অনুব্রত গ্রেফতার রাজ্য পুলিশের হাতে
সাশ্রয় নিউজ ★ কলকাতা : রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম অনুব্রত মণ্ডল সম্পর্কে মন্তব্য করেছিলেন, ‘অনুব্রত মণ্ডল তাঁর কাছে বীরভূমের বাঘ।’ তখনও বিচারাধীন তৃণমূল কংগ্রেসের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। গত মাসে বীরভূমের রামপুরহাটে একটি সভায় ফিরহাদ বলেছিলেন, কেউ কেউ এখানে আসছে, বীরভূমে একটু লাফালাফি করছে। টিভি চ্যানেলে দেখা যায় বনের বাঘ একদিক থেকে অন্যদিকে গেলে শিয়ালগুলো লাফালাফি করে। আবার যেই বাঘ আসে, শিয়ালও লেজ তুলে পালিয়ে যায়। বীরভূমের বাঘকে তোমরা কিছুদিনের জন্য খাঁচায় রেখেছ। সারা জীবন পারবে না। সেই বাঘ যখন আবার বেরিয়ে আসবে, আজকে যে শিয়ালগুলো হুক্কাহুয়া হুক্কাহুয়া করছে, তারা সব খাঁচায় ঢুকে যাবে।”
মঙ্গলবার এ বিষয়ে তেমন কথা বলতে আগ্রহ দেখাননি তৃণমূলনেতা তথা রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। তিনি ‘গোটা বিষয়টি আইনের বিচারাধীন’ তিনি আরও বলেন, ‘এটা কোর্টের ব্যাপার। আমি কালকেও বলেছি, আজও বলছি, এ নিয়ে কিছু বলব না। তবে বিরোধীরা কী বলছে জানি না, আদালত আদালতের কাজ করবে। আমাদের সকলকে আদালতের রায় মেনে চলতে হবে। আমাদের সকলেরই আদালতে যাওয়ার অধিকার আছে। আদালতে ন্যয় বিচার হবে বলে বিশ্বাস করি।” একপ্রকার এড়িয়ে গেলেন কী! একই প্রসঙ্গে ‘এটা সম্পূর্ণ আইনের ব্যাপার। যদি কোনও মামলা থাকে, গ্রেফতার হয়েছেন, এটা আইনের মধ্যেই পড়ছে। এ বিষয়ে দলের তরফ থেকে আলাদা করে বলার কোনও কারণ ঘটেনি। যেমন বাংলার কোনও ঘটনার তদন্তে দিল্লিতে নিয়ে গিয়ে জেরা করার আবেদনটাও আইনের মধ্যে পড়ে, তেমনই অন্য মামলা থাকতে তাতে গ্রেফতার করাটাও আইনের মধ্যেই পড়ে। যদি দিল্লি থেকে প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট আইনসিদ্ধ হয়, তাহলে বাংলার কোনও আদালতের প্রোডাকশন ওয়ারেন্টও একইভাবে আইনসিদ্ধ হয়। গোটাটা আইনের ব্যাপার। এ বিষয়ে আমি দলে কিছু দেখতে পাচ্ছি না।’ বলেন কুণাল ঘোষ।




