নিজস্ব প্রতিনিধি ★ হাইলাকান্দি : জানুয়ারির শেষ সন্ধ্যায় শনিবার আসামের হাইলাকান্দি জেলার ঐতিহ্যবাহী রবীন্দ্র মেলার ৪২তম বর্ষের সমাপ্তি হলো। এদিন রবীন্দ্র মেলার সাংস্কৃতিক মঞ্চে মেলার মুখপত্র স্মরণিকা উন্মোচন ও শিশু মেলায় বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

সুশান্ত মোহন চট্টোপাধ্যায় এবং তিলক রঞ্জন দাসের সঞ্চালনায় শুরুতে অতিথিদের মঞ্চে আমন্ত্রন জানিয়ে বরণের পর স্বাগত বক্তব্য রাখেন মেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক পিনাকী ভট্টাচার্য্য। এরপর মেলার মুখপত্র স্মরণিকা উন্মোচন করেন মেলা কমিটির সভাপতি তথা প্রাক্তণ মন্ত্রী গৌতম রায়। এ উপলক্ষ্যক্ষে স্মরণিকা উপ সমিতির আহ্বায়ক সুশান্ত মোহন চট্টোপাধ্যায় বলেন যে প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি প্রয়াত সন্তোষ কুমার রায় মহাশয়ের আদর্শ অনুকরণ করে প্রতি বৎসরই স্মরণিকা প্রকাশ হয়।

আসলে এই মুখপত্রের মাধ্যমেই মেলার ইতিহাস ভাবী প্রজন্মের জন্য তোলা থাকে। সভাপতি তাঁর বক্তব্যে বলেন যে মেলার সফলতা ক্রেতা, দর্শনার্থী ও বিক্রেতা সহ প্রতিটি উপ সমিতির কর্মককর্তার আন্তরিকতায় সম্ভব হয়েছে। এভাবেই মেলা সবার প্রয়াসে আগামীতেও সাফল্য লাভ করবে। হাইলাকান্দির রবীন্দ্র মেলা শুধু একটি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান নয়। মেলার লভ্যাংশ থেকে রবীন্দ্র ভবন, রবীন্দ্র সরোবর গড়ে উঠেছে। তাছাড়া কাছাড় ক্যান্সার হাসপাতালকে দশ লক্ষ টাকা ও বিভিন্ন সময়ে দুঃস্থ রোগীর চিকিৎসা সহ বিভিন্ন সংগঠনকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। কার্যকরী সভাপতি প্রাক্তণ বিধায়ক রাহুল রায় বলেন আগামীতে সবার সহযোগিতায় মেলাকে আরও সুন্দর করার প্রয়াস চালানো হবে। মেলার সফলতায় খুশি অন্যান্য বক্তারাও। বক্তাদের মধ্যে ছিলেন সহ সভাপতি হীরালাল দত্ত পুরকায়স্থ, ড০ বিধান চন্দ্র দেব, ব্যবসায়ী সংস্থার সভাপতি ভগবান দাস সারদা, সম্পাদক সুদীপ পাল, বরিষ্ঠ নাগরিক সংস্থার সভাপতি ডাঃ নারায়ণ দেবনাথ, বরিষ্ঠ নাগরিক সুকোমল পাল প্রমুখ।
তারপর শিশু মেলায় বসে আঁকো, তবলা বাদন, যেমন খুশি সাজো, রবীন্দ্র আবৃত্তি, সঙ্গীত ও নৃত্য প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের পুরস্কার ও প্রশংসা পত্র তুলে দেন মঞ্চাসীন বিশিষ্টজনেরা।সুশান্ত মোহন চট্টোপাধ্যায় কর্তৃক ধন্যবাদ জ্ঞাপনের মাধ্যমে এদিনের অনুষ্ঠান শেষ হয়।



