পরের বছর জামাইষষ্ঠী লক্ষ্মণের
সাশ্রয় নিউজ ★ কলকাতা : সুখেই ঘর করছিলেন প্রাক্তন বাম নেতা তথা বর্তমান প্রদেশ কংগ্রেস সহ-সভাপতি লক্ষ্মণ শেঠ। কিন্তু গত ক’য়েক বছর আগে বিপত্মীক হন। গত সাত বছর একাই ছিলেন প্রাক্তন সিপিআই(এম) সাংসদ। হঠাৎ তাঁর পুনঃ বিবাহের খবর সামনে আসতেই আবার শিরোনামে হলদিয়ার ওই নেতা। লক্ষ্মণ ১৯৭৯ সালে তমালিকা পণ্ডাশেঠকে বিবাহ করেন। মহিষাদল বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক ছিলেন ২০১১ সাল পর্যন্ত। ১৯৯৭ সালে হলদিয়া পুরসভার চেয়ারপারসনের পদ সামলান। তিনবার সাংসদ হন তমলুক থেকে। ২০০৯ সালের নির্বাচনে শুভেন্দু অধিকারীর কাছে পরাচজিত হন। ২০১৪ সালে সিপিআই (এম) তাঁকে বহিষ্কার করে দল থেকে। গড়েন, নতুন দল। নাম দেন ‘ভারত নির্মাণ দল’। তমালিকাও তাঁর দলে আসেন একসময়। দুই পুত্র ও স্বামী লক্ষ্মণ শেঠকে রেখে ২০১৬ সালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তমালিকা পণ্ডাশেঠ। তিনিও সিপিআই(এম)-এর বিধায়ক ছিলেন। সামলেছেন দলের একাধিক দায়িত্বও। স্ত্রী-বিয়োগের পর সাত বছর সন্তানদের নিয়েই ছিলেন লক্ষ্মণ। সম্প্রতি তাঁর বিবাহের খবর প্রকাশ্যে আসে। সূত্রের খবর, সংবাদ মাধ্যমের কাছে তিনি স্বীকারও করেন তাঁর দ্বিতীয় বিবাহের সত্যতা। তবে তাঁর নতুন স্ত্রী কে হলেন? কোথাকার কন্যা? সে বিষয়ে লক্ষ্মণ শুধু এটুকুই জানান, রিসেপশনের দিন সব স্পষ্ট হয়ে যাবে। তবে কবে রিসেপশন হচ্ছে নবদম্পতির তা এখনও জানা যায়নি। সূত্রের খবর, কলকাতারই একটি হোটেলের উচ্চপদস্থ লক্ষ্মণ জায়া। বাড়ি ফুলবাগানে। বয়স ৪২ বছর। নেটিজেনরা সমাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মন্তব্য করেন, “চলতি বছর জামাইষষ্ঠী হয়ে গেল। সামনের বছর ৭৭ বছর বয়সী লক্ষ্মণের জামাইষষ্ঠী। তাঁকে জামাইষষ্ঠীর জন্য আরও একটি বছর অপেক্ষা করতে হবে। কি আর করা, আরও একটা বছর…!”




