পশ্চিমবঙ্গের ভোট রাজনীতি : নবান্নে ফুটল পদ্মফুল

SHARE:

২০২১ এবং ২০২৪ সালে নির্বাচনে ভয় ভীতি সন্ত্রাসের পরিবেশ সৃষ্টি করে মানুষকে ভোট দানে বাধা এবং গণনার কারচুপি করে ক্ষমতায় টিকে থেকে দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দিয়ে গেছে এই শাসক তৃণমূল কংগ্রেস তথা সুপ্রিমো মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি এবং তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক ও সাংসদ অভিষেক ব্যানার্জি। ২০২২ সালে পৌর নির্বাচন এবং ২০২৩ সালে পঞ্চায়েত নির্বাচন শাসকের দাঁত বের করা রূপ পুরোপুরি জনসমক্ষে চলে আসে। লিখেছেন: অগ্নি প্রতাপ 
ছবি : প্রতীকী ও সংগৃহীত

ভোট পর্ব – ১১

অগ্নি প্রতাপ : শুরু হয়েছিল ২০১১ সালে বদলা নয় বদল চাই বলে। হ্যাঁ ঠিকই তখন পশ্চিমবঙ্গবাসী সবাই চেয়েছিল ৩৪ বছরের লাল জামানা ছেড়ে বেরিয়ে আসতে আসলে সাধারণ মানুষ অনেক আগেই এই পরিবর্তনে ইঙ্গিত দিয়েছিল কিন্তু সেই সময় না ছিল উন্নত প্রযুক্তি আর না ছিল বিরোধীদের মজবুত সংগঠন যা গণতন্ত্রকে বাক্সবন্দী করতে পারে। জাতীয় কংগ্রেস এবং তৃণমূল কংগ্রেস জোট বেঁধে ২০১১ সালে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার নির্বাচনে লড়াই করে। ২০১১ বিধানসভা নির্বাচন ছিল পশ্চিমবঙ্গের ইতিহাসে একটি যুগান্তকারী ঘটনা।২৯৪টি আসনের মধ্যে জাতীয় কংগ্রেস ও তৃণমূল কংগ্রেস জোট ২২৭টি আসনে জয়লাভ করে এবং পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের প্রথম নারী মুখ্যমন্ত্রী হন মমতা ব্যানার্জি।তৃণমূল কংগ্রেস ১৮৪টি, জাতীয় কংগ্রেস ৪২টি এবং বামফ্রন্ট ও অন্যান্য মাত্র ৬২টি আসন পায়।মমতা ব্যানার্জির নেতৃত্বে পরিবর্তনের ডাক দিয়ে এই ৩৪ বছরের অপশাসন সম্ভব হয়। ২০১১ বিধানসভা নির্বাচনে প্রায় ৮৪.৬ শতাংশ ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছিলেন।এই নির্বাচনে সব থেকে বড় প্রভাব ফেলে নন্দীগ্রাম ও সিঙ্গুর আন্দোলন।সাধারণ মানুষের বিপুল জনসমর্থন জাতীয় কংগ্রেস ও তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষে রায় যায়।

আরও পড়ুন : Suvendu Adhikari Nandigram Win, WB Election 2026 BJP Lead: নন্দীগ্রামে আবার ‘জায়ান্ট কিলার’! ১৭ হাজারের লিডে শুভেন্দুর দাপট, বাংলার রাজনীতিতে বড় বার্তা (Nandigram Election Result 2026)

২০১১ সাল থেকে আজ ২০২৬ সাল দীর্ঘ ১৫ বছর সাক্ষী থাকলো বলা ভালো এমন এক ইতিহাস যা আগামী প্রজন্মকে বারংবার আঘাত করবে মানুষের আস্থা ভরসা কীভাবে পদদলিত করে একটি অসভ্য ও বর্বর দুর্নীতির আখড়া রাজনৈতিক দল যার নাম তৃণমূল কংগ্রেস আর যার নেত্রী স্বয়ং মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। দীর্ঘ এই ১৫ বছর শাসনকালে সাধারণ মানুষ নিজের বাক স্বাধীনতা পর্যন্ত হারিয়েছিল। এমন কোন দুর্নীতি হয়নি বলা ভালো শুধু চুরি নয় ডাকাতি বললেও কম হবে। প্রতিটি ক্ষেত্রে পরিসেবার নামে সাধারন মানুষকে দিতে হতো পারিশ্রমিক হ্যাঁ ঠিকই যারা নিতেন তারাও বলতেন এটা না দিলে ওরা কাজ করবে না। সামান্য ভাতার জন্য দিতে হতো মানুষকে মূল্য। আসলে এই রাজনৈতিক দলটা এসেই ছিল একটা উদ্দেশ্য নিয়ে আর সেটা হচ্ছে একবার ক্ষমতা দখল করলে কিভাবে জোর করে ক্ষমতা দখল ধরে রেখে সামান্য কিছু ভাতার বিনিময়ে মানুষের মুখ বন্ধ করে চলতে পারে ছত্রে ছত্রে লুটপাট। পেশাদারিত্ব এতটাই ছিল যে দলীয় যে কোন পদেই হোক বা নির্বাচনের প্রার্থী বিপুল অর্থের বিনিময়ে সিলমোহর দেওয়া হতো। একটাই নীতি Give And Take অর্থাৎ দাও এবং নাও। আর এখান থেকেই শুরু হয় সাধারণ মানুষ থেকে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান সকলেই এই আওতায় আস্তে আস্তে চলে আসে। যাদেরই মাথায় শাসক তৃণমূল কংগ্রেসের হাত নিশ্চিত তাদের সম্পূর্ণ মেয়াদে কোটিপতি। তাইতো প্রাক্তন মন্ত্রী এবং দলের বিধায়ক মদন মিত্র একটি সাক্ষাৎকার এ খোলাখুলি মন্ত্রী হওয়ার জন্য কোটি কোটি টাকার কথা উল্লেখ করেন। এমনকি তৃণমূল সুপ্রিম মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে স্বীকার করেছিলেন কোন তৃণমূল কংগ্রেস নেতা,কর্মী কি অন্যায় কাজ করছেন তা তিনি সব খবর রাখেন সাথে সাথে তিনি বার্তা দেন যা করছেন করুন কিন্তু পুকুর চুরি করবেন না। এর থেকেই স্পষ্ট কতটা অসভ্য এবং বর্বর প্রকৃতির হলেই একজন সাংবিধানিক পদে অধিষ্ঠিত থেকে অসাংবিধানিক মন্তব্য বা কাজকর্ম পরিচালন করা যায়। শুধু তাই নয় বারংবার শাসক শীর্ষ নেতা,মন্ত্রী, কর্মী চূড়ান্ত দুর্নীতি করার পরও দলীয়ভাবে কোন রূপ ব্যবস্থা গ্রহণের সদিচ্ছা কোনদিনই দেখা যায়নি। ২০২১ সালের আগে পর্যন্ত সাধারণ মানুষ যতই তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ আনলে তা কখনোই সেরকম ভাবে বিশ্বাস করতে পারেননি। ২০২০ সালে বর্তমান বিরোধী দলনেতা তৃণমূল কংগ্রেস ত্যাগ করার পর এবং ২০২১ নির্বাচনের সময় আস্তে আস্তে দলীয় কর্মী থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ এই সমস্ত ব্যাপক দুর্নীতি যে হয়েছে তা পরিষ্কার হতে থাকে। প্রাকৃতিক সম্পদ (কয়লা, বালি) থেকে বেশিরভাগ সামাজিক প্রকল্প, শিক্ষাক্ষেত্রে মিড ডে মিল কেলেঙ্কারি থেকে চাকরি চুরি, আবাস যোজনা থেকে ১০০ দিনের কাজে দুর্নীতি, ভাগাড় কান্ড থেকে গরু পাচার, জমির শ্রেণী পরিবর্তন থেকে জমি কেলেঙ্কারি, রেশন দুর্নীতি থেকে চিটফান্ড কেলেঙ্কারি, সেচ দপ্তর থেকে বনদপ্তর বহু ক্ষেত্রে সরকারি নিয়ম মেনে টেন্ডার করে কাজ না করে আর্থিক তছুরুপ, ভয় দেখিয়ে বলপূর্বক জমি দখল, আর জি কর হাসপাতালে মহিলা ডাক্তার কে ধর্ষণ ও হত্যা করে তথ্য প্রমাণ্য লোপাট এছাড়াও বিভিন্ন ক্ষেত্রে তোলাবাজি সরাসরি শাসক তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা,মন্ত্রী থেকে কর্মী ৭৫ আর ২৫ এর ভাগ সাধারণ মানুষের সামনে চলে আসে।

২০২১ এবং ২০২৪ সালে নির্বাচনে ভয় ভীতি সন্ত্রাসের পরিবেশ সৃষ্টি করে মানুষকে ভোট দানে বাধা এবং গণনার কারচুপি করে ক্ষমতায় টিকে থেকে দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দিয়ে গেছে এই শাসক তৃণমূল কংগ্রেস তথা সুপ্রিমো মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি এবং তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক ও সাংসদ অভিষেক ব্যানার্জি। ২০২২ সালে পৌর নির্বাচন এবং ২০২৩ সালে পঞ্চায়েত নির্বাচন শাসকের দাঁত বের করা রূপ পুরোপুরি জনসমক্ষে চলে আসে। যা দেখে সাধারণ মানুষ ২০২১ সালে যা সম্ভব হয়নি ২০২৪ সালে পরিবর্তনের চেষ্টা করলে ভয়-ভীতি সন্ত্রাসের পরিবেশের ফলে ভোটদানে বাধা এবং গণনায় কারচুপির ফলে মানুষের রায়ের প্রতিফলন সম্ভব হয়নি আর এর জন্য শাসকের দলদাসের ভূমিকা পালন করেছিল কিছু উচ্চপদস্থ প্রশাসনিক ব্যক্তিবর্গ। কিন্তু ২০২৫ সালে পাক নির্বাচনী SIR অর্থাৎ বিশেষ নিবিড় সংশোধন নিয়ে বর্তমান নির্বাচন কমিশন এবং শাসক তৃণমূল কংগ্রেসের মধ্যে তীব্র থেকে তীব্রতর সংঘাতে পরিণত হয়। তৃণমূল কংগ্রেসের আবেদনে আদালতের হস্তক্ষেপে শুরু হয় বিশেষ নিবিড় সংশোধন যা কালিয়াচক মোথাবাড়ি কাণ্ডে বিচারকদের ওপর প্রাণঘাতী আক্রমণ এবং একজন মহিলা বিচারকের কাতর আর্তনাদ যা শুধু পশ্চিমবঙ্গবাসী নয় সমগ্র ভারতবাসী কে নাড়িয়ে দেয়। শীর্ষ আদালত পর্যন্ত স্তম্বিত হয়ে যায়।

এর আগে মালদা, মুর্শিদাবাদ, সন্দেশখালি এ ছাড়াও বহু জায়গায় বারংবার বিরোধীদের বিশেষ করে বাঙালি এবং হিন্দুদের উপর যে নির্মম নির্যাতন শাসক তৃণমূল কংগ্রেসের মদত পুষ্ট দুধেল গাই অর্থাৎ একটি বিশেষ সংখ্যালঘু সম্প্রদায় সরাসরি যোগ ১০০ শতাংশ যা সাধারন বাঙালি হিন্দু সমাজ কে ভাবিয়ে তোলে। পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনকে ঘিরে নির্বাচন কমিশনের কাছে চ্যালেঞ্জ ছিল এবারের নির্বাচন হবে ভয় মুক্ত, ছাপ্পা মুক্ত, হিংসা মুক্ত, অবাধ এবং শান্তিপূর্ণ যা এক কথায় ৯৯ শতাংশ নিশ্চিত করা গেছে। নির্বাচনকে ঘিরে মানুষের আস্থা ভরসা নির্বাচন কমিশন দ্বারা অর্জন করার ফলে ২০২৬ পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন যুগান্তকারী ইতিহাস সৃষ্টিকারী সাধারণ মানুষ বাড়ি থেকে বেরিয়ে তীব্র ঘৃণা এবং একরাশ ক্ষোভ নিয়ে শাসক তৃণমূল কংগ্রেসকে সমূলে উচ্ছেদ করতে ভোটদানে অংশগ্রহণ করেন।যেখানে দুই দফায় এবং পোস্টাল ব্যালট যোগ করে কমবেশি ৯৪ শতাংশ ভোট দানের হার তৃণমূল কংগ্রেস যথেষ্ট হতাশ এবং আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়ে। এতদিন যেভাবে শাসক তৃণমূল কংগ্রেস তাদের দলদাস প্রশাসনিক ব্যক্তি দ্বারা যে ছলে,বলে, কৌশলে ভোট বৈতরণী পার করেছে তা স্ট্র্যাটেজি মতো কাজ না করার ফলে পরাজয়ের সম্পূর্ণ দায়ভার ইভিএম কেলেঙ্কারি থেকে গণনা কারচুপির দায় সম্পূর্ণ নির্বাচন কমিশনের ওপর চাপিয়ে শাসক নিজেদের পরাজয় ঝেড়ে ফেলতে চেয়েছে।

ফলস্বরপ আজ ৪ মে ২০২৬ পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন ফল গণনায় এক ইতিহাস সৃষ্টিকারী স্বৈরাচারী শাসন ব্যবস্থাকে ভেঙ্গে চুরমার করে ২৯৪ টি আসনের মধ্যে ২৯৩ টি আসনের ফলাফল এখনো পর্যন্ত পাওয়া খবরে ভারতীয় জনতা পার্টি ২০৫ টি এবং তৃণমূল কংগ্রেস ৮২ টি অন্যান্য ৬ টি প্রায় জয়ের পথ প্রশস্ত করেছে। ডজনখানেক মন্ত্রিসহ তৃণমূল কংগ্রেসের হেভিওয়েট নেতৃত্বের পরাজয় শিকার এই নির্বাচন সাক্ষী থাকলো। এখনও পর্যন্ত খবর অনুযায়ী তৃণমূল সুপ্রিমো মাননীয়া মমতা ব্যানার্জি কিছু সামান্য ব্যবধানে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী থেকে এগিয়ে আসে যা যে কোনও সময় অঘটন ঘটতে পারে। তবে এই নির্বাচন একটি আলাদা মাত্রা যোগ করেছে যেখানে মুখ্যমন্ত্রী এবং বিরোধী দলনেতা একে অপরের প্রতিযোগী হিসেবে সম্মুখ সমাজ। যা আজ পর্যন্ত ভারতবর্ষের ইতিহাসে দেখা মিলে নাই। বিগত দিনগুলোতে আমাদের প্রতিবেদনে বারংবার উল্লেখ করা হয়েছিল SIR নিয়ে শুধুমাত্র তৃণমূল কংগ্রেস এবং একটি বিশেষ সম্প্রদায় ছাড়া কখনোই কারোর আপত্তি ছিল না। আজ তা অক্ষরে অক্ষরে প্রমাণ হয়ে গেল রাষ্ট্রবাদী মানুষ রাষ্ট্রের হিতে একমুখী ভোট দান করেছেন যা এক নজিরবিহীন। একদিকে লাগাম ছাড়া দুর্নীতি অন্যদিকে রাষ্ট্রের নিরাপত্তা বলা ভালো সাধারন মানুষের অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই। মূলত এই দুটি কারণকে সামনে রেখে কমবেশি প্রায় ৯৪ শতাংশ ভোট দানের হার যা শাসক তৃণমূল কংগ্রেসকে ক্ষমতা থেকে নির্মূল করার জন্য নির্বাচন কমিশন দ্বারা আস্থা ও ভরসা কে সম্পূর্ণ কাজে লাগিয়ে উৎখাত করতে উদ্যোগী হয়েছিলেন। আজ সারা বাংলা গেরুয়া ঝড়ের কাছে এই দুর্নীতি পরায়ণ, তোলাবাজ স্বৈরাচারী সরকার ভেঙে চুরে ছিন্নভিন্ন হয়ে যায়। এই জয় সমস্ত মানুষের জয়। আজ মানুষের চোখে এক নতুন সূর্য উদয়ের দিন।

আসলে কি যখন কেউ অপরাধ করে তখন সে ভুলে যায় যে প্রত্যেক কর্মের কর্মফল তাকেই ভোগ করতে হবে। ইতিহাস বারবার এটাই আমাদের স্মরণ করায় যে বা যারা অত্যাচারী ইতিহাস কোনদিন কাউকে ক্ষমা করেনি আর করবেও না। ক্ষমতা পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে রাজনৈতিক দলের কাছে অনুরোধ, যাতে করে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় থাকে এবং অবশ্যই দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন, সরকারি শূন্যস্থান পূরণ, কর্মসংস্থান থেকে শুরু করে শিক্ষা,স্বাস্থ্য,বাসস্থান এবং সাধারণ মানুষের জীবিকার মানকে উন্নত করার লক্ষ্যে অবিচল থাকবেন এবং দুর্নীতির সঙ্গে যুক্তদের কঠিন কঠোর শাস্তির মাধ্যমে আইনের শাসনকে কায়েম করবেন সঙ্গে গণতন্ত্রকে পুন: প্রতিষ্ঠা। পরিশেষে একটা কথা না বললেই নয় যা কালের নিয়ম মেনে অদ্ভুতভাবে মিলে গেছে, “যতই কর হামলা জিতবে এবার বাংলা”।
হ্যাঁ প্রমাণ করে দিয়েছে, এত হামলা হয়েছে কিন্তু বাংলার জয় হয়েছে।

ছবি প্রতীকী

আরও পড়ুন : CPI(M) Election Result WB, Domkal Sagardighi Vote Trend: ডোমকল-সাগরদিঘিতে লাল সিগন্যাল! খাতা খুলতে চলেছে বামেরা? বাংলায় আশার আলো, কেরলে ধাক্কা (CPM Leads Domkal Sagardighi)

Sasraya News
Author: Sasraya News

আরো পড়ুন