সাশ্রয় নিউজ ডেস্ক ★ প্যারিস: আন্তর্জাতিক কূটনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ জি৭ (G7 Summit) সম্মেলনে এবার নজর কাড়ল মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)-এর এক মন্তব্য। ফ্রান্সের এভিয়ঁ-লে-বঁ (Evian-les-Bains) শহরে আয়োজিত অধিবেশনে উপস্থিত সাংবাদিক ও বিশ্বনেতাদের সামনে নিজেকে ‘বস’ বলে উল্লেখ করেন ট্রাম্প। তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে ইতিমধ্যেই আন্তর্জাতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা, বিশেষ করে ইউরোপীয় নেতাদের প্রতিক্রিয়া এবং সাম্প্রতিক কূটনৈতিক অবস্থান পরিবর্তনকে কেন্দ্র করে। উল্লেখ যে, ১৫ জুন থেকে শুরু হওয়া এই জি৭ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিশ্বের অন্যতম শক্তিধর দেশগুলির রাষ্ট্রপ্রধানরা। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi), ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রোঁ (Emmanuel Macron), ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি (Giorgia Meloni) সহ একাধিক নেতা সেই অধিবেশনে ছিলেন, যেখানে ট্রাম্প এই মন্তব্য করেন। যদিও তিনি ঠিক কোন প্রসঙ্গে নিজেকে ‘বস’ বলেছেন, তা বিস্তারিত ব্যাখ্যা করেননি, তবু উপস্থিত কারও পক্ষ থেকে প্রকাশ্যে আপত্তি তোলা হয়নি।
আরও পড়ুন : Modi Meloni G7 Moment | জি৭ মঞ্চে ফের ভাইরাল ‘মেলোডি-মুহূর্ত’, মোদী-মেলোনির হাসির রসায়ন ঘিরে চর্চা
এই ঘটনাকে ঘিরে আরও একটি বিষয় সামনে এসেছে, সাম্প্রতিক সময়ে ইউরোপের নেতাদের অবস্থানে পরিবর্তন। পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি, বিশেষ করে ইরান (Iran) নিয়ে মার্কিন নীতির বিরোধিতা করছিল ইউরোপের একাধিক দেশ। কিন্তু জি৭ সম্মেলনে দেখা গেল ভিন্ন ছবি। ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকে তাঁদের অবস্থান তুলনামূলকভাবে নমনীয় হয়েছে বলে কূটনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে। বিশ্ব অর্থনীতি, দুষ্প্রাপ্য খনিজ এবং বৈশ্বিক স্থিতিশীলতা নিয়ে আয়োজিত অধিবেশনে ট্রাম্পের এই মন্তব্য আসে। একই সঙ্গে রাশিয়া (Russia) ও ইউক্রেন (Ukraine) -এর সংঘাত নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি (Volodymyr Zelenskyy) উপস্থিত থাকলেও ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর পৃথক বৈঠক হয়নি। তবে আলোচনায় উঠে এসেছে যুদ্ধের বর্তমান পরিস্থিতি এবং ভবিষ্যৎ কৌশল। এই সম্মেলনের আগে পশ্চিম এশিয়ায় উত্তেজনা চরমে উঠেছিল। আমেরিকা ও ইজ়রায়েল (Israel) -এর যৌথ সামরিক পদক্ষেপ এবং ইরানের প্রতিক্রিয়া পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে। হরমুজ প্রণালী (Strait of Hormuz) ঘিরে বাণিজ্যিক পরিবহণে বাধা তৈরি হয়, যা বিশ্ব অর্থনীতির উপর প্রভাব ফেলতে শুরু করে। এই প্রেক্ষাপটে ইউরোপীয় দেশগুলি আগে ট্রাম্পের নীতির সমালোচনা করলেও, সাম্প্রতিক ইরান চুক্তির (Iran Deal) পর তাঁদের অবস্থানে পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
রবিবার গভীর রাতে আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে একটি সমঝোতা চুক্তি চূড়ান্ত হয়েছে বলে জানা গিয়েছে, যা আগামী দিনে সুইৎজ়ারল্যান্ডে (Switzerland) আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষরিত হতে পারে। এই চুক্তি পশ্চিম এশিয়ায় স্থিতিশীলতা ফেরাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। এর ফলেই ইউরোপীয় নেতারা ট্রাম্পের সঙ্গে সম্পর্ক মজবুত করার দিকে ঝুঁকছেন বলে বিভিন্ন মহলে আলোচনা। জি৭ সম্মেলনের এক পর্যায়ে জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রেডরিখ মের্জ (Friedrich Merz) ট্রাম্পকে একটি ফুটবল জার্সি উপহার দেন, যার নম্বর ছিল ‘৪৭’। এই ঘটনাও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে বিশেষভাবে নজর কেড়েছে। অনেকেই এই উপহারকে কূটনৈতিক সৌজন্যের অংশ হিসেবে দেখছেন। এদিকে কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি (Mark Carney) সম্মেলনের পর বলেন, ‘আমেরিকার অবস্থানে পরিবর্তন এসেছে, বিশেষ করে রাশিয়া নিয়ে তাদের নীতি এখন আগের তুলনায় কঠোর।’ তাঁর মতে, এই অবস্থান বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
জি৭ সম্মেলনের এই আবহে ট্রাম্পের ‘আমিই বস’ মন্তব্য একদিকে যেমন রাজনৈতিক বার্তা বহন করছে, অন্যদিকে তা বিশ্ব নেতৃত্বের মধ্যে শক্তির ভারসাম্য নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। আন্তর্জাতিক সম্পর্কের জটিল সমীকরণে এই ধরনের মন্তব্য অনেক সময় প্রতীকী অর্থ বহন করে। বিশেষ করে যখন একাধিক দেশ একই মঞ্চে উপস্থিত থাকে ও গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, তখন প্রতিটি বক্তব্যের কূটনৈতিক তাৎপর্য থাকে। ট্রাম্পের এই মন্তব্য সেই দিক থেকেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। সম্মেলনের শেষ দিনে দুষ্প্রাপ্য খনিজ সম্পদ এবং বৈশ্বিক অর্থনীতির ভারসাম্যহীনতা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ এবং পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি নিয়েও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জি৭ সদস্য দেশগুলি একটি যৌথ বিবৃতিও প্রকাশ করেছে, যেখানে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং শান্তির পক্ষে মত দেওয়া হয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে ট্রাম্পের মন্তব্য এবং ইউরোপীয় নেতাদের আচরণ আন্তর্জাতিক কূটনীতির ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশ নিয়ে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করছে। বিশ্ব রাজনীতির এই মুহূর্তে শক্তির ভারসাম্য, জোট রাজনীতি এবং অর্থনৈতিক স্বার্থ সমস্তটাই জি৭ সম্মেলন আবারও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে বলে উল্লেখ।
ছবি : সংগৃহীত
আরও পড়ুন : US Dollar, Donald Trump : মার্কিন ডলারে ট্রাম্পের স্বাক্ষর, ১৬৫ বছরের প্রথা ভাঙল আমেরিকা
Trump G7 Boss Comment | জি৭ মঞ্চে ট্রাম্প -এর ‘আমিই বস’ মন্তব্যে চাঞ্চল্য, মাক্রোঁ-মেলোনি উপস্থিতিতে বদলাল ইউরোপের সুর
Sasraya News
FOLLOW US:
SHARE:
সাশ্রয় নিউজ ডেস্ক ★ প্যারিস: আন্তর্জাতিক কূটনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ জি৭ (G7 Summit) সম্মেলনে এবার নজর কাড়ল মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)-এর এক মন্তব্য। ফ্রান্সের এভিয়ঁ-লে-বঁ (Evian-les-Bains) শহরে আয়োজিত অধিবেশনে উপস্থিত সাংবাদিক ও বিশ্বনেতাদের সামনে নিজেকে ‘বস’ বলে উল্লেখ করেন ট্রাম্প। তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে ইতিমধ্যেই আন্তর্জাতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা, বিশেষ করে ইউরোপীয় নেতাদের প্রতিক্রিয়া এবং সাম্প্রতিক কূটনৈতিক অবস্থান পরিবর্তনকে কেন্দ্র করে। উল্লেখ যে, ১৫ জুন থেকে শুরু হওয়া এই জি৭ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিশ্বের অন্যতম শক্তিধর দেশগুলির রাষ্ট্রপ্রধানরা। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi), ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রোঁ (Emmanuel Macron), ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি (Giorgia Meloni) সহ একাধিক নেতা সেই অধিবেশনে ছিলেন, যেখানে ট্রাম্প এই মন্তব্য করেন। যদিও তিনি ঠিক কোন প্রসঙ্গে নিজেকে ‘বস’ বলেছেন, তা বিস্তারিত ব্যাখ্যা করেননি, তবু উপস্থিত কারও পক্ষ থেকে প্রকাশ্যে আপত্তি তোলা হয়নি।
আরও পড়ুন : Modi Meloni G7 Moment | জি৭ মঞ্চে ফের ভাইরাল ‘মেলোডি-মুহূর্ত’, মোদী-মেলোনির হাসির রসায়ন ঘিরে চর্চা
এই ঘটনাকে ঘিরে আরও একটি বিষয় সামনে এসেছে, সাম্প্রতিক সময়ে ইউরোপের নেতাদের অবস্থানে পরিবর্তন। পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি, বিশেষ করে ইরান (Iran) নিয়ে মার্কিন নীতির বিরোধিতা করছিল ইউরোপের একাধিক দেশ। কিন্তু জি৭ সম্মেলনে দেখা গেল ভিন্ন ছবি। ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকে তাঁদের অবস্থান তুলনামূলকভাবে নমনীয় হয়েছে বলে কূটনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে। বিশ্ব অর্থনীতি, দুষ্প্রাপ্য খনিজ এবং বৈশ্বিক স্থিতিশীলতা নিয়ে আয়োজিত অধিবেশনে ট্রাম্পের এই মন্তব্য আসে। একই সঙ্গে রাশিয়া (Russia) ও ইউক্রেন (Ukraine) -এর সংঘাত নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি (Volodymyr Zelenskyy) উপস্থিত থাকলেও ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর পৃথক বৈঠক হয়নি। তবে আলোচনায় উঠে এসেছে যুদ্ধের বর্তমান পরিস্থিতি এবং ভবিষ্যৎ কৌশল। এই সম্মেলনের আগে পশ্চিম এশিয়ায় উত্তেজনা চরমে উঠেছিল। আমেরিকা ও ইজ়রায়েল (Israel) -এর যৌথ সামরিক পদক্ষেপ এবং ইরানের প্রতিক্রিয়া পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে। হরমুজ প্রণালী (Strait of Hormuz) ঘিরে বাণিজ্যিক পরিবহণে বাধা তৈরি হয়, যা বিশ্ব অর্থনীতির উপর প্রভাব ফেলতে শুরু করে। এই প্রেক্ষাপটে ইউরোপীয় দেশগুলি আগে ট্রাম্পের নীতির সমালোচনা করলেও, সাম্প্রতিক ইরান চুক্তির (Iran Deal) পর তাঁদের অবস্থানে পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
রবিবার গভীর রাতে আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে একটি সমঝোতা চুক্তি চূড়ান্ত হয়েছে বলে জানা গিয়েছে, যা আগামী দিনে সুইৎজ়ারল্যান্ডে (Switzerland) আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষরিত হতে পারে। এই চুক্তি পশ্চিম এশিয়ায় স্থিতিশীলতা ফেরাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। এর ফলেই ইউরোপীয় নেতারা ট্রাম্পের সঙ্গে সম্পর্ক মজবুত করার দিকে ঝুঁকছেন বলে বিভিন্ন মহলে আলোচনা। জি৭ সম্মেলনের এক পর্যায়ে জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রেডরিখ মের্জ (Friedrich Merz) ট্রাম্পকে একটি ফুটবল জার্সি উপহার দেন, যার নম্বর ছিল ‘৪৭’। এই ঘটনাও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে বিশেষভাবে নজর কেড়েছে। অনেকেই এই উপহারকে কূটনৈতিক সৌজন্যের অংশ হিসেবে দেখছেন। এদিকে কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি (Mark Carney) সম্মেলনের পর বলেন, ‘আমেরিকার অবস্থানে পরিবর্তন এসেছে, বিশেষ করে রাশিয়া নিয়ে তাদের নীতি এখন আগের তুলনায় কঠোর।’ তাঁর মতে, এই অবস্থান বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
জি৭ সম্মেলনের এই আবহে ট্রাম্পের ‘আমিই বস’ মন্তব্য একদিকে যেমন রাজনৈতিক বার্তা বহন করছে, অন্যদিকে তা বিশ্ব নেতৃত্বের মধ্যে শক্তির ভারসাম্য নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। আন্তর্জাতিক সম্পর্কের জটিল সমীকরণে এই ধরনের মন্তব্য অনেক সময় প্রতীকী অর্থ বহন করে। বিশেষ করে যখন একাধিক দেশ একই মঞ্চে উপস্থিত থাকে ও গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, তখন প্রতিটি বক্তব্যের কূটনৈতিক তাৎপর্য থাকে। ট্রাম্পের এই মন্তব্য সেই দিক থেকেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। সম্মেলনের শেষ দিনে দুষ্প্রাপ্য খনিজ সম্পদ এবং বৈশ্বিক অর্থনীতির ভারসাম্যহীনতা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ এবং পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি নিয়েও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জি৭ সদস্য দেশগুলি একটি যৌথ বিবৃতিও প্রকাশ করেছে, যেখানে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং শান্তির পক্ষে মত দেওয়া হয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে ট্রাম্পের মন্তব্য এবং ইউরোপীয় নেতাদের আচরণ আন্তর্জাতিক কূটনীতির ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশ নিয়ে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করছে। বিশ্ব রাজনীতির এই মুহূর্তে শক্তির ভারসাম্য, জোট রাজনীতি এবং অর্থনৈতিক স্বার্থ সমস্তটাই জি৭ সম্মেলন আবারও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে বলে উল্লেখ।
ছবি : সংগৃহীত
আরও পড়ুন : US Dollar, Donald Trump : মার্কিন ডলারে ট্রাম্পের স্বাক্ষর, ১৬৫ বছরের প্রথা ভাঙল আমেরিকা
Author: Sasraya News
Rashmika Mandanna injury update, Vijay Deverakonda reaction | চোটে ঘরবন্দী রশ্মিকা, স্ত্রীকে কাছে পেয়ে বিজয়ের মজার আবদার! ‘পরের বার চোট ছাড়াই ছুটি নিও’
Deepti Sharma on India vs Pakistan women Asia Cup | পাকিস্তানের বিরুদ্ধে নামার আগে দীপ্তির হুঙ্কার, ‘ওদের থেকে এক ধাপ এগিয়েই থাকি’
Smriti Mandhana 124 runs, Smriti Mandhana world record | এক ইনিংসে জোড়া বিশ্বরেকর্ড স্মৃতি মন্ধানার! মিতালি রাজকে টপকে ইতিহাস, অথচ জানতেনই না
Salman Khan Tukaram Mundhe | কফির দাম বাড়লেই ‘ওঁকে’ পাঠাব! বন্ধুকে সালমনের হুঁশিয়ারি, নেপথ্যে তুকারাম মুন্ডে
Nepal tunnel rescue, Trishuli hydropower rescue | ভরসা ৫০০ ইঞ্জিনিয়ারের হোয়াট্সঅ্যাপ গ্রুপ! নেপালের সুড়ঙ্গে জীবনের খোঁজে নকশা দেখিয়ে চলছে উদ্ধারকাজ