২০২৬ পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন
২০২১ সালে ভোটের পর যখন একটার পর একটা দুর্নীতি আর দুর্নীতি তা সেই শিক্ষাই হোক, রেশন হোক, স্বাস্থ্য হোক, কয়লা, বালি, গরু পাচার, আবাস যোজনা, ১০০ দিনের কাজ, ভুয়ো একাউন্টে ভাতা ইত্যাদি সঙ্গে শাসকের রক্ত চক্ষু করা ভয়-ভীতি সাধারণ মানুষকে ভাবতে বাধ্য করে। প্রথমদিকে শাসক দলের প্রধান লক্ষ্য ছিল স্থানীয় নেতা যেমন পঞ্চায়েত মেম্বার, পৌরসভা কাউন্সিলর, অন্য দলের বিধায়ক বা পদাধিকার এই সমস্ত ব্যক্তিবর্গকে ভয়-ভীতি দেখিয়ে জোরপূর্বক তাদের দলে অন্তর্ভুক্ত করানো কিন্তু এতে সাধারণ মানুষ ততটা সাড়া না দেওয়ার ফলে শুরু হয় ২০২১ সাল থেকে সরাসরি সাধারণ মানুষের ওপরে ভয়-ভীতি, চাপ সৃষ্টি তাদেরকে সরাসরি শাসকের পক্ষে নিয়ে আসা আর না হলে অরাজকতা তৈরি করে ভোটদানে বাধা দেওয়া। লিখেছেন: অগ্নি প্রতাপ

পর্ব ৩.
২০১১ সালে ১৩ মে বামফ্রন্টকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে পশ্চিমবঙ্গবাসী বর্তমান শাসক তৃণমূল কংগ্রেস এবং তৃণমূল কংগ্রেসের জোট সঙ্গী জাতীয় কংগ্রেসকে ক্ষমতায় এনেছিলেন। প্রথম একটা দু’টো বছর ঠিকঠাক চললেও ঠিক দু’বছরের মাথার পর থেকে শুরু হয় জাতীয় কংগ্রেসের সঙ্গে দূরত্ব বজায় রাখা। এর পিছনের বড় কারণ হচ্ছে ততদিনে শাসক বুঝে গিয়েছিল ক্ষমতায় আসার জন্য জাতীয় কংগ্রেসের সমর্থনকারী ভোটার যারা সম্পূর্ণ বামফ্রন্ট বিরোধী ছিলেন ততদিনে শাসকের হাত ধরে কাছাকাছি চলে এসেছে। অতএব দূরত্ব বজায় রেখে একলা চলো নীতি এবং সঙ্গে অমানবিক ও মানসিক চাপ বাড়াতে থাকে ফল স্বরূপ সেই সময় থেকে শুরু হয় শাসকের গণ্ডি বাড়ানোর খেলা। প্রথমে পঞ্চায়েতগুলো আস্তে আস্তে পৌরসভা এবং স্থানীয় স্তরে নেতৃত্বকে বাধ্য করা হয় শাসকের হয়ে কাজ করার জন্য। আসলে শাসক অনুভব করেছিল নিজের দলীয় সংগঠনের থেকেও অনেক বেশি জরুরী অন্য দলের সংগঠকদের নিজেদের মধ্যে টেনে না নিয়ে এলে শাসন ব্যবস্থা বেশিদিন চালানো যাবে না। আর এর জন্য সাধারণ মানুষের কাছে তারা বলতে পারবে তাদের উন্নয়নমূলক কাজ দেখে সবাই তাদের সঙ্গেই সহমত হয়ে উন্নয়নে সামিল হতে চাইছে। হ্যাঁ এই পর্যন্ত ঠিক আছে, কারণ ২০০০ সালের পর থেকে বামফ্রন্টের মধ্যে যে বেনোজল ঢুকেছিল তাদের খেসারত দিতে হয়েছিল ২০১১ সালে। ওই সময় শাসকের লোকবল ছিল চোখে পড়ার মতো। ২০১২ সালের শেষ আর ১৩ সালের শুরুর মাঝামাঝি থেকে শুরু হয়ে যায় সম্পূর্ণভাবে বিরোধীদের ও বিরোধী নেতৃত্বদের উপরে চাপ বাড়িয়ে সবাইকে শাসকে পরিণত করা। আসলে এর পিছনে ছিল এক গভীর পরিকল্পনা মাফিক ষড়যন্ত্র। কারণ তৃণমূল স্তর থেকে যদি ক্ষমতা ধরে রাখা না যায় তাহলে কোনওভাবেই শাসনকালে শাসকের আয় উন্নতি বা মনো ইচ্ছা পূর্ণ করা কোনওভাবেই সম্ভব হবে না।
২০২৩ সালে পঞ্চায়েত নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আরও একবার বিরোধীদের যে দাবি, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যা যা হয়ে আসছে আসলে শাসকের নেতৃত্বে স্থানীয় প্রশাসন ক্রীতদাসে যে পরিণত হয়েছে তার আসল চেহারা বেরিয়ে এসেছে। ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে প্রচুর মামলাও হয়েছে। আসলে বামফ্রন্ট সরকার (CPIM) ছিল একেবারে পেশাদার ক্যাডার ভিত্তিক দল যেখানে প্রতিটি অঞ্চলে বা ওয়ার্ড বা পাড়ায় ন্যূনতম একজন করে ক্যাডার প্রতিনিধি অথবা পার্টি মেম্বার থাকতেন। এই সকল ব্যক্তিবর্গ দ্বারা স্থানীয় মানুষ পরিষেবা পেয়ে থাকতেন এবং দৈনন্দিন জীবনে সর্বদা সাধারণ মানুষের যাবতীয় খোঁজখবর থেকে আরম্ভ করে চাহিদা এবং বাড়ি বাড়ি যোগাযোগ রেখে চলতেন। স্থানীয় স্তরেই হোক বা যে কোনও স্তরেই বামফ্রন্টে পার্টির মেম্বারদের গুরুত্ব ছিল অপরিসীম।
আরও পড়ুন : West Bengal Assembly Election 2026 | ২০২৬ পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন – ভোট পর্ব ২

এত বিপুল জনসমর্থন নিয়ে আসা এই শাসককেও ২০১৩ সালে পঞ্চায়েত নির্বাচনে সমস্ত পঞ্চায়েতকে নিজেদের দখলে রাখতে শুরু হয় অরাজকতা। জেলা ওয়ারি নেতাদের বেঁধে দেওয়া হয় টার্গেট অর্থাৎ যদি টার্গেটের ১০০ শতাংশ পূরণ করতে পারে তাহলে তার জন্য সর্বোচ্চ পুরস্কার থাকবে। শুরু হয় ভোটের আগে থাকতে মানুষকে ভয়-ভীতি দেখানো এবং ভোটের দিন অবাধ ছাপ্পা সঙ্গে গণনার দিন ভীতি প্রদর্শন করে সম্পূর্ণ ক্ষমতা গ্রাস করা। একই পুনরাবৃত্তি ঘটে ২০১৫ সালে পৌরসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিরোধীরা বারংবার ব্যাপক রিগিং এবং ছাপ্পা ভোটের অভিযোগ করেন। প্রথম পাঁচ বছরে সাধারণ মানুষ অতটা বুঝতে না পারলেও ২০১৬ সালে বামফ্রন্ট ও জাতীয় কংগ্রেস এই শাসকের বিরুদ্ধে লড়াই করলেও সাধারণ মানুষ জানত যে এতদিন এই জাতীয় কংগ্রেসের দৌলতেই ৩৪ বছর বামফ্রন্ট ক্ষমতা দখল করে রেখেছিল। তাই যাই হোক বামফ্রন্ট বা জাতীয় কংগ্রেসকে কোনওভাবেই সাধারণ মানুষ মেনে নিতে পারেনি। ২০১৮ সালে পঞ্চায়েত নির্বাচনে পুনরাবৃত্তি ঘটে। বিরোধীরা এই পঞ্চায়েত নির্বাচনকে কেন্দ্র করে খুন এবং সন্ত্রাস সঙ্গে বিপুল ছাপ্পা ভোটের অভিযোগের পর অভিযোগ তুলতে থাকেন। ২০১৪ সালে কেন্দ্রে ইউপিএ অর্থাৎ জাতীয় কংগ্রেসের জোট সঙ্গীকে পরাস্ত করে ভারতীয় জনতা পার্টি নিরঙ্কুশ ক্ষমতা অর্জন করে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নরেন্দ্র দামোদর দাস মোদী শপথ নেন। ২০১৯ সালে পশ্চিমবঙ্গে নতুন সমীকরণের জন্ম হয়। ভারতীয় জনতা পার্টি লোকসভা নির্বাচনে ১৭ টি আসন জয় লাভ করে। এই জয়লাভ করার পিছনের মেন কারণ হল মানুষ ততদিনে এই সরকারের পতনের জন্য বিকল্প হিসেবে ভারতীয় জনতা পার্টিকেই বেছে নিয়েছিল।

২০১৯ সালে লোকসভা ভোটে মূলত বামপন্থী সমর্থকরাই সিংহভাগ ও অন্যান্য রাজনৈতিক দলের বিক্ষুব্ধ সমর্থকরাই ভারতীয় জনতা পার্টি সমর্থনে ভোট দিয়েছিলেন। ২০১৯ সালে ভারতীয় জনতা পার্টি পশ্চিমবঙ্গ সভাপতি ছিলেন শ্রী দিলীপ ঘোষ। ২০১৯ সালে লোকসভা ভোটে ভরাডুবির পর IPAC নামক ভোট কুশলীদের শাসক শ্রেণী বিপুল অংকের টাকার চুক্তি করেন ২০২১ সালে বিধানসভা নির্বাচনকে মাথায় রেখে নির্বাচনী বৈতরণী পার করতে। ২০২০ সালে করোনা কালের জন্য সমস্ত কিছু স্তব্ধ হয়ে যায়, বন্ধ রাখা হয় পৌর নির্বাচন। অন্যদিকে শাসক দলে পরিবার তন্ত্র বজায় রাখতে গিয়ে বছরের পর বছর সিনিয়র নেতৃত্বর সঙ্গে শাসক সুপ্রিমোর মতবিরোধ বাড়তে থাকে। সর্বশেষ ২০২০ সালের শেষের দিকে তৃণমূল কংগ্রেসের একঝাঁক হেবিওয়েট নেতা-মন্ত্রী, বিধায়ক ভারতীয় জনতা পার্টিতে যোগদান করেন। তার মধ্যে সবথেকে উল্লেখযোগ্য হল শ্রী শুভেন্দু অধিকারী। শুরু হয় পশ্চিমবঙ্গে এক নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ যাকে অনেকেই মেরুকরণে রাজনীতি বলে আখ্যা দেন। ২০২১ সালে বিধানসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দুই দলের মধ্যেই টানটান উত্তেজনার পারদ চড়তে থাকে। ওই নির্বাচনে সবথেকে ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ এবং টিকে থাকার লড়াই অথবা অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই ছিল নন্দীগ্রাম। যেখানে তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিম স্বয়ং মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অধিকারী গড় বলে পরিচিত পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রামে ভারতীয় জনতা পার্টি প্রার্থী ছিলেন স্বয়ং মাননীয় শুভেন্দু অধিকারী। নন্দীগ্রামে শ্রী শুভেন্দু অধিকারী-এর কাছে স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরাজয় স্বীকার করতে হয়েছিল। অথচ এই নন্দীগ্রাম আর সিঙ্গুর ছিল তৃণমূল কংগ্রেসকে ক্ষমতায় নিয়ে আসার সবচেয়ে বড় আন্দোলন।

২০২১ প্রতিটা জনমত সমীক্ষাতে ভারতীয় জনতা পার্টিকে এগিয়ে রাখা হয়েছিল। শাসক সুপ্রিমো মাননীয়া মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দুর্ধর্ষ টেকনিক ও স্ট্র্যাটেজি দ্বারা শেষ পর্যন্ত ২০২১ বিধানসভা নির্বাচন অসীম লড়াইয়ের মধ্যে দিয়ে ২১৫ টি কেন্দ্রে জয়লাভ করে তৃতীয়বার ক্ষমতায় ফিরে আসেন। আর ভারতীয় জনতা পার্টি মোট ৭৭ টি কেন্দ্রে জয়লাভ করে। শুভেন্দু অধিকারী বিরোধী দলনেতা মনোনীত হোন ভারতীয় জনতা পার্টির। ২০২১ সালে ভোটের পর যখন একটার পর একটা দুর্নীতি আর দুর্নীতি তা সেই শিক্ষাই হোক, রেশন হোক, স্বাস্থ্য হোক, কয়লা, বালি, গরু পাচার, আবাস যোজনা, ১০০ দিনের কাজ, ভুয়ো একাউন্টে ভাতা ইত্যাদি সঙ্গে শাসকের রক্ত চক্ষু করা ভয়-ভীতি সাধারণ মানুষকে ভাবতে বাধ্য করে। প্রথমদিকে শাসক দলের প্রধান লক্ষ্য ছিল স্থানীয় নেতা যেমন পঞ্চায়েত মেম্বার, পৌরসভা কাউন্সিলর, অন্য দলের বিধায়ক বা পদাধিকার এই সমস্ত ব্যক্তিবর্গকে ভয়-ভীতি দেখিয়ে জোরপূর্বক তাদের দলে অন্তর্ভুক্ত করানো কিন্তু এতে সাধারণ মানুষ ততটা সাড়া না দেওয়ার ফলে শুরু হয় ২০২১ সাল থেকে সরাসরি সাধারণ মানুষের ওপরে ভয়-ভীতি, চাপ সৃষ্টি তাদেরকে সরাসরি শাসকের পক্ষে নিয়ে আসা আর না হলে অরাজকতা তৈরি করে ভোটদানে বাধা দেওয়া। ২০২২ সালে পৌর নির্বাচন ঘোষণা হলে শুরু থেকেই সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলতে থাকে বিরোধীরা। সেই চেনা ছবি যা প্রশাসনিক ব্যবস্থাকে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে চলতে থাকে অবাধ রিগিং এবং ছাপ্পা ভোট। সমস্ত বিরোধীদলগুলোই গণতন্ত্রের নামে প্রহসন বলে অভিযোগ করতে থাকেন। বারংবার স্থানীয় পঞ্চায়েত বা পৌরসভা, রাজ্য বিধানসভা এবং লোকসভা ভোটকে কেন্দ্র করে বিরোধীরা প্রত্যেকবারই কখনও অবাধ রিগিং ও ছাপ্পা ভোট আবার কখনো ভোট গণনা কেন্দ্রে কারচুপির অভিযোগ জোরাল করতে থাকেন। সেই ক্ষেত্রে এই লাগামহীন সন্ত্রাস, রিগিং, অবাধ ছাপ্পা এবং গণনায় কারচুপি এমনকি রাজ্য বিধানসভা এবং লোকসভা ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে বসিয়ে রেখে শাসক স্থানীয় প্রশাসনকে সম্পূর্ণরূপে কাজে লাগিয়ে জনগণের রায়কে লুট করা প্রশাসনকে শাসকের দলদাস বলে বিরোধীরা আখ্যা দিয়েছেন।

২০২৩ সালে পঞ্চায়েত নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আরও একবার বিরোধীদের যে দাবি, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যা যা হয়ে আসছে আসলে শাসকের নেতৃত্বে স্থানীয় প্রশাসন ক্রীতদাসে যে পরিণত হয়েছে তার আসল চেহারা বেরিয়ে এসেছে। ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে প্রচুর মামলাও হয়েছে। আসলে বামফ্রন্ট সরকার (CPIM) ছিল একেবারে পেশাদার ক্যাডার ভিত্তিক দল যেখানে প্রতিটি অঞ্চলে বা ওয়ার্ড বা পাড়ায় ন্যূনতম একজন করে ক্যাডার প্রতিনিধি অথবা পার্টি মেম্বার থাকতেন। এই সকল ব্যক্তিবর্গ দ্বারা স্থানীয় মানুষ পরিষেবা পেয়ে থাকতেন এবং দৈনন্দিন জীবনে সর্বদা সাধারণ মানুষের যাবতীয় খোঁজখবর থেকে আরম্ভ করে চাহিদা এবং বাড়ি বাড়ি যোগাযোগ রেখে চলতেন। স্থানীয় স্তরেই হোক বা যে কোনও স্তরেই বামফ্রন্টে পার্টির মেম্বারদের গুরুত্ব ছিল অপরিসীম। আর এই পার্টি মেম্বারদের ওপরে ভর করেই পার্টি লাইন তৈরি হতো যা সমস্ত নেতা-মন্ত্রী থেকে সাধারণ কর্মীকে মানতে বাধ্য হত। সংগঠন এতটাই মজবুত ছিল বিরোধীদের যে-কোনও পরিকল্পনা বা আন্দোলন শুরুতেই নিষ্ক্রিয় করে দিত। আর যদি একান্তই পরিস্থিতি হাতের বাইরে মনে করলে প্রশাসনিক পদক্ষেপের মাধ্যমে প্রতিহত করতেন। বামফ্রন্টের সময়ে প্রশাসন নিরপেক্ষ না থাকলেও সর্বক্ষেত্রে প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ দেখা যায়নি। আর ঠিক বিপরীত হল, বর্তমান শাসকের সময় শাসক পন্থী থেকে আরম্ভ করে বিরোধী সবাইকেই প্রশাসনের রক্ত চক্ষুর সামনে পড়তে হচ্ছে বারবার এই অভিযোগই শাসক শ্রেণী এবং বিরোধী শিবির দুই তরফেই পাওয়া যায়। যার জন্য প্রতিটি ক্ষেত্রেই সে জনতার দরবার হোক বা যে কোনও কোর্ট হোক সর্বক্ষেত্রেই প্রশাসনিক ব্যক্তিবর্গকে ভৎসনার সম্মুখীন হতে হয়।🍁 (চলবে)
আরও পড়ুন : West Bengal Assembly Election 2026 | পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচন – ভোট পর্ব ১




