কাঁথিতে বিধায়কের বাড়ি সংলগ্ন ডাস্টবিন থেকে উদ্ধার বেশ কিছু ভোটারকার্ড ও আঁধার কার্ড
সাশ্রয় নিউজ ★ পূর্ব মেদিনীপুর : গতকাল কাঁথির শহরের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের একটি ডাস্টবিন থেকে একাধিক আঁধার কার্ড ও ভোটার কার্ড উদ্ধার ঘিরে রাজনৈতিক দলগুলির ভেতর তরজা শুরু হয়েছে। সূত্রের খবর, গতকাল সোমবার স্থানীয় বিধায়ক সুমিতা সাহার বাড়ির কাছে একটি ডাস্টবিনের ভেতর ৫০-৬০ টি ভোটার ও আঁধার কার্ড দেখতে পান পথ চলতি মানুষজন। কীভাবে বা কারা ওই কার্ড নিয়ে এল তা নিয়ে ধন্দে প্রশাসন! কাঁথি থানার পুলিশ ও স্থানীয় কাউন্সিলর ঘটনাস্থলে ঘটনাস্থলে যান। সূত্রের খবর, কার্ডগুলি আপাতত কাউন্সিলর উদ্ধার করে নিয়ে যান। বিধায়কের বাড়ির কাছে ডাস্টবিনে কীভাবে ভোটার কার্ড, আধার কার্ডগুলি আসলো, কারও কাছেই তা স্পষ্ট নয়। সূত্রের খবর, যে কার্ডগুলি পাওয়া যায়, তার ভেতর স্থানীয় কয়েকজনের কার্ড আছে, বাকিগুলি বহিরাগতদের। এবং আশ্চর্যের বিষয় প্রত্যেকের কাছে আরেকটি কপি আছে কার্ডের। স্থানীয় শিক্ষিত মহল উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন, এই কার্ডগুলি কীভাবে এল? বিজেপির কাঁথি সাংগঠনিক জেলা সভাপতি অসীম মিশ্র জানান “ভোট জালিয়াতি করার জন্য সাধারণ মানুষের ভোটার কার্ড কেড়ে নেওয়া, ডুপ্লিকেট ভোটার কার্ড তৈরি করা সহ নানান কাজে তৃণমূল কংগ্রেস সিদ্ধহস্ত। সারা বাংলাজুড়ে এই ধরনের কাজকর্ম চলছে। কাঁথি পুরসভা ডাস্টবিনে এতগুলি ভোটার কার্ড পাওয়া গেল। কে ফেলল? কোথা থেকে এল এতগুলি ভোটার কার্ড? তদন্তের প্রয়োজন রয়েছে।” মন্ত্রী অখিল গিরির বিজেপির তোলা অভিযোগ নস্যাৎ করে দেন। বলেন, “সবকিছুতেই এখন বিজেপি তৃণমূলের দিকে অভিযোগের আঙ্গুল তোলেন। এই ঘটনার সঙ্গে কোনভাবে তৃণমূল কংগ্রেস যুক্ত নয়।” তিনি আরও বলেন, “আমরা এই ঘটনার সম্পর্কে কিছুই জানি না। এর সঙ্গে তৃণমূলের কোনো সম্পর্ক নেই। আমাদের কোনও খারাপ উদ্দেশ্য নেই। লোকের ভোটার কার্ড নিয়ে রাস্তায় ফেলে দেব? পুলিশকে তদন্ত করতে বলব।” উলেখ্য, কীভাবে এতগুলি কার্ড একসঙ্গে ডাস্টবিনে এল, কে বা কারা ফেলল, ঘটনার তদন্ত করছে পুলিশ।




