ISKCON Mayapur tourism development | মায়াপুরে ৮০০ একরের মহাপরিকল্পনা! ইসকন ঘিরে আন্তর্জাতিক তীর্থক্ষেত্র, বদলাবে রাস্তা-নিকাশি-পর্যটন পরিকাঠামো

SHARE:

নদীয়ার মায়াপুরকে (Mayapur) ঘিরে বড়সড় পরিকাঠামোগত পরিবর্তনের পরিকল্পনা নিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। ইসকন মায়াপুরকে (ISKCON Mayapur), কেন্দ্র করে প্রায় ৭০০ থেকে ৮০০ একর এলাকা নিয়ে একটি সামগ্রিক উন্নয়ন পরিকল্পনা তৈরির উদ্যোগ শুরু হয়েছে। লক্ষ্য, মায়াপুরকে আন্তর্জাতিক মানের তীর্থক্ষেত্র ও পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা ও দেশ-বিদেশ থেকে আসা পুণ্যার্থী ও পর্যটকদের জন্য উন্নত নাগরিক পরিষেবা তৈরি করা।

সাশ্রয় নিউজ ডেস্ক ★ কলকাতা: নদীয়ার মায়াপুরকে (Mayapur) ঘিরে বড়সড় পরিকাঠামোগত পরিবর্তনের পরিকল্পনা নিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। ইসকন মায়াপুরকে (ISKCON Mayapur), কেন্দ্র করে প্রায় ৭০০ থেকে ৮০০ একর এলাকা নিয়ে একটি সামগ্রিক উন্নয়ন পরিকল্পনা তৈরির উদ্যোগ শুরু হয়েছে। লক্ষ্য, মায়াপুরকে আন্তর্জাতিক মানের তীর্থক্ষেত্র ও পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা ও দেশ-বিদেশ থেকে আসা পুণ্যার্থী ও পর্যটকদের জন্য উন্নত নাগরিক পরিষেবা তৈরি করা। রাস্তা, নিকাশি, গণপরিবহণ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, আলোকসজ্জা থেকে শুরু করে পার্কিং ও নদীর ঘাট সহ একাধিক ক্ষেত্রে পরিবর্তনের পরিকল্পনা রয়েছে।

আরও পড়ুন : Shubman Gill 223, Rohit Sharma 101 | শুভমন গিলের ২২৩-এ মুগ্ধ রোহিত, ‘২০০ রান তো রোজ হয় না’, জয়ের কৃতিত্ব সতীর্থকে দিলেন গিল

সম্প্রতি রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল (Agnimitra Paul) মায়াপুরে গিয়ে ইসকন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে প্রশাসনিক বৈঠক করেন। বৈঠকে নবদ্বীপের বিধায়ক, নদিয়া জেলার জেলাশাসক ও অতিরিক্ত জেলাশাসক, কেএমডিএ -এর (KMDA) সিইও নিতিন সিংহানিয়া (Nitin Singhania), দফতরের আধিকারিক এবং ইসকনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। মায়াপুরের সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য কী ধরনের পরিকল্পনা নেওয়া যায়, কোথায় পরিকাঠামোগত ঘাটতি রয়েছে এবং কোন কোন ক্ষেত্রে দ্রুত কাজ প্রয়োজন তা নিয়ে আলোচনা হয় বলে সূত্রের খবর। রাজ্য সরকারের পরিকল্পনায় শুধু মন্দিরকেন্দ্রিক সৌন্দর্যায়ন নয়, গোটা এলাকার নাগরিক পরিষেবাকে একটি বৃহত্তর কাঠামোর মধ্যে আনার কথা বলা হয়েছে। মন্ত্রী জানিয়েছেন, জাতীয় স্তরে পরিচিত পরিকল্পনাবিদ ও স্থপতিদের সহযোগিতায় মায়াপুরের জন্য একটি সমন্বিত নকশা তৈরি করা হবে। সেই পরিকল্পনায় মায়াপুরের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্য বজায় রেখে আধুনিক পর্যটন পরিকাঠামো গড়ে তোলার দিকে গুরুত্ব দেওয়া হবে।

মায়াপুরের সঙ্গে শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর (Sri Chaitanya Mahaprabhu) নাম গভীর ভাবে যুক্ত। গৌড়ীয় বৈষ্ণব সম্প্রদায়ের কাছে এই অঞ্চল অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তীর্থস্থান। ইসকনের আন্তর্জাতিক কর্মকাণ্ডের কারণেও বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে ভক্ত ও পর্যটকের আনাগোনা রয়েছে। ফলে বছরে বিপুল সংখ্যক মানুষের সমাগম সামলাতে রাস্তা, যানবাহন চলাচল, পানীয় জল, শৌচাগার, পরিচ্ছন্নতা ও থাকার পরিকাঠামোর উপর চাপ তৈরি হয়। নতুন পরিকল্পনায় এই বিষয়গুলিকে একসঙ্গে বিবেচনা করার কথা রয়েছে। প্রস্তাবিত উন্নয়ন পরিকল্পনার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ রাস্তা ও যোগাযোগ ব্যবস্থা। মায়াপুরে পর্যটকের সংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যানজট ও যাতায়াতের সমস্যা দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনায় রয়েছে। কলকাতা থেকে মায়াপুরের সড়কপথে যাতায়াতের ক্ষেত্রে বিভিন্ন জায়গায় যানজট, রাস্তার সংকীর্ণতা ও নদী পারাপারের কারণে সময় বেড়ে যায়। এই পরিস্থিতিতে মায়াপুরের অভ্যন্তরীণ রাস্তা উন্নয়ন এবং যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি গণপরিবহণের পরিকাঠামো নিয়েও পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন : Suvendu Adhikari | Rejinagar By Election : রেজিনগর উপনির্বাচনের প্রচারে শুভেন্দুর নিশানায় হুমায়ুন, ‘বিচারের ভার গণদেবতার’

মায়াপুরের সঙ্গে কলকাতার জলপথে যোগাযোগ বাড়ানোর একটি পৃথক পরিকল্পনাও ইতিমধ্যে সামনে এসেছে। বাবুঘাট থেকে মায়াপুর পর্যন্ত হাইব্রিড বৈদ্যুতিক ফেরি পরিষেবা চালুর প্রস্তাব রয়েছে। এই জলপথে কলকাতা থেকে মায়াপুরের পাশাপাশি গঙ্গার তীরবর্তী একাধিক ধর্মীয় ও ঐতিহাসিক স্থানকে পর্যটনপথের সঙ্গে যুক্ত করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। প্রস্তাবিত জলপথে দক্ষিণেশ্বর, বেলুড়, খড়দহ, ব্যারাকপুর, শ্রীরামপুর, ত্রিবেণী, কালনা ও নবদ্বীপের মতো জায়গাও পর্যটন মানচিত্রে যুক্ত হতে পারে বলে সূত্রে উল্লেখ। নতুন উন্নয়ন পরিকল্পনায় নিকাশি ব্যবস্থার আধুনিকীকরণও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বর্ষার সময়ে জল জমা, অতিরিক্ত পর্যটকের চাপ সামলাতে কার্যকর নিকাশি পরিকাঠামো প্রয়োজন। একই সঙ্গে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রেও নতুন ব্যবস্থা তৈরির কথা ভাবা হচ্ছে। স্থানীয় এলাকায় সলিড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট এবং বর্জ্য ফেলার নির্দিষ্ট পরিকাঠামোর ঘাটতি দূর করার উপর গুরুত্ব দেওয়া হবে। তীর্থক্ষেত্রে প্রতিদিন বিপুল মানুষের যাতায়াত হওয়ায় পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার জন্য দীর্ঘমেয়াদি ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তাও আলোচনায় এসেছে।

পানীয় জল ও শৌচাগারের মতো মৌলিক নাগরিক পরিষেবাও পরিকল্পনার আওতায় রয়েছে। দেশ-বিদেশ থেকে আসা পর্যটকদের কথা মাথায় রেখে পর্যাপ্ত ও পরিচ্ছন্ন শৌচাগার, পানীয় জলের ব্যবস্থা, বিশ্রামের জায়গা তৈরির বিষয় বিবেচনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি যানবাহনের চাপ কমাতে পার্কিংয়ের জন্য উপযুক্ত জায়গা নির্ধারণের কথাও রয়েছে। পর্যটনকেন্দ্রের পরিধি বাড়লে স্থানীয় পরিষেবার উপর চাপ আরও বাড়তে পারে, তাই শুরু থেকেই পরিকাঠামোকে সেই অনুযায়ী তৈরি করার পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। এছাড়াও ভাগীরথীর (Bhagirathi) তীরও এই উন্নয়ন পরিকল্পনার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হতে পারে বলে উল্লেখ। নদীর ধারে নতুন ঘাট নির্মাণের বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। মায়াপুরের ধর্মীয় আবহের সঙ্গে নদী ও ঘাটের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। তাই নতুন ঘাট, নদীতীরের পরিকাঠামো, আলোকসজ্জা, পর্যটকদের চলাচলের ব্যবস্থা উন্নত করা হলে তীর্থযাত্রার পাশাপাশি পর্যটন কার্যক্রমও বাড়তে পারে।

মায়াপুরের উন্নয়নকে শুধু ইসকন মন্দির চত্বরের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার কথাও বলা হয়নি। মন্দির সংলগ্ন বিস্তীর্ণ এলাকা এবং পার্শ্ববর্তী জনবসতিকে যুক্ত করে একটি বৃহত্তর পরিকল্পনা তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে সংশ্লিষ্ট এলাকা পঞ্চায়েত দফতরের আওতায় থাকায় বিভিন্ন সরকারি সংস্থার মধ্যে সমন্বয় করে উন্নয়নকাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছে প্রশাসন। ফলে পুর ও নগরোন্নয়ন দফতরের পাশাপাশি পঞ্চায়েত প্রশাসন, কেএমডিএ এবং স্থানীয় প্রশাসনের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে। মায়াপুরের আন্তর্জাতিক পরিচিতির সঙ্গে ইসকনের বৈদিক প্ল্যানেটেরিয়াম প্রকল্পও জড়িত। টেম্পল অব দ্য বৈদিক প্ল্যানেটারিয়াম (Temple of the Vedic Planetarium) দীর্ঘদিন ধরে নির্মাণাধীন। প্রকল্পটি সম্পূর্ণ হলে মায়াপুরে আন্তর্জাতিক পর্যটকের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। ফলে ভবিষ্যতের পর্যটনচাপ মাথায় রেখে এখন থেকেই রাস্তা, পরিবহণ, থাকার ব্যবস্থা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা আর অন্যান্য নাগরিক পরিষেবার পরিকাঠামো তৈরি করার প্রয়োজন রয়েছে। মায়াপুরকে কেন্দ্র করে বৃহত্তর পর্যটন বলয় গড়ে তোলার ভাবনাও নতুন নয়। কয়েক বছর আগে ইসকনের তরফে মায়াপুর ও সংলগ্ন এলাকায় একটি আন্তর্জাতিক আধ্যাত্মিক ও পর্যটনকেন্দ্র গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথা সামনে এসেছিল। সেই প্রস্তাবের আওতায় প্রায় ৭৫০ একর জমি নিয়ে একটি হেরিটেজ সেন্টার তৈরির পরিকল্পনার কথাও প্রকাশ্যে এসেছিল।

এবার রাজ্য সরকারের বর্তমান পরিকল্পনায় সরকারি নাগরিক পরিকাঠামো, মায়াপুরের ধর্মীয় পর্যটন এই দুই দিককে একসঙ্গে নিয়ে এগোনোর উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে। কলেজ স্ট্রিট (College Street) ও ট্যাংরার (Tangra) মতো কলকাতার নির্দিষ্ট এলাকার স্বতন্ত্র চরিত্রকে সামনে রেখে উন্নয়ন করার যে উদাহরণ দেওয়া হয়েছে, মায়াপুরের ক্ষেত্রেও তার নিজস্ব ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক পরিচয় বজায় রেখে একটি পৃথক পর্যটনকেন্দ্রিক রূপ দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। এর সঙ্গে নবদ্বীপের (Nabadwip) উন্নয়নও যুক্ত হতে পারে। রাজ্য সরকারের ‘স্মার্ট সিটি’ উদ্যোগের আওতায় নির্বাচিত পাঁচটি শহরের মধ্যে নবদ্বীপকে রাখা হয়েছে বলে প্রশাসনিক পরিকল্পনায় জানানো হয়েছে। ফলে এক দিকে মায়াপুরে তীর্থ ও পর্যটন পরিকাঠামোর উন্নয়ন, অন্য দিকে নবদ্বীপের নাগরিক ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ, দুই শহরকে মিলিয়ে একটি বৃহত্তর পর্যটন অঞ্চলের সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে।

উল্লেখ্য, মায়াপুর ও নবদ্বীপ একসঙ্গে উন্নত হলে নদীয়া জেলার স্থানীয় অর্থনীতিতেও তার প্রভাব পড়তে পারে। পর্যটকের সংখ্যা বাড়লে হোটেল, রেস্তোরাঁ, পরিবহণ, স্থানীয় হস্তশিল্প, পুজোর সামগ্রী, ছোট ব্যবসা ও অন্যান্য পরিষেবা ক্ষেত্রে চাহিদা বাড়ার সুযোগ রয়েছে। একই সঙ্গে পর্যটননির্ভর কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রও প্রসারিত হতে পারে। তবে সেই বৃদ্ধির সঙ্গে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, যান চলাচল, পরিবেশ রক্ষা, স্থানীয় বাসিন্দাদের দৈনন্দিন পরিষেবার ভারসাম্য বজায় রাখাও পরিকল্পনার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হবে। মায়াপুরকে কেন্দ্র করে গঙ্গাপথে পর্যটন বাড়ানোর উদ্যোগও রাজ্যের বৃহত্তর ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক পর্যটন পরিকল্পনার সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে। রাজ্য সরকার বিভিন্ন তীর্থ ও ঐতিহাসিক স্থানকে পর্যটন সার্কিটের সঙ্গে যুক্ত করার কাজ করছে। নদীয়া জেলার পাশাপাশি রাজ্যের অন্য জেলাগুলির ধর্মীয় ও ঐতিহাসিক স্থানগুলিকেও পর্যটন মানচিত্রে আরও সক্রিয় ভাবে তুলে ধরার পরিকল্পনা রয়েছে। বিশেষভাবে উল্লেখ্য, ৭০০ থেকে ৮০০ একর এলাকার এই বৃহৎ পরিকল্পনা বাস্তবায়নে একাধিক সরকারি দফতর ও সংস্থার মধ্যে সমন্বয় প্রয়োজন হবে। জমি, স্থানীয় প্রশাসন, রাস্তা, নিকাশি, পরিবহণ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও পর্যটন প্রতিটি ক্ষেত্রেই পৃথক কাজ রয়েছে। তাই প্রথম ধাপে একটি সমন্বিত মাস্টার প্ল্যান তৈরি করাই সরকারের কাছে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। সেই নকশা তৈরি হওয়ার পরই কোন এলাকায় কী ধরনের কাজ হবে, কতটা পরিকাঠামো প্রয়োজন ও কোন প্রকল্প আগে বাস্তবায়িত হবে, তার রূপরেখা নির্ধারণ করা যাবে।

মায়াপুরের ধর্মীয় মর্যাদা ও স্থানীয় পরিবেশ বজায় রেখে আধুনিক পরিষেবা গড়ে তোলাই এখন এই পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য। ইসকন মন্দিরকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক পর্যটকের আনাগোনা, নবদ্বীপের ঐতিহাসিক গুরুত্ব ও নদীপথে যোগাযোগের সম্ভাবনা এই তিনটি দিককে কাজে লাগিয়ে নদীয়ায় একটি বড় পর্যটন বলয় তৈরির সুযোগ তৈরি হচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে। প্রশাসনিক পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে আগামী দিনে মায়াপুরে তীর্থযাত্রার পাশাপাশি পর্যটন, পরিবহণ আর স্থানীয় ব্যবসার পরিধিও আরও বাড়তে পারে বলে আশা করা যায়

ছবি: প্রতীকী ও সংগৃহীত
আরও পড়ুন : CM Suvendu Adhikari Birsingha Tourism Centre | Vidyasagar Birthplace : বিদ্যাসাগরের জন্মভূমি বীরসিংহে বড় পরিকল্পনা, পর্যটন থেকে গবেষণা, ঘাটালের জন্য একগুচ্ছ ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর

Sasraya News
Author: Sasraya News

আরো পড়ুন