Tom Cruise AI comments | এআই বদলাবে সিনেমার দুনিয়া, তবু দর্শক কেন খুঁজবেন মানুষকেই! টম ক্রুজের কথায় নতুন ইঙ্গিত

SHARE:

সিনেমার পর্দায় প্রযুক্তির দাপট যত বাড়ছে, ততই উঠছে একটি প্রশ্ন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কি এক দিন মানুষের তৈরি অভিনয়, আবেগ এবং সৃষ্টিশীলতার জায়গা নিয়ে নেবে? হলিউডে এই প্রশ্ন ঘিরে আলোচনা ইতিমধ্যেই তীব্র। এআই দিয়ে দৃশ্য তৈরি থেকে শুরু করে চরিত্রের মুখ বদলে দেওয়া, কণ্ঠস্বরের ব্যবহার কিংবা পোস্ট-প্রোডাকশনের কাজ, সিনেমা তৈরির নানা স্তরে প্রযুক্তির উপস্থিতি বাড়ছে। সেই আবহেই এ বার নিজের মত জানালেন হলিউডের অন্যতম পরিচিত মুখ টম ক্রুজ (Tom Cruise)। তাঁর বক্তব্যে প্রযুক্তির ভবিষ্যৎ নিয়ে অস্বীকারের সুর নেই, কিন্তু এআই যে চলচ্চিত্র জগতে আরও প্রবেশ করবে, তা মেনে নিয়েই তিনি জোর দিয়েছেন মানুষের তৈরি বাস্তব অভিজ্ঞতার উপর। লন্ডনে ব্রিটিশ অ্যাকাডেমি অব ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন আর্টস (BAFTA)-এর ‘A Life in Pictures’ অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন টম ক্রুজ।

শোভনা মাইতি, সাশ্রয় নিউজ ডেস্ক ★ লন্ডন: সিনেমার পর্দায় প্রযুক্তির দাপট যত বাড়ছে, ততই উঠছে একটি প্রশ্ন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কি এক দিন মানুষের তৈরি অভিনয়, আবেগ এবং সৃষ্টিশীলতার জায়গা নিয়ে নেবে? হলিউডে এই প্রশ্ন ঘিরে আলোচনা ইতিমধ্যেই তীব্র। এআই দিয়ে দৃশ্য তৈরি থেকে শুরু করে চরিত্রের মুখ বদলে দেওয়া, কণ্ঠস্বরের ব্যবহার কিংবা পোস্ট-প্রোডাকশনের কাজ, সিনেমা তৈরির নানা স্তরে প্রযুক্তির উপস্থিতি বাড়ছে। সেই আবহেই এ বার নিজের মত জানালেন হলিউডের অন্যতম পরিচিত মুখ টম ক্রুজ (Tom Cruise)। তাঁর বক্তব্যে প্রযুক্তির ভবিষ্যৎ নিয়ে অস্বীকারের সুর নেই, কিন্তু এআই যে চলচ্চিত্র জগতে আরও প্রবেশ করবে, তা মেনে নিয়েই তিনি জোর দিয়েছেন মানুষের তৈরি বাস্তব অভিজ্ঞতার উপর। লন্ডনে ব্রিটিশ অ্যাকাডেমি অব ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন আর্টস (BAFTA)-এর ‘A Life in Pictures’ অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন টম ক্রুজ। ২১ সেপ্টেম্বরের ওই অনুষ্ঠানে চার দশকেরও বেশি সময়ের অভিনয়জীবন ফিরে দেখার পাশাপাশি ভবিষ্যতের সিনেমা নিয়েও তিনি কথা বলেন। তাঁর কেরিয়ারে ৪৭টি ছবির প্রসঙ্গ উঠে আসে। ‘রিস্কি বিজনেস’ (Risky Business), ‘টপ গান’ (Top Gun), ‘জেরি ম্যাগুয়ার’ (Jerry Maguire), ‘ম্যাগনোলিয়া’ (Magnolia), ‘কল্যাটেরাল’ (Collateral) থেকে ‘মিশন: ইমপসিবল’ (Mission: Impossible) সহ বিভিন্ন সময়ের গুরুত্বপূর্ণ কাজের স্মৃতির পাশাপাশি আলোচনায় আসে তাঁর নতুন ছবি ‘ডিগার’ (Digger)।

সিনেমার পর্দায় প্রযুক্তির দাপট যত বাড়ছে, ততই উঠছে একটি প্রশ্ন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কি এক দিন মানুষের তৈরি অভিনয়, আবেগ এবং সৃষ্টিশীলতার জায়গা নিয়ে নেবে? হলিউডে এই প্রশ্ন ঘিরে আলোচনা ইতিমধ্যেই তীব্র। এআই দিয়ে দৃশ্য তৈরি থেকে শুরু করে চরিত্রের মুখ বদলে দেওয়া, কণ্ঠস্বরের ব্যবহার কিংবা পোস্ট-প্রোডাকশনের কাজ, সিনেমা তৈরির নানা স্তরে প্রযুক্তির উপস্থিতি বাড়ছে। সেই আবহেই এ বার নিজের মত জানালেন হলিউডের অন্যতম পরিচিত মুখ টম ক্রুজ (Tom Cruise)। তাঁর বক্তব্যে প্রযুক্তির ভবিষ্যৎ নিয়ে অস্বীকারের সুর নেই, কিন্তু এআই যে চলচ্চিত্র জগতে আরও প্রবেশ করবে, তা মেনে নিয়েই তিনি জোর দিয়েছেন মানুষের তৈরি বাস্তব অভিজ্ঞতার উপর। লন্ডনে ব্রিটিশ অ্যাকাডেমি অব ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন আর্টস (BAFTA)-এর ‘A Life in Pictures’ অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন টম ক্রুজ।
সিনেমার দুনিয়া, তবু দর্শক কেন খুঁজবেন মানুষকেই! টম ক্রুজের কথায় নতুন ইঙ্গিত! ছবি: সংগৃহীত

আরও পড়ুন : Justin Sun Jing Tian controversy, 4.5 million dollar bride fee | একদিকে হলিউডের পরিচিত মুখ, অন্যদিকে ক্রিপ্টো বিলিয়নেয়ার, দু’জনকে ঘিরে ৪৫ লক্ষ ডলারের চর্চা

এআই নিয়ে প্রশ্ন করা হলে টম ক্রুজের বক্তব্য ছিল, প্রযুক্তির এই পরিবর্তন ঠেকিয়ে রাখা যাবে না। তাঁর কথায়, এআই আসছে এবং চলচ্চিত্রে তার ব্যবহারও বাড়বে। কিন্তু সেই পরিবর্তনের মধ্যেও মানুষের তৈরি কাজের প্রয়োজন ফুরিয়ে যাবে না। দর্শকের কাছে সিনেমার আকর্ষণ শুধু প্রযুক্তির চমকে আটকে নেই। পর্দায় মানুষের উপস্থিতি, বাস্তব অনুভূতি এবং অভিনয়ের স্বাভাবিকতা এখনও গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর বক্তব্যের সারকথা ছিল, প্রযুক্তি এগোলেও দর্শক ‘সত্যিকারের’ অভিজ্ঞতা দেখতে চান। টম ক্রুজের এই অবস্থানের সঙ্গে তাঁর দীর্ঘ অভিনয়জীবনের কিছুটা যোগও রয়েছে। বিশেষ করে অ্যাকশন ছবিতে বাস্তব স্টান্ট করার জন্য তিনি বহু বছর ধরে পরিচিত। ‘মিশন: ইমপসিবল’ সিরিজের বিভিন্ন ছবিতে বিপজ্জনক দৃশ্যের শুটিংয়ে নিজেই অংশ নিয়েছেন তিনি। ফলে সিনেমায় প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়লেও শারীরিক অভিনয় এবং বাস্তব দৃশ্যের গুরুত্ব নিয়ে তাঁর বক্তব্য আলাদা করে নজর কেড়েছে।

উল্লেখ্য, টম ক্রুজ প্রযুক্তির বিরোধিতা করছেন, এমনটা তাঁর বক্তব্য থেকে বলা যায় না। তাঁর কথায় রয়েছে পরিবর্তনকে মেনে নেওয়ার পাশাপাশি সৃষ্টিশীল কাজ চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান। এআই চলচ্চিত্র তৈরির পদ্ধতিতে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে, কিন্তু সেই প্রযুক্তির সঙ্গে মানুষের সৃষ্টিশীলতার সম্পর্ক কী হবে, সেটিই ভবিষ্যতের বড় প্রশ্ন। টমের বক্তব্যে সেই জায়গাটিই উঠে এসেছে। তাঁর মতে, সিনেমা তৈরির মূল শক্তি শেষ পর্যন্ত মানুষের সৃষ্টিশীলতা এবং মানুষের সঙ্গে মানুষের সংযোগে। প্রেক্ষাগৃহে ছবি দেখার অভিজ্ঞতা নিয়েও একই অনুষ্ঠানে নিজের অবস্থান জানান টম। ওটিটি প্ল্যাটফর্মে ছবি বা সিরিজ দেখারও তিনি বিরোধিতা করেননি। কিন্তু তাঁর মতে, বাড়িতে বসে কোনও ছবি দেখা এবং বড়পর্দায় বহু মানুষের সঙ্গে একসঙ্গে ছবি দেখার অনুভূতি এক নয়। সিনেমা হলের অভিজ্ঞতাকে তিনি আলাদা একটি শিল্পমাধ্যম হিসেবে দেখেন। দর্শকের সম্মিলিত প্রতিক্রিয়া, বড় পর্দার শব্দ ও ছবি একই সময়ে বহু মানুষের সঙ্গে একটি গল্পের মধ্যে প্রবেশ করার অভিজ্ঞতাকে টম ক্রুজ চলচ্চিত্রের গুরুত্বপূর্ণ অংশ বলে মনে করেন।

আরও পড়ুন : Mallika Sherawat Tom Cruise Relationship | ‘ফোন থাকলে ভিডিয়ো দেখাতে পারি’, টম ক্রুজ়ের সঙ্গে পার্টির দাবি মল্লিকা শেরাওয়াতের! সত্যিই কি হলিউড তারকার সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা?

এই বক্তব্যের সময় টম সাম্প্রতিক সিনেমার ব্যবসার দিকও টেনে আনেন। তাঁর মতে, দর্শকের মধ্যে প্রেক্ষাগৃহে ফিরে গিয়ে ছবি দেখার আগ্রহ এখনও রয়েছে। ফলে স্ট্রিমিং এবং এআইয়ের মতো প্রযুক্তিগত পরিবর্তন সত্ত্বেও সিনেমা হলের ভবিষ্যৎ নিয়ে তিনি আশাবাদী। তাঁর বক্তব্যে একটি বিষয় বার বার ফিরে এসেছে, প্রযুক্তি বদলাতে পারে সিনেমা তৈরির পদ্ধতি, কিন্তু দর্শকের সঙ্গে ছবির আবেগের সম্পর্ক একেবারে অন্য জায়গায় দাঁড়িয়ে। টম ক্রুজের এই বক্তব্য এমন এক সময়ে এল, যখন হলিউডে এআই নিয়ে বিতর্ক আরও জোরালো হচ্ছে। সিনেমার বিভিন্ন কাজে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার বাড়ছে। একই সঙ্গে অভিনেতা, লেখক, শিল্পী ও অন্যান্য সৃষ্টিশীল কর্মীদের কাজের ভবিষ্যৎ নিয়েও নানা প্রশ্ন উঠছে। প্রযুক্তির সাহায্যে যদি মানুষের কাজ দ্রুত এবং কম খরচে করা যায়, তা হলে সৃষ্টিশীল পেশার ক্ষেত্রে তার দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব কী হবে? এই প্রশ্ন এখন চলচ্চিত্রশিল্পের আলোচনার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। টম অবশ্য সেই বিতর্কে কোনও চূড়ান্ত উত্তর না দিয়ে মানুষের তৈরি কাজ চালিয়ে যাওয়ার কথাই বলেছেন।

এদিকে টম ক্রুজের নিজের পরবর্তী ছবি ‘ডিগার’ নিয়েও হলিউডে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। ছবিটি পরিচালনা করেছেন অস্কারজয়ী পরিচালক আলেহান্দ্রো গনসালেস ইন্যারিতু (Alejandro González Inarritu)। ‘দ্য রেভেন্যান্ট’ (The Revenant), ‘বার্ডম্যান’ (Birdman), ‘বাবেল’ (Babel) -এর মতো ছবির জন্য পরিচিত এই পরিচালকের সঙ্গে টমের এটি প্রথম কাজ। ‘ডিগার’ ইন্যারিতুর নতুন ধরনের একটি কাজ, আর ছবিতে টমকে এমন এক চরিত্রে দেখা যাবে, যা তাঁর আগের অনেক চরিত্রের তুলনায় আলাদা। ছবিতে টম অভিনয় করেছেন ডিগার রকওয়েল (Digger Rockwell) চরিত্রে। ছবির বিবরণ অনুযায়ী, তিনি ক্ষমতাবান একজন তেল ব্যবসায়ী, তিনি নিজেজনর তৈরি বিপর্যয়ের পর পরিস্থিতি সামাল দিয়ে নিজেকে মানবজাতির রক্ষাকর্তা হিসেবে প্রমাণ করার মরিয়া চেষ্টা করেন। তাঁর কর্মকাণ্ডের পরিণতি ভয়াবহ বিপদের দিকে গড়ায়। ছবির গল্পে ক্ষমতা, বিপর্যয় এবং মানুষের তৈরি সংকটের বিষয় উঠে এসেছে। ‘ডিগার’-এ টমের চেহারাতেও এসেছে বড় পরিবর্তন। চরিত্রটির জন্য প্রস্থেটিক মেকআপ আর বিশেষ পোশাক ব্যবহারের কথা জানিয়েছেন অভিনেতা। একটি সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, এই চরিত্রের প্রস্তুতিতে মেকআপ ও প্রস্থেটিক প্রয়োগে প্রায় ছয় ঘণ্টা পর্যন্ত সময় লাগত। অর্থাৎ, পর্দায় চরিত্রটিকে বিশ্বাসযোগ্য করে তুলতে এখনও মানুষের হাতে তৈরি মেকআপ, পোশাক এবং অভিনয়ের উপরই নির্ভর করতে হয়েছে।

আরও পড়ুন : Elon Musk Partner Indian Origin | মাস্ক জানালেন তাঁর সঙ্গিনীর শিকড় ভারতে, ‘ইন্ডিয়ান অরিজিন’ পরিচয় ঘিরে আলোচনা তুঙ্গে

ছবিটি নিয়ে টম নিজেও যথেষ্ট উৎসাহী। BAFTA -এর অনুষ্ঠানে তিনি ‘ডিগার’-এর চিত্রনাট্য সম্পর্কে উচ্চ প্রশংসা করেন এবং জানান, এমন চরিত্র বা ছবি আগে পড়েননি। তাঁর মতে, ছবিটির চরিত্র এবং গল্প তাঁকে অভিনয়ের নতুন জায়গায় নিয়ে গিয়েছে। ‘ডিগার’-এ টমের সঙ্গে রয়েছেন রিজ আহমেদ (Riz Ahmed), জন গুডম্যান (John Goodman), স্যান্ড্রা হুলার (Sandra Hüller), মাইকেল স্টুলবার্গ (Michael Stuhlbarg) ও জেসি প্লেমনস (Jesse Plemons)। ছবিটি ২ অক্টোবর ২০২৬ থেকে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়ার কথা। উত্তর আমেরিকায় Warner Bros. Pictures-এর মাধ্যমে ছবিটির মুক্তি হবে, পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারেও সেপ্টেম্বরের শেষ দিনগুলি থেকে প্রদর্শন শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। অন্যদিকে, টমের এআই মন্তব্যের সঙ্গে তাঁর নতুন ছবির সময়কালও তাই তাৎপর্যপূর্ণ।

আরও পড়ুন : AI Pregnancy | AI প্রযুক্তিতে মা হওয়ার স্বপ্নপূরণ, ২০ বছরের পরিশ্রমে শেষমেশ ফুটল হাসি

এক দিকে সিনেমা তৈরিতে প্রযুক্তির ব্যবহার দ্রুত বাড়ছে, অন্য দিকে তিনি এমন একটি ছবি নিয়ে দর্শকের সামনে হাজির হচ্ছেন যেখানে অভিনয়, প্রস্থেটিক মেকআপ, ক্যামেরার কাজ ও পরিচালকের নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে। ফলে এআই নিয়ে তাঁর বক্তব্যকে কেবল প্রযুক্তি-বিষয়ক মন্তব্য হিসেবে দেখলে ছবির বৃহত্তর প্রেক্ষাপটটি বাদ পড়ে যায়। টম ক্রুজের বক্তব্যে মূলত উঠে এসেছে সিনেমার ভবিষ্যৎ নিয়ে তাঁর আস্থা। প্রযুক্তি আসবে, নতুন পদ্ধতি তৈরি হবে, সিনেমা তৈরির ধরন বদলাবে, কিন্তু দর্শক যে মানুষের তৈরি গল্প এবং বাস্তব অভিনয়ের সঙ্গে নিজেদের যুক্ত করতে চান, সেই বিশ্বাস থেকেই তিনি সৃষ্টিশীল মানুষদের কাজ চালিয়ে যাওয়ার কথা বলেছেন। তাঁর কথায়, পরিবর্তনের সঙ্গে লড়াই করার চেয়ে নতুন বাস্তবতায় নিজেদের সৃষ্টিশীলতা ধরে রাখাই গুরুত্বপূর্ণ। হলিউডে এআই নিয়ে বিতর্ক কোথায় গিয়ে থামবে, তার উত্তর এখনই নেই। কিন্তু টম ক্রুজের সাম্প্রতিক মন্তব্য একটি বিষয় সামনে এনে দিয়েছে, প্রযুক্তি যতই এগোক, সিনেমা শুধু প্রযুক্তির প্রদর্শন নয়। পর্দার ওপারে বসে থাকা দর্শক গল্পের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করতে চান, চরিত্রের আবেগ অনুভব করতে চান এবং অভিনেতার অভিনয়ের মধ্যে মানুষকে খুঁজে নিতে চান। সেই জায়গাটিই হয়তো আগামী দিনের সিনেমায় প্রযুক্তি ও মানুষের সহাবস্থানের সবচেয়ে বড় পরীক্ষা হয়ে উঠবে।

ছবি : সংগৃহীত
আরও পড়ুন : Sonakshi Sinha Nepotism Ad | ‘সোনার চামচ মুখে নিয়েই জন্ম!’ নেপোটিজম বিতর্ককে বিদ্রুপ করে ভাইরাল সোনাক্ষী সিনহা, বলিউডে নতুন আলোচনার ঝড়

Sasraya News
Author: Sasraya News

আরো পড়ুন