gang rape Gurugram, gym trainer arrested | গুরুগ্রামে শিক্ষিকাকে পার্টিতে ডেকে নিয়ে গণধর্ষণ, চার জিম প্রশিক্ষক গ্রেফতার

SHARE:

হরিয়ানার গুরুগ্রাম-ফরিদাবাদ রোডে চলন্ত গাড়িতে তিন ঘণ্টা ধরে গণধর্ষণের অভিযোগ। রাস্তায় ছুড়ে ফেলা হয় ২৫ বছরের তরুণীকে, গ্রেফতার দুই অভিযুক্ত।

সাশ্রয় নিউজ ডেস্ক ★ গুরুগ্রাম : গুরুগ্রামের একটি গুরুতর ঘটনায় চারজন জিম প্রশিক্ষককে গ্রেফতার করা হয়েছে। অভিযোগ, তারা একটি শিক্ষিকাকে পার্টিতে ডেকে নিয়ে যৌন নির্যাতন করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তদের আদালতে হাজির করা হয়েছে এবং তারা হেফাজতে রয়েছে। উল্লেখ্য, ঘটনার শিকার ২৯ বছরের ওই শিক্ষিকা (নাম প্রকাশিত নয়) গুরুগ্রামের বাসিন্দা। তিনি নিজের স্বামীর সঙ্গে ওই শহরে থাকেন এবং স্থানীয় একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিদেশি ভাষা পড়ান। পুলিশ সূত্রে জানা খবর, গত সেপ্টেম্বর মাসে তিনি মূল অভিযুক্তের (নাম প্রকাশিত নয়) সঙ্গে পরিচিত হন। এরপর দু’জনের মধ্যে কয়েকবার দেখা হয়।

পুলিশ সূত্রে আরও খবর, পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, ১ অক্টোবর অভিযুক্ত শিক্ষিকাকে ফোন করে নিজের এক বন্ধুর বাড়িতে একটি পার্টিতে ডেকে পাঠান। পার্টিতে উপস্থিত হওয়ার পর শিক্ষিকা যৌন নিপীড়নের শিকার হন। অভিযোগ অনুসারে, ওই যুবক এবং আরও তিন জন, যার মধ্যে একজন মহেন্দ্রগড়ের এবং অন্য একজন উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজের বাসিন্দা শিক্ষিকাকে ধর্ষণ করেন।
পরের দিন সকালে শিক্ষিকা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশ দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে চারজনকেই গ্রেফতার করে। পুলিশ সূত্রে উল্লেখ, “এফআইআর রুজু করা হয়েছে এবং ঘটনার তদন্ত চলছে। আমরা পুরো ঘটনা সম্পূর্ণভাবে খতিয়ে দেখছি এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কড়া আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” উল্লেখ্য, এই ঘটনায় স্থানীয় প্রশাসন সতর্ক হয়ে ওঠেছে এবং স্কুল ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করার নির্দেশ দিয়েছে। পুলিশ জানিয়েছেন, অভিযুক্তরা সবাই পেশায় জিম প্রশিক্ষক এবং মূল অভিযুক্ত হিমাচল প্রদেশের। এই ঘটনায় স্থানীয়দের ভেতর উদ্বেগ এবং চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।নির্যাতিতার পরিবার ও শিক্ষকমহল শোক ও আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন। অনেকেই সামাজিক মাধ্যমে ঘটনার নিন্দা জানিয়েছেন এবং দ্রুত বিচার দাবি করছেন। স্থানীয় নারী সুরক্ষা সংস্থাগুলোও এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন এবং প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগে রয়েছেন যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধ করা যায়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সামাজিক ও পেশাগত পরিচয়ের ভিত্তিতে এই ধরনের অপরাধ ঘটানো অত্যন্ত ভয়ঙ্কর। “শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং সামাজিক পরিবেশে নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এখন সময়োপযোগী ও জরুরি,” বলেন নারী অধিকার কর্মী মীরা সিংহ (Meera Singh)। পুলিশ জানিয়েছে, তারা সকল সম্ভাব্য সাক্ষী এবং প্রমাণ সংগ্রহে তৎপর। পাশাপাশি অভিযুক্তদের মোবাইল ফোন, গাড়ি এবং পার্টির ভিডিও ফুটেজ পরীক্ষা করা হচ্ছে। পুলিশ আশা করছে, দ্রুত বিচার প্রক্রিয়া শুরু হবে এবং দোষীদের উপযুক্ত শাস্তি নিশ্চিত হবে। প্রসঙ্গত, গুরুগ্রাম শহরের এই ঘটনায় শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও সাধারণ মানুষ উদ্বিগ্ন। প্রশাসন ও পুলিশকে দায়িত্বশীল ভূমিকা নেওয়ার জন্য জনসাধারণের চাপ বাড়ছে। এ ঘটনায় নারীদের নিরাপত্তা ও সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন মহলেও আলোচনার শুরু হয়েছে।

ছবি: প্রতীকী 

আরও পড়ুন : Blueberry vs Black Grapes | ব্লুবেরি না কালো আঙুর? দেখে নিন কোন ফল আপনাকে বেশি উপকার দেবে

Sasraya News
Author: Sasraya News

Leave a Comment

আরো পড়ুন