবেশে প্রধানমন্ত্রীকে লক্ষ্য করে যে ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে, তা অত্যন্ত নিন্দনীয়। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, ‘গতকাল কংগ্রেসের এক সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বিরুদ্ধে স্লোগান তোলা হয়েছে। এতে কংগ্রেস দলের চিন্তাধারা ও মানসিকতা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে। দেশের নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী সম্পর্কে এই ধরনের মন্তব্য বা স্লোগান কোনও ভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।’ নাড্ডা আরও বলেন, এই ঘটনা শুধু একটি রাজনৈতিক বিরোধ নয়, বরং সাংবিধানিক পদে থাকা একজন ব্যক্তির মর্যাদাকে আঘাত করার শামিল।কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর দাবি, গণতন্ত্রে সমালোচনার অধিকার থাকলেও, সেই সমালোচনার একটি সীমা থাকা প্রয়োজন। তাঁর কথায়, ‘প্রধানমন্ত্রী কোনও ব্যক্তিগত পদ নয়, তিনি দেশের জনগণের প্রতিনিধি। তাঁর বিরুদ্ধে এই ধরনের স্লোগান গোটা দেশের অপমান।’ এই মন্তব্যের মধ্য দিয়ে কংগ্রেসকে নিশানা করে বিজেপি যে আক্রমণাত্মক কৌশল নিয়েছে, তা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। জে পি নাড্ডা এখানেই থেমে থাকেননি। কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্বের দিকেও আঙুল তোলেন তিনি। তাঁর মতে, এই ঘটনার দায় এড়িয়ে যেতে পারেন না কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধী। রাজ্যসভায় দাঁড়িয়ে নাড্ডা বলেন, ‘এই ঘটনার জন্য সোনিয়া গান্ধীর উচিত দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চাওয়া। কারণ, কংগ্রেসের প্রতিটি কর্মকাণ্ডে তাঁর সম্মতি ও নেতৃত্বের ছাপ থাকে।’ এই বক্তব্য ঘিরেই সংসদের অন্দরে শোরগোল শুরু হয়।
বিরোধী শিবিরের একাংশ নাড্ডার মন্তব্যের প্রতিবাদ জানালেও, বিজেপি সাংসদরা তাঁর বক্তব্যকে সমর্থন করেন। বিজেপির মতে, কংগ্রেস দীর্ঘদিন ধরেই রাজনৈতিক শালীনতার সীমা লঙ্ঘন করে চলেছে। দলটির অভিযোগ, ক্ষমতায় না থাকলে কংগ্রেস বারবার এমন ভাষা ও আচরণে অভ্যস্ত হয়ে পড়ছে, যা গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের পরিপন্থী।কংগ্রেসের ওই সমাবেশে ঠিক কী ধরনের স্লোগান উঠেছিল, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে। বিজেপির পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে, প্রধানমন্ত্রীকে ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করতেই ওই স্লোগান তোলা হয়। যদিও কংগ্রেসের তরফে এখনও পর্যন্ত এই বিষয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক ক্ষমা প্রার্থনা করা হয়নি। দলের একাংশের বক্তব্য, বিজেপি বিষয়টিকে রাজনৈতিক ফায়দা তুলতেই অতিরঞ্জিত করছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, লোকসভা নির্বাচনের আগে এই ধরনের ইস্যু আরও ঘন ঘন সামনে আসবে। বিজেপি নেতৃত্ব চাইছে, প্রধানমন্ত্রীকে কেন্দ্র করে সহানুভূতির আবহ তৈরি করতে। অন্যদিকে, কংগ্রেসও সরকারবিরোধী আন্দোলন জোরদার করতে চাইছে। এই দুই মেরুর সংঘাতে সংসদের অন্দরে উত্তেজনা বৃদ্ধি পাওয়া স্বাভাবিক বলেই মনে করছেন তাঁরা।উল্লেখযোগ্যভাবে, সংসদের ভিতরে রাজনৈতিক শালীনতা ও ভাষার মান নিয়ে আগেও একাধিকবার বিতর্ক হয়েছে। কখনও ব্যক্তিগত মন্তব্য, কখনও স্লোগান, এসব নিয়েই প্রশ্ন উঠেছে রাজনৈতিক সংস্কৃতি নিয়ে। জে পি নাড্ডার বক্তব্য সেই পুরনো বিতর্ককেই নতুন করে উসকে দিল।
রাজ্যসভায় এই বক্তব্যের পর কংগ্রেস সাংসদদের একাংশ ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তাঁদের দাবি, সরকারের ব্যর্থতা থেকে নজর ঘোরাতেই এই ধরনের ইস্যু তুলে ধরা হচ্ছে। তবে বিজেপি স্পষ্ট করেছে, তারা কোনওভাবেই প্রধানমন্ত্রী বা সাংবিধানিক পদে থাকা ব্যক্তিদের অবমাননা মেনে নেবে না। এই পরিস্থিতিতে সোনিয়া গান্ধী আদৌ কোনও প্রতিক্রিয়া জানান কি না, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহলের। ক্ষমা প্রার্থনার দাবি মেনে নেওয়া হবে, নাকি কংগ্রেস পাল্টা আক্রমণের পথে হাঁটবে, তা সময়ই বলবে। তবে এটুকু নিশ্চিত, জে পি নাড্ডার বক্তব্যের পর সংসদের রাজনীতি আরও উত্তপ্ত হতে চলেছে। উল্লেখ্য, কংগ্রেসের সমাবেশে ওঠা স্লোগানকে কেন্দ্র করে রাজ্যসভায় যে রাজনৈতিক ঝড় উঠেছে, তা আগামী দিনে আরও বড় আকার নিতে পারে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ঘিরে এই বিতর্ক শুধু সংসদের চার দেওয়ালের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, তা ছড়িয়ে পড়বে জাতীয় রাজনীতির বিস্তীর্ণ ময়দানে, এমনটাই মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।
ছবি : সংগৃহীত
আরও পড়ুন : Samik Bhattacharya | মন্দারমণির অবৈধ রিসোর্ট থেকে রাজবংশী-কামতাপুরি ভাষা স্বীকৃতি : রাজ্যসভায় দ্বিমুখী ইস্যুতে সরব শমীক ভট্টাচার্য
Author: Sasraya News
Sonakshi Sinha controversy, Sonakshi marriage Zaheer Iqbal | দাবং থেকে বিতর্কের কেন্দ্র! ৩৯-এ পা সোনাক্ষী সিন্হার, ভিন্ধর্মে বিয়ে থেকে ‘রামায়ণ’ প্রসঙ্গ, আলোচনার ঝড় থামেনি
Rhea Chakraborty Aryan Khan | আরিয়ানকে নিয়ে মুখ খুললেন রিয়া, কেন পাশে দাঁড়িয়েছিলেন জানালেন অভিনেত্রী
Madhuri Dixit USA Experience, Celebrity Hidden Identity | অচেনা গাড়িতে সন্দেহ, পুলিশ ডাকতে উদ্যত প্রতিবেশীরা! শেষমেশ নিজের পরিচয় ফাঁস করতে বাধ্য হলেন মাধুরী দীক্ষিত
Mbappe goals, Haaland World Cup | এম্বাপে না হালান্ড? বিশ্বকাপে সোনার বুটের লড়াইয়ে এগিয়ে কে : নজরে ৫ স্ট্রাইকার
Adhir Chowdhury on TMC crisis | মমতাকে তীব্র কটাক্ষ করে তৃণমূল কর্মীদের কংগ্রেসে ডাক অধীর চৌধুরীর, বাংলার রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ