কেশপুরে বোমায় হাত উড়ে গেল এক ব্যক্তির
সাশ্রয় নিউজ ★ কেশপুর : আসন্ন ত্রিস্তর পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে উত্তপ্ত হয়ে উঠছে রাজ্যে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। সম্প্রতি রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে বোমা উদ্ধার ও বোমা বাজির ঘটনা সামনে এসেছে মিডিয়ার। শিক্ষত মহলের দাবি, এইগুলো তো মিডিয়ার সামনে আসে তাই মানুষ দেখতে পান। কিন্তু যেখানে মিডিয়া পৌঁছতে পারে না! অহরহ ঘটনা ঘটে চলেছে রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে।

স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, নদীয়ার জনসভা থেকে কর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেছিলেন, নিজেদের মধ্যে ঝামেলা বরদাস্ত করা হবে না। ‘দলীয় কোন্দলে করলে দলে রাখব না।’ রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মন্তব্য, মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল কংগ্রেসের সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-এর সেই সাবধান বার্তা দিনের আলোর ফেরানোর সঙ্গে সঙ্গে কী ভুলে গিয়েছেন দলীয় কর্মীরা! নইলে কেন এত দলীয় কোন্দল।
বীরভুমের সাঁইথিয়ার মর্মান্তিক বোমাবাজির পর কেশপুরের বোমাবাজিতে হাত উড়ল একজনের। এই ঘটনাকেও স্থানীয় মানুষজন বলেছেন, তৃণমূল কংগ্রেসের নিজেদের ভেতর ঝামেলার ফলে এই বোমাবাজির ঘটনা ঘটেছে। কেশপুরের তৃণমূল কংগ্রেসের স্থানীয় বিধায়ক অজিত মাইতি কেশপুরের এই ঘটনাকে দলীয় কোন্দল হিসেবে দেখতে নারাজ। তিনি বলেন, “এটা কোনও দলীয় কোন্দলের ব্যাপার না। একটা গ্রাম্য কোন্দল। সিপিএম ও বিজেপি নেতাদের উস্কানি আছে। এই ঘটনা মেজর কিছু ঘটনা এমন কিছু না। কেশপুর এখন শান্ত আছে। অনেকদিন পর এমন একটা ঘটনা ঘটেছে।”
কেশপুরের এই ঘটনাকে ‘এমন কিছু না’ বলে উড়িয়ে দিলেও কেশপুরের স্থানীয় জনগণের বক্তব্য কিন্তু উল্টো সুর, ”ক্ষমতা দখলের লড়াই পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে কে প্রার্থী হবেন, কে প্রধান হবেন, কে পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি হবেন, জেলাপরিষদ মেম্বার কে হবেন এই নিয়ে প্রতিনিয়ত লড়াই বিবাদ চলছে ওদের নিজেদের মধ্যেই। আর এই বিবাদের ভুক্তভোগী হতে হচ্ছে আমাদের মতন সাধারণ মানুষজনদের।”
ঘাটালের বিজেপি বিধায়ক বলেন, “তৃণমূল দলটাই বোমার ওপর দাঁড়িয়ে আছে।”




