মোবাইলে অনলাইন গেম খেলার অপকারিতা
সাশ্রয় নিউজ ★ আমরা সকলেই জানি যে বিজ্ঞানের দান অপরিসীম। তবুও বিজ্ঞানের অপকারিতা সম্পর্কে আমরা সজাগ থাকি। যেমন খুব সহজে পাহাড় কেটে রাস্তা বানাতে পারে । মহাকাশে যান পাঠাতে পারে আবার পারমাণু দিয়ে হিরোসীমা নাগাশাখী শহরের মতো হাজার হাজার পঙ্গুত্ব তৈরী করতে পারে। তাই বিশেষ ভাবে বলতে হয় আজ থেকে প্রায় 20 বছর আগে মোবাইল মানব জীবনের আমূল সময়ের পরিবর্তন ঘটিয়েছিল। কিন্তু তখনও বাচ্চা ছেলে থেকেও কিশোর প্রত্যেকেই গ্রাম শহরের নানাবিধি সামাজিক খেলা ধুলার সঙ্গে যুক্ত ছিল। যেমন- ফুটবল , ক্রিকেট, হা ডুডু, কবাটি , নুন্দারী, খো খো , গ্রামের আনন্দের খেলা , বুড়ি বসন্ত, ইত্যাদি সব খেলার মধ্যে শরীর স্বাস্থ্য ভালো রাখার সু কৌশল ছিলো। কিন্তু মোবাইলের এন্ড্রোয়েড ভার্সন শিশু কিশোরের জীবন থেকে খেলার মাঠ ছিনিয়ে নিলো । ছিনিয়ে নিল তাতদের সমস্ত রকম কৈশরকালের চিন্তা ভাবনা। সামাজিক ভাবে পঙ্গু করতে শুরু করলো, শারীরিক ক্ষমতা। ধীরে ধীরে বন্ধ ঘরে একাকিত্বের জীবন জুড়ে গেল খেলার মাঠ ছেড়ে। অনড়গল মোবাইল নিয়ে গেম খেলতে খেলতে হারিয়ে ফেলল মা বাবার প্রতি শ্রদ্ধা। সমাজের গুরুজনদের প্রতি শ্রদ্ধা ভালোবাসা। হারিয়ে ফেলল শিশু কিশোর সময়ের মূল্যবান গুরুত্ব। খেলার মাঠ না চিনে। শিখে ফেলল মোবাইলের নানা রকমের কার্যকলাপ। অনেক বাড়ির গুরুজনেরা এতে অহংকার মনে করলো। আসলে বুঝতে পারলোনা যে আমাদের সন্তানের কত বড় ক্ষতি করছি নিজেরায়। অনেক সময় মা বাবার কর্ম ব্যাসস্তার ফলে শিশু কিশোরের হাতে মোবাইল দিয়ে গেম খেলতে বোলে নিজেদের কাজে মন সংয়োগ করেন আর তাদের সন্তানরা মোবাইল গেমে মত্ত হয়ে মা বাবাকে ভুলে যায়। এমন দৃশ্য অহরহ দেখা যায়। যা কল্পনাতিত। এই সময় বাঁচাতে গিয়ে সন্তানের প্রতি অবহেলা যা সামাজিক সুস্থ সবল কর্মঠো মানসিকতা কে হরণ করে নিয়ে সময় কেন্দ্রিক মাপ ঝোপের ফলে ছিনিয়ে নেওয়া হচ্ছে তাঁদের অদূর ভবিষ্যৎ । ছিনিয়ে নেওয়া হচ্ছে খেলার মাঠ। এই মোবাইল গেমের ফলে শারীরিক কোন উন্নতি না ঘটে বহন করতে লাগলো একাধিক অসুস্থ্যতা। যা আজ জন্মের সঙ্গে সঙ্গেই আমাদের সামাজিক জীবন যাপনে বিজ্ঞান প্রবেশ করে এক ভয়ঙ্কর পরিস্থিতির সম্মুখীন দাঁড় করিয়েছে। যা আগামীর শিশু কিশোর কিশোরী যুবক যুবতি দের এই মোবাইল গেম শিক্ষা সংস্কৃতি এবং শরীর চর্চা থেকে বঞ্চিত করবে বলেই অনেক বুদ্ধিজীবীদের এক অংশ মনে করেন। আমাদের সকল পরিবারের গুরুজনদের উচিত শিশু কিশোর-কিশোরীর প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করা। যাতে মোবাইল গেম থেকে তারা যেন দূরে থাকে । মোবাইল যেমন চোখের পক্ষে খারাপ তেমন শরীর ও মনের পক্ষেও খারাপ। মোবাইল গেম মনের মধ্যে প্রভাব ফ্যালে বলেই গেম খেলতে খেলতে অনেক কিশোর – কিশোরী আত্মহত্যাও করতে বাধ্য হয়েছে। কিছু কম্পানি তাদের মনোফার লোভে মানব সভ্যতায় টেকনোলোজিকে ব্যবহার করে মোবাইল গেমে সময় অপচয় করে সমাজের শিশু কিশোর কিশোরী দের ভবিষ্যৎকে পঙ্গুত্বের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। শরীর শিক্ষার বদলে মোবাইল শিক্ষা ব্যবস্থা আগামীতে এক ভয়ংকর পরিস্থিতি তৈরি করতে চলেছে। এখন সময় আছে আমরা যদি সজাগ না হই তাহলে আগামীর মানব সভ্যতায় মোবাইল গেম সমাজ কে অনেক খানিই পিছিয়ে দেবে বলেই ধারনা।




