ISF কর্মী খুনের ঘটনায় আরাবুল সহ ২০ জনের বিরুদ্ধে পুলিশের মামলা
সাশ্রয় নিউজ ★ কলকাতা : নমিনেশন জমা ঘিরে রাজ্যে সব থেকে বেশি উত্তপ্ত হয় দক্ষিণ চব্বিশ পরগণার ভাঙড়। খুন হন একজন আইএসএফ কর্মী। শাসকদলের ভাঙড়ের নেতা আরাবুল ইসলাম সহ ২০ জনের বিরুদ্ধে আইএসএফ কর্মী খুনের অভিযোগে মামলা পুলিশের। উল্লেখ যে, আরাবুল-পুত্র হাকিমুলের বিরুদ্ধেও খুনের মামলা পুলিশের পক্ষ থেকে রুজু হয়। উল্লেখ যে, আইএসএফ নেতা মহীউদ্দীন-এর বাবার অভিযোগের ভিত্তিতেই পুলিশ আরাবুল ইসলাম, তাঁর ছেলে হাকিমুল সহ মোট ২০ জনের বিরুদ্ধে মামলা শুরু করে বলে উল্লেখ। গত শুক্রবার, রাজ্যের রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস ভাঙড়ে যান। সেখানে তাঁর নিরাপত্তায় থাকা নিরাপত্তারক্ষীরা ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়ে থাকা বোমা উদ্ধার করেন বলে উল্লেখ। রাজ্যপাল বোস বিবৃতি দেন যে, ‘কাউকেই, তারা যতই উচ্চ ও পরাক্রমশালী বলে নিজেদের মনে করুক না কেন, আইন হাতে তুলে নিতে দেওয়া হবে না। মাননীয় কলকাতা হাইকোর্ট দ্ব্যর্থহীন ভাষায় সংশ্লিষ্ট সকলকে তাদের দায়িত্ব পালন করতে নির্দেশ জারি করেছে।আদালতের রায় অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করা হবে। কোনও অবস্থাতেই গণতন্ত্রকে স্তব্ধ করার অনুমতি দেওয়া হবে না। অন্ধকারের শক্তিকে বোঝাতে হবে যে এটি প্রতিশ্রুতি নয়, বাংলার নীরব সংখ্যাগরিষ্ঠের দৃঢ় অঙ্গীকার। অপশক্তির বিরুদ্ধে অধিকার রক্ষার এই যুদ্ধে , অধিকারের জয় হওয়া উচিত, অধিকারের জয় হবে।’ তিনি বলেন, ‘গণতন্ত্রে জনগণই প্রভু, নির্ভয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করা তাদের অবিচ্ছেদ্য অধিকার। গণতান্ত্রিক নির্বাচনে হিংসার কোনও স্থান নেই। যে কোনও মূল্যে সহিংসতা নির্মূল করা হবে এবং হিংসা এই পঞ্চায়েত নির্বাচনেরপ্র থম বলি হবে।’ এখনেই থেমে থাকেননি রাজ্যের রাজ্যপাল। তিনি আরও বলেন, ‘বাংলায় প্রাক-নির্বাচনে মৃতের সংখ্যা বাড়ছে শুনে মর্মাহত। নির্বাচনে বিজয় মৃতদেহ গণনার উপর নয়, ভোট গণনার উপর নির্ভর করা উচিত। আমাদের সংবিধান আক্রমণের মুখে। শয়তানের এই খেলা শেষ হওয়া উচিত। শেষ হবে, শেষের শুরুটা হবে পশ্চিমবঙ্গে।’
-ফাইল চিত্র




