নবারুণ দাস ★ সাশ্রয় নিউজ ডেস্ক, কলকাতা : পশ্চিমবঙ্গের (West Bengal) বিধানসভা নির্বাচন কী নির্ধারিত সময়ের আগেই সম্পন্ন হয়ে যাবে? রাজনৈতিক মহলে এই প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তথা বিজেপির (Bharatiya Janata Party) শীর্ষ নেতা অমিত শাহ (Amit Shah) -এর একটি মন্তব্য ঘিরেই রাজ্য বিজেপির অন্দরে নতুন করে শুরু হয়েছে জল্পনা। কলকাতায় সাংবাদিক বৈঠকে বারবার ‘এপ্রিল’ শব্দটি ব্যবহার করে শাহ এমন ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচন শুধু এপ্রিল মাসেই শেষ হবে না, সেই মাসের মাঝামাঝিতেই নতুন সরকার গঠনের প্রক্রিয়াও সম্পন্ন হয়ে যাবে। গত মঙ্গলবার সল্টলেকের (Salt Lake) সেক্টর ফাইভে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অমিত শাহ বলেন, ‘এপ্রিলে পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন হতে চলেছে। ভয়, দুর্নীতি, অপশাসন আর অনুপ্রবেশের বদলে উন্নয়ন ও গরিব কল্যাণের সরকার গঠনের জন্য বাংলার মানুষের সংকল্প সর্বত্র দেখতে পাচ্ছি।’ এখানেই তিনি থামেননি। কিছুক্ষণ পরেই শাহ আরও স্পষ্ট করে বলেন, ‘২০২৬ সালের ১৫ এপ্রিলের পরে যখন বিজেপি সরকার হবে, তখন বঙ্গগৌরব ও বঙ্গসংস্কৃতির পুনর্জাগরণ শুরু হবে। স্বামী বিবেকানন্দ (Swami Vivekananda), বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (Bankim Chandra Chattopadhyay), রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (Rabindranath Tagore) এবং শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় (Syama Prasad Mukherjee)-এর স্বপ্নের বাংলা গড়ার চেষ্টা করব।’
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। ছবি : সংগৃহীত
অমিত শাহ-এর এই মন্তব্যের পর থেকেই রাজ্য বিজেপির অন্দরে ভোটের দিনক্ষণ ও দফা নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে। দলের একাংশের মতে, এটি কর্মীদের ভোটের জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকারই বার্তা। কারণ এতদিন বিজেপির রাজ্য নেতারা বারবার বলছিলেন, মে মাসের শুরু পর্যন্ত ভোটের প্রক্রিয়া গড়াতে পারে। কিন্তু শাহের বক্তব্য সেই ধারণাকেই উল্টে দিল। এতদিন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) দাবি করে আসছিলেন, চলতি বিধানসভার মেয়াদ শেষ হবে ২০২৬ সালের ৪ মে। তাঁর বক্তব্য ছিল, এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়া নিয়ে জটিলতা তৈরি হলে ভোটার তালিকা চূড়ান্ত করতে দেরি হবে, ফলে ভোট পিছিয়ে যেতে পারে। এমনকি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভোট না হলে রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসন জারির সম্ভাবনার কথাও তিনি উল্লেখ করেছিলেন। কিন্তু মঙ্গলবার অমিত শাহের মন্তব্যে সেই জল্পনায় জল পড়েছে। বিজেপির অন্দরমহলে এখন ধারণা, ভোট পিছনোর বদলে বরং এ বার আগেভাগেই নির্বাচন সেরে ফেলার প্রস্তুতি চলছে।
এই জল্পনার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ভোটের দফা কমে যাওয়ার সম্ভাবনাও। যদি সত্যিই এপ্রিল মাসের মাঝামাঝি ভোটগ্রহণ, গণনা এবং সরকার গঠনের প্রক্রিয়া শেষ করতে হয়, তবে ছয়, সাত বা আট দফায় ভোট করানো প্রায় অসম্ভব। রাজনৈতিক ওয়াকিবহাল মহলের মতে, সে ক্ষেত্রে এক বা দুই দফায় ভোটগ্রহণের সম্ভাবনাই বেশি। কারণ বহু দফায় ভোট হলে প্রশাসনিক ও নিরাপত্তাজনিত কারণে সময় অনেক বেশি লেগে যায়। কিন্তু পরিসংখ্যান বলছে, গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন মানেই এপ্রিল-মে জুড়ে দীর্ঘ প্রক্রিয়া। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে আট দফায় ভোট হয়েছিল প্রথম দফা ২৭ মার্চ, শেষ দফা ২৯ এপ্রিল। তারও আগে ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে শেষ দফার ভোট হয়েছিল ৫ মে, আর ২০১১ সালে শেষ দফা হয়েছিল ১০ মে। লোকসভা নির্বাচনেও একই ছবি। ২০১৯ ও ২০২৪ দু’বারই সাত দফায় ভোট হয়েছে পশ্চিমবঙ্গে। সেই জায়গা থেকে শাহের ‘১৫ এপ্রিলের পরে সরকার’ মন্তব্য যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
নির্বাচন কমিশনের (Election Commission of India) নির্ঘণ্ট অনুযায়ী, এসআইআর প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পরে আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হবে। তার আগে ভোট ঘোষণা হওয়ার কোনও সম্ভাবনা নেই। কিন্তু যদি এপ্রিলের মাঝামাঝি সরকার গঠন করতে হয়, তবে ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝির পর খুব বেশি দেরি করা যাবে না। সে ক্ষেত্রে মার্চের প্রথম দিকেই ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা করতে হতে পারে, এমনটাই মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা। উল্লেখ্য যে, এদিন সাংবাদিক বৈঠকে অমিত শাহ এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে মতুয়া সমাজের (Matua Community) উদ্বেগ দূর করার চেষ্টাও করেন। তাঁর পাশে ছিলেন মতুয়া মহাসঙ্ঘের সঙ্ঘাধিপতি ও কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর (Shantanu Thakur)। শাহ বলেন, ‘মতুয়াদের ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই। যাঁরা শরণার্থী হিসেবে এসেছেন, তাঁরা ভারতের নাগরিক। এটা বিজেপির প্রতিশ্রুতি। তাঁদের কেউ ক্ষতি করতে পারবে না, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)ও পারবেন না।’ বিজেপি সূত্রের দাবি, শান্তনু ঠাকুরের সঙ্গে আলাদা করেও এই বিষয়ে কথা বলেছেন শাহ এবং আশ্বাস দিয়েছেন, যাতে কোনওভাবেই মতুয়াদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ না পড়ে। তবে, অমিত শাহের ‘এপ্রিল’ মন্তব্য পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক আবহে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। ভোট এগোবে কি না! দফা কমবে কি না! এই সব প্রশ্নের উত্তর এখনও আনুষ্ঠানিক ভাবে মেলেনি। তবে বিজেপির অন্দরে যে প্রস্তুতির ঘড়ি দ্রুত এগোতে শুরু করেছে, তা অনুমেয়।
West Bengal election early, BJP election plan | এপ্রিলেই মিটে যাবে ভোট? অমিত শাহের মন্তব্যে পশ্চিমবঙ্গ রাজনীতিতে জোর জল্পনা, কমতে পারে ভোটের দফা
Sasraya News
FOLLOW US:
SHARE:
নবারুণ দাস ★ সাশ্রয় নিউজ ডেস্ক, কলকাতা : পশ্চিমবঙ্গের (West Bengal) বিধানসভা নির্বাচন কী নির্ধারিত সময়ের আগেই সম্পন্ন হয়ে যাবে? রাজনৈতিক মহলে এই প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তথা বিজেপির (Bharatiya Janata Party) শীর্ষ নেতা অমিত শাহ (Amit Shah) -এর একটি মন্তব্য ঘিরেই রাজ্য বিজেপির অন্দরে নতুন করে শুরু হয়েছে জল্পনা। কলকাতায় সাংবাদিক বৈঠকে বারবার ‘এপ্রিল’ শব্দটি ব্যবহার করে শাহ এমন ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচন শুধু এপ্রিল মাসেই শেষ হবে না, সেই মাসের মাঝামাঝিতেই নতুন সরকার গঠনের প্রক্রিয়াও সম্পন্ন হয়ে যাবে। গত মঙ্গলবার সল্টলেকের (Salt Lake) সেক্টর ফাইভে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অমিত শাহ বলেন, ‘এপ্রিলে পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন হতে চলেছে। ভয়, দুর্নীতি, অপশাসন আর অনুপ্রবেশের বদলে উন্নয়ন ও গরিব কল্যাণের সরকার গঠনের জন্য বাংলার মানুষের সংকল্প সর্বত্র দেখতে পাচ্ছি।’ এখানেই তিনি থামেননি। কিছুক্ষণ পরেই শাহ আরও স্পষ্ট করে বলেন, ‘২০২৬ সালের ১৫ এপ্রিলের পরে যখন বিজেপি সরকার হবে, তখন বঙ্গগৌরব ও বঙ্গসংস্কৃতির পুনর্জাগরণ শুরু হবে। স্বামী বিবেকানন্দ (Swami Vivekananda), বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (Bankim Chandra Chattopadhyay), রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (Rabindranath Tagore) এবং শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় (Syama Prasad Mukherjee)-এর স্বপ্নের বাংলা গড়ার চেষ্টা করব।’
অমিত শাহ-এর এই মন্তব্যের পর থেকেই রাজ্য বিজেপির অন্দরে ভোটের দিনক্ষণ ও দফা নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে। দলের একাংশের মতে, এটি কর্মীদের ভোটের জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকারই বার্তা। কারণ এতদিন বিজেপির রাজ্য নেতারা বারবার বলছিলেন, মে মাসের শুরু পর্যন্ত ভোটের প্রক্রিয়া গড়াতে পারে। কিন্তু শাহের বক্তব্য সেই ধারণাকেই উল্টে দিল। এতদিন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) দাবি করে আসছিলেন, চলতি বিধানসভার মেয়াদ শেষ হবে ২০২৬ সালের ৪ মে। তাঁর বক্তব্য ছিল, এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়া নিয়ে জটিলতা তৈরি হলে ভোটার তালিকা চূড়ান্ত করতে দেরি হবে, ফলে ভোট পিছিয়ে যেতে পারে। এমনকি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভোট না হলে রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসন জারির সম্ভাবনার কথাও তিনি উল্লেখ করেছিলেন। কিন্তু মঙ্গলবার অমিত শাহের মন্তব্যে সেই জল্পনায় জল পড়েছে। বিজেপির অন্দরমহলে এখন ধারণা, ভোট পিছনোর বদলে বরং এ বার আগেভাগেই নির্বাচন সেরে ফেলার প্রস্তুতি চলছে।
এই জল্পনার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ভোটের দফা কমে যাওয়ার সম্ভাবনাও। যদি সত্যিই এপ্রিল মাসের মাঝামাঝি ভোটগ্রহণ, গণনা এবং সরকার গঠনের প্রক্রিয়া শেষ করতে হয়, তবে ছয়, সাত বা আট দফায় ভোট করানো প্রায় অসম্ভব। রাজনৈতিক ওয়াকিবহাল মহলের মতে, সে ক্ষেত্রে এক বা দুই দফায় ভোটগ্রহণের সম্ভাবনাই বেশি। কারণ বহু দফায় ভোট হলে প্রশাসনিক ও নিরাপত্তাজনিত কারণে সময় অনেক বেশি লেগে যায়। কিন্তু পরিসংখ্যান বলছে, গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন মানেই এপ্রিল-মে জুড়ে দীর্ঘ প্রক্রিয়া। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে আট দফায় ভোট হয়েছিল প্রথম দফা ২৭ মার্চ, শেষ দফা ২৯ এপ্রিল। তারও আগে ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে শেষ দফার ভোট হয়েছিল ৫ মে, আর ২০১১ সালে শেষ দফা হয়েছিল ১০ মে। লোকসভা নির্বাচনেও একই ছবি। ২০১৯ ও ২০২৪ দু’বারই সাত দফায় ভোট হয়েছে পশ্চিমবঙ্গে। সেই জায়গা থেকে শাহের ‘১৫ এপ্রিলের পরে সরকার’ মন্তব্য যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
নির্বাচন কমিশনের (Election Commission of India) নির্ঘণ্ট অনুযায়ী, এসআইআর প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পরে আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হবে। তার আগে ভোট ঘোষণা হওয়ার কোনও সম্ভাবনা নেই। কিন্তু যদি এপ্রিলের মাঝামাঝি সরকার গঠন করতে হয়, তবে ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝির পর খুব বেশি দেরি করা যাবে না। সে ক্ষেত্রে মার্চের প্রথম দিকেই ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা করতে হতে পারে, এমনটাই মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা। উল্লেখ্য যে, এদিন সাংবাদিক বৈঠকে অমিত শাহ এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে মতুয়া সমাজের (Matua Community) উদ্বেগ দূর করার চেষ্টাও করেন। তাঁর পাশে ছিলেন মতুয়া মহাসঙ্ঘের সঙ্ঘাধিপতি ও কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর (Shantanu Thakur)। শাহ বলেন, ‘মতুয়াদের ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই। যাঁরা শরণার্থী হিসেবে এসেছেন, তাঁরা ভারতের নাগরিক। এটা বিজেপির প্রতিশ্রুতি। তাঁদের কেউ ক্ষতি করতে পারবে না, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)ও পারবেন না।’ বিজেপি সূত্রের দাবি, শান্তনু ঠাকুরের সঙ্গে আলাদা করেও এই বিষয়ে কথা বলেছেন শাহ এবং আশ্বাস দিয়েছেন, যাতে কোনওভাবেই মতুয়াদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ না পড়ে। তবে, অমিত শাহের ‘এপ্রিল’ মন্তব্য পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক আবহে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। ভোট এগোবে কি না! দফা কমবে কি না! এই সব প্রশ্নের উত্তর এখনও আনুষ্ঠানিক ভাবে মেলেনি। তবে বিজেপির অন্দরে যে প্রস্তুতির ঘড়ি দ্রুত এগোতে শুরু করেছে, তা অনুমেয়।
ছবি : সংগৃহীত
আরও পড়ুন : Amit Shah Kolkata, West Bengal infiltration issue | কলকাতায় অমিত শাহের কড়া বার্তা: অনুপ্রবেশই বাংলায় বিজেপির প্রধান ভোট-অস্ত্র, সঙ্গে দুর্নীতি-অপশাসনের অভিযোগে তৃণমূলকে তীব্র আক্রমণ
Author: Sasraya News
Rashmika Mandanna injury update, Vijay Deverakonda reaction | চোটে ঘরবন্দী রশ্মিকা, স্ত্রীকে কাছে পেয়ে বিজয়ের মজার আবদার! ‘পরের বার চোট ছাড়াই ছুটি নিও’
Deepti Sharma on India vs Pakistan women Asia Cup | পাকিস্তানের বিরুদ্ধে নামার আগে দীপ্তির হুঙ্কার, ‘ওদের থেকে এক ধাপ এগিয়েই থাকি’
Smriti Mandhana 124 runs, Smriti Mandhana world record | এক ইনিংসে জোড়া বিশ্বরেকর্ড স্মৃতি মন্ধানার! মিতালি রাজকে টপকে ইতিহাস, অথচ জানতেনই না
Salman Khan Tukaram Mundhe | কফির দাম বাড়লেই ‘ওঁকে’ পাঠাব! বন্ধুকে সালমনের হুঁশিয়ারি, নেপথ্যে তুকারাম মুন্ডে
Nepal tunnel rescue, Trishuli hydropower rescue | ভরসা ৫০০ ইঞ্জিনিয়ারের হোয়াট্সঅ্যাপ গ্রুপ! নেপালের সুড়ঙ্গে জীবনের খোঁজে নকশা দেখিয়ে চলছে উদ্ধারকাজ