কামদুনী গণধর্ষণ মামলায় সাজা আমৃত্য কারাদণ্ড ২ জনের, বেকসুর খালাস ৪ জন
সাশ্রয় নিউজ ★ কলকাতা : কামদুনী গণধর্ষণ মামলায় আজ সাজা ঘোষণা করল কলকাতা হাইকোর্ট। হাই কোর্ট আজ ওই মামলা অভিযুক্তদের কারাদণ্ডাদেশ ঘোষণা করল। আদালতের রায় শুনে আদালত চত্বরে অসুস্থ হয়ে পড়েন কামদুনিকাণ্ডে মৃতার ভাই। কান্না চেপে রাখতে পারেননি মৌসুমী কয়াল ও টুম্পা। প্রতিবাদী দুই মুখ টুম্পা ও মৌসুমী আদালতের রায় সম্পর্কে বলেন, জন দোষী, ৬ জনেরই ফাঁসি চেয়েছিলাম। ১০ বছর আন্দোলন চালিয়ে গিয়েছি।’ টুম্পা কয়াল এই মামলায় উচ্চ আদালতে যাওয়ার কথা জানান। কামদুনীকাণ্ডে মৃতা কলেজ ছাত্রীর পরিবার সূত্রে খবর, ‘আমরা চেয়েছিলাম দোষীদের যেনও দৃষ্টান্তমূলক শান্তি হোক। বারংবার মুখ্যমন্ত্রীর (CM Mamata Banerjee) কাছে চিঠি দেওয়া, মেল করা সত্ত্বেও কোনও সদুত্তর আসেনি।’
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ৭ জুন শিরোনামে আসে উত্তর চব্বিশ পরগণার কামদুনী। একজন কলেজ ছাত্রীর গণধর্ষণ ঘটনায় উত্তাল হয়ে ওঠে রাজ্য। প্রতিবাদী দুই মুখ টুম্পা কয়াল ও মৌসুমী কয়াল কামদুনী গণধর্ষণ ঘটনার দোষীদের শাস্তি চেয়ে মৃতার পরিবারকে সঙ্গে নিয়ে দীর্ঘ আন্দোলন করেন।
কামদুনীকাণ্ডে পুলিশ গ্রেফতার করেন আনসার আলি মোল্লা, সাইফুল আলি মোল্লা, ইমানুল হক, আমিনুল ইসলাম, ভোলা নস্কর, আমিন আলি। নিম্ন আদালত ফাঁসির আদেশ দিয়েছিল সাইফুল, আমিন, আনসারকে। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড-এর নির্দেশ দিয়েছিলেন ইমানুর হক, ভোলা নস্কার ও আমিনুল ইসলামকে।
হাইকোর্ট, আনসার আলি মোল্লা ও সাইফুল আলি মোল্লাকে দোষী সাব্যস্ত করে। আনসার ও সাইফুলকে ফাঁসির পরিবর্তে আমৃত্যু কারাদণ্ডাদেশ ঘোষণা করে কলকাতা হাইকোর্ট। বেকসুর খালাস পায় আমিন আলি। অন্যদিকে একই মামলায় নিম্ন আদালতে যাবজ্জীবন সাজার রায়কে কলকাতা হাইকোর্ট নাকচ করে বেকসুর খালাস দেন ভোলা নস্কর, আমিনুল ইসলাম ও ইমানুল হককে।




