Ananya Panday Generation Z | অনন্যা পাণ্ডের বক্তব্যে আলোচনায় ‘জেন জ়ি’ প্রজন্ম: সম্পর্ক, স্থিরতা আর আত্মবিশ্বাসের নতুন সংজ্ঞা

SHARE:

‘জেন জ়ি’-র প্রকৃত প্রতিচ্ছবি বলে মনে করেন। অনন্যার ভাষায়, “এই ছবিটা সকলের ভাল লেগেছে, কারণ শেষ পর্যন্ত কোনও হিন্দি ছবিতে আমাদের সঠিকভাবে তুলে ধরা হয়েছে। আমার নিজেরও খুব আনন্দ হয়েছিল।” ছবিতে তাঁর সহ-অভিনেতারা ছিলেন সিদ্ধান্ত চতুর্বেদী (Siddhant Chaturvedi), আদর্শ গৌরব (Adarsh Gourav) ও কল্কি কেকলাঁ (Kalki Koechlin)। অনন্যা জানান, ছবির চরিত্রগুলির মধ্যে তিনি নিজেও নিজের অভিজ্ঞতার প্রতিফলন খুঁজে পেয়েছিলেন। তাঁর মতে, বন্ধুত্ব, প্রেম, ভাঙন কিংবা আত্মবিশ্বাস, এই সবকিছুর সঙ্গে আজকের প্রজন্মকে নতুনভাবে বুঝতে সাহায্য করেছে এই সিনেমা।

পরিধি চক্রবর্তী, সাশ্রয় নিউজ ডেস্ক ★ মুম্বাই : সমাজে ‘জেনারেশন জ়েড’ (Generation Z) নিয়ে বিতর্ক যেন শেষ হওয়ার নয়। ১৯৯৭ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে জন্ম নেওয়া এই প্রজন্মকে অনেকেই অস্থির, সম্পর্কের ক্ষেত্রে অনিশ্চিত, এমনকি কর্মক্ষেত্রেও নাকি নিয়ম ভাঙার প্রবণতায় ভরা বলে মনে করেন। কিন্তু সত্যিই কি তারা শুধু বিদ্রোহী, না কি নতুন দৃষ্টিভঙ্গির বাহক? সম্প্রতি অভিনেত্রী অনন্যা পাণ্ডে (Ananya Panday) একটি সাক্ষাৎকারে এ নিয়ে মুখ খুলে জানিয়েছেন তাঁর মতামত।

‘জেন জ়ি’-র প্রকৃত প্রতিচ্ছবি বলে মনে করেন। অনন্যার ভাষায়, “এই ছবিটা সকলের ভাল লেগেছে, কারণ শেষ পর্যন্ত কোনও হিন্দি ছবিতে আমাদের সঠিকভাবে তুলে ধরা হয়েছে। আমার নিজেরও খুব আনন্দ হয়েছিল।” ছবিতে তাঁর সহ-অভিনেতারা ছিলেন সিদ্ধান্ত চতুর্বেদী (Siddhant Chaturvedi), আদর্শ গৌরব (Adarsh Gourav) ও কল্কি কেকলাঁ (Kalki Koechlin)। অনন্যা জানান, ছবির চরিত্রগুলির মধ্যে তিনি নিজেও নিজের অভিজ্ঞতার প্রতিফলন খুঁজে পেয়েছিলেন। তাঁর মতে, বন্ধুত্ব, প্রেম, ভাঙন কিংবা আত্মবিশ্বাস, এই সবকিছুর সঙ্গে আজকের প্রজন্মকে নতুনভাবে বুঝতে সাহায্য করেছে এই সিনেমা।
অনন্যা পাণ্ডে। ছবি : সংগৃহীত

অনন্যা বলেন, ”প্রয়োজনে ‘না’ বলতে জানে এই প্রজন্ম। সম্পর্কের ক্ষেত্রে কিংবা কর্মক্ষেত্রে, তারা নিজেদের সীমারেখা খুব ভালোভাবেই বোঝে। তাই তাদের বিচার করা উচিত নতুন চোখে।” তাঁর মতে, ‘জেন জ়ি’ শুধু অস্থির বা আত্মকেন্দ্রিক নয়, বরং স্বচ্ছতা ও আত্মসম্মানের মূল্য বুঝতে শিখেছে।

‘জেন জ়ি’-র প্রকৃত প্রতিচ্ছবি বলে মনে করেন। অনন্যার ভাষায়, “এই ছবিটা সকলের ভাল লেগেছে, কারণ শেষ পর্যন্ত কোনও হিন্দি ছবিতে আমাদের সঠিকভাবে তুলে ধরা হয়েছে। আমার নিজেরও খুব আনন্দ হয়েছিল।” ছবিতে তাঁর সহ-অভিনেতারা ছিলেন সিদ্ধান্ত চতুর্বেদী (Siddhant Chaturvedi), আদর্শ গৌরব (Adarsh Gourav) ও কল্কি কেকলাঁ (Kalki Koechlin)। অনন্যা জানান, ছবির চরিত্রগুলির মধ্যে তিনি নিজেও নিজের অভিজ্ঞতার প্রতিফলন খুঁজে পেয়েছিলেন। তাঁর মতে, বন্ধুত্ব, প্রেম, ভাঙন কিংবা আত্মবিশ্বাস, এই সবকিছুর সঙ্গে আজকের প্রজন্মকে নতুনভাবে বুঝতে সাহায্য করেছে এই সিনেমা।
অনন্যা পাণ্ডে। ছবি: সংগৃহীত

অনন্যার মন্তব্যে নতুন করে আলোচনায় এসেছে তাঁর অভিনীত ছবি ‘খো গয়ে হম কহাঁ’ (Kho Gaye Hum Kahan)। এই ছবিকে তিনি ‘জেন জ়ি’-র প্রকৃত প্রতিচ্ছবি বলে মনে করেন। অনন্যার ভাষায়, “এই ছবিটা সকলের ভাল লেগেছে, কারণ শেষ পর্যন্ত কোনও হিন্দি ছবিতে আমাদের সঠিকভাবে তুলে ধরা হয়েছে। আমার নিজেরও খুব আনন্দ হয়েছিল।” ছবিতে তাঁর সহ-অভিনেতারা ছিলেন সিদ্ধান্ত চতুর্বেদী (Siddhant Chaturvedi), আদর্শ গৌরব (Adarsh Gourav) ও কল্কি কেকলাঁ (Kalki Koechlin)। অনন্যা জানান, ছবির চরিত্রগুলির মধ্যে তিনি নিজেও নিজের অভিজ্ঞতার প্রতিফলন খুঁজে পেয়েছিলেন। তাঁর মতে, বন্ধুত্ব, প্রেম, ভাঙন কিংবা আত্মবিশ্বাস, এই সবকিছুর সঙ্গে আজকের প্রজন্মকে নতুনভাবে বুঝতে সাহায্য করেছে এই সিনেমা।

‘জেন জ়ি’-র প্রকৃত প্রতিচ্ছবি বলে মনে করেন। অনন্যার ভাষায়, “এই ছবিটা সকলের ভাল লেগেছে, কারণ শেষ পর্যন্ত কোনও হিন্দি ছবিতে আমাদের সঠিকভাবে তুলে ধরা হয়েছে। আমার নিজেরও খুব আনন্দ হয়েছিল।” ছবিতে তাঁর সহ-অভিনেতারা ছিলেন সিদ্ধান্ত চতুর্বেদী (Siddhant Chaturvedi), আদর্শ গৌরব (Adarsh Gourav) ও কল্কি কেকলাঁ (Kalki Koechlin)। অনন্যা জানান, ছবির চরিত্রগুলির মধ্যে তিনি নিজেও নিজের অভিজ্ঞতার প্রতিফলন খুঁজে পেয়েছিলেন। তাঁর মতে, বন্ধুত্ব, প্রেম, ভাঙন কিংবা আত্মবিশ্বাস, এই সবকিছুর সঙ্গে আজকের প্রজন্মকে নতুনভাবে বুঝতে সাহায্য করেছে এই সিনেমা।
অনন্যা পাণ্ডে। ছবি : সংগৃহীত

উল্লেখ্য, সমাজমাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে আলোচনায় রয়েছে এই প্রজন্ম। অভিযোগ ওঠে, তাদের কাছে সম্পর্কের স্থায়িত্ব বলে কিছু নেই, তারা দ্রুত বদলায় এবং আবেগের গভীরতায় টিকে থাকতে পারে না। অনেকের মতে, তাদের অভিধানে প্রেম, সম্পর্ক কিংবা বন্ধুত্বের নতুন নামকরণ আছে, যা প্রচলিত ধারণাকে চ্যালেঞ্জ করে। কিন্তু অন্য একটি বড় অংশ মনে করে, ‘জেন জ়ি’ প্রজন্ম শুরু থেকেই সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে স্পষ্ট দৃষ্টিভঙ্গি রাখে। শুধু সম্পর্ক নয়, কর্মক্ষেত্রেও তারা অন্য প্রজন্মের থেকে আলাদা। প্রথম চাকরি থেকেই শ্রম আইন সম্পর্কে সচেতন, ন্যায্যতার প্রশ্নে কখনও আপস করে না এবং প্রয়োজনে ‘না’ বলতে দ্বিধা করে না। অনন্যা মনে করেন, এই দিকটাই সবচেয়ে বড় শক্তি এই প্রজন্মের। কারণ, তারা জানে নিজের অবস্থান ও মানসিক শান্তির গুরুত্ব।

‘জেন জ়ি’-র প্রকৃত প্রতিচ্ছবি বলে মনে করেন। অনন্যার ভাষায়, “এই ছবিটা সকলের ভাল লেগেছে, কারণ শেষ পর্যন্ত কোনও হিন্দি ছবিতে আমাদের সঠিকভাবে তুলে ধরা হয়েছে। আমার নিজেরও খুব আনন্দ হয়েছিল।” ছবিতে তাঁর সহ-অভিনেতারা ছিলেন সিদ্ধান্ত চতুর্বেদী (Siddhant Chaturvedi), আদর্শ গৌরব (Adarsh Gourav) ও কল্কি কেকলাঁ (Kalki Koechlin)। অনন্যা জানান, ছবির চরিত্রগুলির মধ্যে তিনি নিজেও নিজের অভিজ্ঞতার প্রতিফলন খুঁজে পেয়েছিলেন। তাঁর মতে, বন্ধুত্ব, প্রেম, ভাঙন কিংবা আত্মবিশ্বাস, এই সবকিছুর সঙ্গে আজকের প্রজন্মকে নতুনভাবে বুঝতে সাহায্য করেছে এই সিনেমা।
অনন্যা পাণ্ডে। ছবি : সংগৃহীত

অভিনেত্রীর বক্তব্যকে ঘিরে ইতিমধ্যেই সামাজিক মাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জমতে শুরু করেছে। কেউ কেউ বলছেন, তাঁর মতামত অনেক ভুল ধারণা ভেঙে দিয়েছে। আবার অনেকে মনে করছেন, অনন্যা পাণ্ডের মতো জনপ্রিয় তারকা যদি খোলাখুলি এভাবে জ়েড প্রজন্মকে সমর্থন করেন, তবে সমাজে তাদের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি বদলাতে সময় লাগবে না। প্রসঙ্গত, ‘খো গয়ে হম কহাঁ’ মুক্তির পর থেকেই আলোচনায় আসে যে, ছবিটি কেবল এক প্রজন্মের গল্প নয়, বরং আধুনিক সম্পর্কের জটিলতা ও ডিজিটাল যুগের প্রভাবও তুলে ধরেছে। অনন্যা জানান, এই চরিত্র তাঁকে অনেক কাছ থেকে অনুভব করিয়েছে আজকের তরুণদের ভেতরের টানাপোড়েন।

‘জেন জ়ি’-র প্রকৃত প্রতিচ্ছবি বলে মনে করেন। অনন্যার ভাষায়, “এই ছবিটা সকলের ভাল লেগেছে, কারণ শেষ পর্যন্ত কোনও হিন্দি ছবিতে আমাদের সঠিকভাবে তুলে ধরা হয়েছে। আমার নিজেরও খুব আনন্দ হয়েছিল।” ছবিতে তাঁর সহ-অভিনেতারা ছিলেন সিদ্ধান্ত চতুর্বেদী (Siddhant Chaturvedi), আদর্শ গৌরব (Adarsh Gourav) ও কল্কি কেকলাঁ (Kalki Koechlin)। অনন্যা জানান, ছবির চরিত্রগুলির মধ্যে তিনি নিজেও নিজের অভিজ্ঞতার প্রতিফলন খুঁজে পেয়েছিলেন। তাঁর মতে, বন্ধুত্ব, প্রেম, ভাঙন কিংবা আত্মবিশ্বাস, এই সবকিছুর সঙ্গে আজকের প্রজন্মকে নতুনভাবে বুঝতে সাহায্য করেছে এই সিনেমা।
অনন্যা পাণ্ডে। ছবি : সংগৃহীত

সমাজবিজ্ঞানীরা বলছেন, প্রজন্মের মূল্যায়ন সময়ের সঙ্গে বদলায়। এক দশক আগে যাদের বিদ্রোহী বলা হতো, আজ তাদের ভাবা হয় পথপ্রদর্শক। অনন্যার মন্তব্য সেই তত্ত্বকেই আরও জোরদার করছে। উল্লেখ্য যে, আজকের বিশ্বে যখন সম্পর্ক, কাজ ও ব্যক্তিস্বাধীনতা নিয়ে নতুন নতুন প্রশ্ন উঠছে, তখন অনন্যা পাণ্ডের মতো অভিনেত্রীর সোজাসাপ্টা মতামত শুধু তরুণদেরই নয়, বরং সমগ্র সমাজকে ভাবাচ্ছে।

ছবি: সংগৃহীত
আরও পড়ুন : Ananya Panday Taught Acting to Saiyaara Actress Aneet Padda | অভিনয় শেখানোর ভিডিও ভাইরাল: ‘সাইয়ারা’র নায়িকা অনীত পাড্ডাকে গাইড করছিলেন অনন্যা পাণ্ডে! নেটিজেনরা বললেন, ‘এখন তো ও বড় স্টার’

Sasraya News
Author: Sasraya News

Leave a Comment

আরো পড়ুন