
মুর্শিদাবাদে কংগ্রেসের সমাবেশে জনজোয়ার
সাশ্রয় নিউজ ★ বহরমপুর : মুর্শিদাবাদ জেলা কংগ্রেসের ডাকে প্রকাশ্য জনসভায় আছড়ে পড়েছিল জেলার কংগ্রেসের সমর্থকরা। আজ বৃহস্পতিবার, দুপুরে মুর্শিদাবাদের বিভিন্ন ব্লকের কংগ্রেস সমর্থকেরা ছিলেন বহরমপুরমুখী।
এই প্রকাশ্য সমাবেশকে কেন্দ্র করে জেলা কংগ্রেস নেতৃত্ব জেলা, ব্লক ও গ্রামে গ্রামে প্রচার অভিযান চালান। মহিলা, পুরুষ নির্বিশেষে এই জমায়েতে অংশ নেন কর্মী সমর্থকরা। সমাবেশকে কেন্দ্র করে বহরমপুর শহরে আঁটোসাটো প্রশাসনিক তৎপরতা লক্ষ্য করা গিয়েছে।
আজকে এই সমাবেশে সাংসদ ও প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরীকে জেলার মানুষ দেখলেন, শীতল ও বলিষ্ঠ। স্মিত-হাসি, কখনও জেলা নেতৃত্বকে এটা-সেটা নির্দেশ, সবটাই হাসিমুখে ঠাণ্ডা মাথায় করে চললেন সমাবেশ মঞ্চেই।
এই মঞ্চেই ফরয়ার্ডব্লক নেতা ও রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী হাসিম আলম সৈরানি ও তাঁর ভাইপো প্রাক্তন বিধায়ক ভিক্টর ফরোয়ার্ডব্লক ছেড়ে কংগ্রেসে যোগদান করলেন। পাশাপাশি জেলার প্রায় ১০ হাজার তৃণমূল, বাম, বিজেপি নেতা কর্মী সমর্থক কংগ্রেসে যোগদান করলেন।
অধীর চৌধুরী রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পর্কে বললেন, ‘হড়পা বানে যখন মানুষের প্রাণ গেল, মুখ্যমন্ত্রী ব্যস্ত তখন কলকাতার রাজপথে পুজোর আনন্দে নাচ করতে। আরেকদিকে। শিক্ষক নিয়োগ দূর্ণীতি, এস এস সি, টেট চাকরী প্রার্থীদের অবস্থান, জেলার গঙ্গা-পদ্মা ভাঙন নিয়ে এই সরকারের বিরুদ্ধে সরব হলেন বহরমপুরের সাংসদ। বক্তৃতায় বিঁধলেন, কেন্দ্র সরকারকেও। তিনি বলেন, ‘মোরবিতে ব্রীজ ভেঙে প্রায় দেড় শতাধিক মানুষ প্রাণ হারালেন, সেদিন দেশের প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং গুজরাটে। দূর্গতিদের পাশে গিয়ে দাঁড়ানোর সময় নেই তাঁর, ক্যাপ মাথায় ব্যস্ত অনুষ্ঠানে।’
এই সমাবেশে উপস্থিতির ছিলেন সাংসদ চেল্লা কুমার। তাঁর বক্তৃতায় রাজ্যে কেন্দ্রীয় সরকারের সমালোচনা করেছেন। এছাড়াও, বক্তব্য রাখেন, আবু হাসেম খান চৌধুরী, আবু হেনা, মনোজ চক্রবর্তী প্রমুখ কংগ্রেস নেতৃত্ব।




