রাজেশ চন্দ্র দেবনাথ, সাশ্রয় নিউজ, আগরতলা : গত শুক্রবার ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ বাংলা। (২৪-০৪-২০২৬ ইং) ছিল কবি অনুরাগ ভৌমিক এর জন্মদিন।ঐ দিন সন্ধ্যায় তাঁর সম্পাদনায় অনেক কবি ও গুণীজনদের হাত ধরে একান্ত ঘরোয়া আড্ডায় প্রকাশিত হল ‘অনুরাগ সাহিত্য পত্র’ প্রথম সংখ্যা। নিশ্চয়ই ত্রিপুরার লিটল ম্যাগাজিন জগতে এক নূতন সংযোজন।

উপস্থিত কবিদের মধ্যে ছিলেন কবি দেবাশিস চক্রবর্তী,কবি পার্থপ্রতিম চক্রবর্তী, কবি চিন্ময় চক্রবর্তী, কবি খোকন সাহা, কবি প্রীতম ভট্টাচার্য, কবি ছুটন দে, কবি গৌতম ভৌমিক, কবি ধ্রুব চক্রবর্তী, কবি শুভম বণিক, চিত্রশিল্পী রাজীব দাসগুপ্ত, এবং কবি রাজীব মজুমদার এবং শিক্ষাবিদ রাকেশ পাল প্রমূখ।
কবি অনুরাগ ভৌমিক প্রথমেই স্বরচিত কয়েকটি কবিতা পাঠ করলেন এবং উনার বক্তব্য রাখলেন ‘অনুরাগ সাহিত্য পত্র’ সম্বন্ধে।এই পত্রিকার আবির্ভাব নামকরণ নিয়ে। পত্রিকাকে বাঁচিয়ে রাখার দায়িত্ব শুধু সম্পাদকের নয়, লেখক পাঠক উভয়ের সচেষ্ট সহযোগিতা ও আদান প্রদানের মাধ্যমেই বেঁচে থাকবে এই পত্রিকা। সম্পাদক লিখলেন, অন্তরের সত্যকে বাইরের সত্যের সঙ্গে জুড়ে সেতু রচনা করাই কবি-কর্ম। এ জন্য ই নিত্য নব রূপে এই আবির্ভাব।
আজকের বৈশাখী প্রহর সত্য হোক।সত্য হোক সাহিত্য ঋত্বিকদের আকার, নিরাকার ও নিরাকার ও আত্ম অণ্বেষণ… শেষে সম্পাদক লিখলেন, ‘আমাকে সাজাও তোমরা শব্দ এঁকে এঁকে, ঘড়ি উড়িয়ে দাও মুক্ত হাওয়া দেখে।’
কবি দেবাশিস চক্রবর্তী পাঠ করলেন দুটো সুন্দর স্বরচিত কবিতা। কবি পার্থপ্রতিম চক্রবর্তী পাঠ করলেন ‘বিমর্ষ গান্ধার’কাব্য উপন্যাস এর কিছু অংশ। স্বরচিত কবিতা পাঠ করলেন কবি খোকন সাহা। সুন্দর দুটি কবিতা।তারপর স্বরচিত কবিতা পাঠ করলেন কবি প্রীতম ভট্টাচার্য। স্বরচিত কবিতা পাঠ করলেন কবি ধ্রুব চক্রবর্তী।তারপর যথাক্রমে স্বরচিত কবিতা পাঠ করলেন কবি বিষ্ণু চক্রবর্তী,কবি শুভম বণিক, কবি রাজীব মজুমদার, কবি ছোটন দে, চিত্রশিল্পী রাজীব দাসগুপ্ত এবং কবি চিন্ময় চক্রবর্তী।
অনুষ্ঠানের শেষে গান গেয়ে শোনান রাজীব দাসগুপ্ত, রাজীব মজুমদার এবং পম্পা মুখোপাধ্যায়, তিনি কবি দেবাশিস চক্রবর্তী’র সহধর্মিনী।
মোট বিয়াল্লিশ জন কবির কবিতা নিয়ে সম্পন্ন হয় পত্রিকার কলেবর।কবি কৃত নামলিপি এবং প্রচ্ছদ দিয়ে শুরু হয় পত্রিকা।তারপর সম্পাদকীয়। সম্পাদকীয় এর পর কবিতা ও কবি সূচী।
প্রকাশিতঃ সঙ্গম- শিল্প-সাহিত্য- সংস্কৃতি এর পক্ষ থেকে ছনবন, উদয়পুর, গোমতী, ত্রিপুরা, ভারত।সবশেষটা চোখে পড়ার মতো। পত্রিকার বিনিময় মূল্য –এক টাকা মাত্র।
ছবি: সংগৃহীত


